Adsterra

a-ads

pop

Wednesday, July 13, 2022

বীর বীরাঙ্গনা মালতী বাঈ লোধি

 মালতী বাঈ লোধি ১৮৫৭ সালের যুদ্ধের মহান বীরাঙ্গনা ছিলেন। মালতী বাঈ লোধি ছিলেন বুন্দেলখণ্ডের ইতিহাসের মহান বীরাঙ্গনা ঝাঁসির রানী লক্ষী বাঈ এর ছোটবেলার খেলার সাথী। মালতী বাঈ, ঝাঁসির রানী লক্ষী বাঈ এর অঙ্গ রক্ষক ছিল।


       
জুন মাসের ১৮৫৭ সালের যুদ্ধে যখন রানী লক্ষী বাঈ আহত হন, তখন তার ঘোড়াটিও ট্রায়াম্ফ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে

সন ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেকবার এই বীর যুবতী বীরাঙ্গনা, ব্রিটিশদের হাত থেকে ঝাঁসির রানী লক্ষী বাঈকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে আনেন। মালতী বাঈ ছিলেন রানী লক্ষী বাঈ এর বড়োই স্নেহময়ী ও বিশ্বাসযোগ্য নারী। 

শ্রী অলোক দীক্ষিত পেশায় একজন এনজিও কর্মকর্তা, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একজন অ্যাসিড দগ্ধ নারীকে।

 

শ্রী অলোক দীক্ষিত পেশায় একজন এনজিও কর্মকর্তা, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একজন অ্যাসিড দগ্ধ নারীকে।

🏵🏵🏵
শ্রী অলোক দীক্ষিত পেশায় একজন এনজিও কর্মকর্তা, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একজন অ্যাসিড দগ্ধ নারীকে। সম্প্রতি তাদের কোল জুড়ে এসেছে ফুটফুটে এক সন্তান। অলোক প্রমাণ করেছে মানুষের চেহারাই সব কিছু নয়
ভালোবাসার এতো ক্ষমতা যা অসুন্দরকে ঢেকে দিতে পারে খুব সূক্ষ্ম ভাবে। আসলে সুন্দর মানসিকতাই পারে এসমাজকে পাল্টে দিতে ।
ওনাদের জন্য অনেক শুভকামনা রইল 💖
🙏🙏🙏

#তাহার_নামটি_চন্দনা #প্রাপ্তবয়স্কদের_জন্য ©শ্রাবন্তী_মিস্ত্রী

#তাহার_নামটি_চন্দনা  #প্রাপ্তবয়স্কদের_জন্য ©শ্রাবন্তী_মিস্ত্রী

তাকে যখন প্রথম দেখেছিলাম, তখন আমি মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। লেখাপড়ার কারণে বাড়িতে থাকা আমার হতো না, দু তিনমাস অন্তর বাড়ি ফিরতাম আমি। সেবার মায়ের চিঠি পেলাম আমার বড় দাদার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বিয়ের দিনক্ষণ জানিয়ে মা লিখেছেন, দাদার বিয়ের কয়েকদিন আগেই যেনো আমি পৌঁছে যাই বাড়িতে। বিয়ের আগের দিন রওনা দিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। বাড়ি গিয়ে দেখলাম সব প্রস্তুত ভিয়েন বসেছে, সারা বাড়িতে প্যান্ডেল। জেঠতুতো পিসতুতো দাদারা বললো -"হবু ডাক্তার আর ছোট ছেলে হওয়ায় বেঁচে গেলি সব দায়িত্ব থেকে।"

Thursday, May 12, 2022

Golden Chariot: অশনি-র দাপটে সমুদ্রতটে ভেসে এল রহস্যময় 'সোনালি রথ'!

 

শ্রীকাকুলামে।

সাইক্লোন অশনি-র আশঙ্কায় ত্রস্ত ওড়িশা ও অন্ধ্রের বিস্তীর্ণ উপকূলভাগ। তার মধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়াল অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার সুন্নাপল্লী খাঁড়িতে। 

Wednesday, March 30, 2022

Import/ Export Registration Certificate (IRC/ERC) Bangladesh

 Import Export Registratio




 চতুর্থ শিল্প-বিপ্লবের এই যূগে মুক্ত-বাজার অর্থনীতি, গ্লোবালাইজেশন এবং একই সাথে তথ্য-প্রযুক্তির ক্রমাগত উৎকর্ষের ফলে ব্যবসা-বানিজ্যকে কোন দেশ বা মহাদেশের সীমানায় আটকে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, অভ্যন্তরীণ গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বেচাকেনায় তুমুল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কিছু কিছু পণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকায় আবার বাংলাদেশেও বৈদেশিক পণ্যের চাহিদা ও ঘাটতি থাকায় আমদানি-রপ্তানি খাতে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

কোন ব্যবসায়ী বা শিল্পোউদ্যোগতা বিদেশ থেকে দেশে কোন কাঁচামাল বা পন্য আমদানি করতে চাইলে আবার বাংলাদেশে উৎপাদিত কোন পন্য বিদেশের বাজারে রপ্তানী করতে চাইলে তার ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট লাইসেন্সে থাকা বাধ্যতামূলক।

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আজকের এই আর্টকেলে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট লাইসেন্সের বা সংক্ষেপে IRC and ERC আবেদন কি ভাবে করতে হয়, সে সম্পর্কে।

এই লাইসেন্স প্রদান এবং নবায়ন এবং এ সংক্রান্ত রেগুলেটরি অথরিটি হলঃ

Office of the Chief Controller of Imports & Exports (CCI&E)

প্রথমে জেনে নিই কে বা কারা এই লাইসেন্স পেতে পারে-

কোন প্রোপ্রাইটরশিপ কনসার্ন বা একমালিকানাধিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

কোন পার্টনারশিপ ফার্ম

বা কোন লিমিটেড কোম্পানি

আমদানী এবং রপ্তানী লাইসেন্স দুইটা কিন্ত আলাদা লাইসেন্স এবং আলাদা ভাবে নিতে হয়, তবে প্রসেস একই রকম।

আমদানী বা রপ্তানী লাইসেন্স আবেদনের জন্য কি কি ডকুমেন্টস দরকার হয়ঃ

ট্রেট্রেড লাইসেন্স দরকার হবে;

2  মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট দরকার হবে;

3) মালিকের টিআইএন সার্টিফিকেট;

মামালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র;

5)   মালিকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি;

6)    ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট;

7)    ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সার্ফিকেট এর কপি;

আপনার প্রতিষ্ঠান যদি পার্টনারশিপ ফার্ম হয়, তাহলে পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্টের কপি;

আপনার প্রতিষ্ঠান যদি লিমিটেড কোম্পানি হয় তাহলে আরজেএসসি কর্তৃক অনুমোদিত মেমোরান্ডাম অফ এসোসিয়েশন, আর্টিকেলস্‌ অফ এসোসিয়েশন এবং সার্টিফিকেটস্‌ অফ ইন-করপরেশনের কপি।

কোম্পানীর পরিচালকদের নাম,ঠিকানার, কোম্পানীর নামে ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট, ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সার্ফিকেট ইত্যাদি।

এবং সরকার নির্ধারিত কোডে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি এর টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে অথবা সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় জমা প্রদানের পর জমার রশিদ।

আই আর সি এবং ই আর সি লাইসেন্সের জন্য কত টাকা ফিস দিতে হয়-

ফিস এর তালিকা আপনারা স্ক্রিনে দেখতে পাচ্ছেন, এই ফিস বিভিন্ন সময়ে আপডেট হয়ে কম-বেশি হতে পারে এবং এর সাথে ১৫% ভ্যাট ও অন্যান্ন শুল্ক যুক্ত হতে পারে, তাই সঠিক ফিস এর পরিমান জানার জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ভিজিট করুন বা অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

এই আবেদন অফ-লাইন এবং অনলাইনে দুই ভাবেই করা যায়।

অফলাইনে করার ক্ষেত্রে আমাদানী ও রপ্তানী নিয়ন্ত্রকের প্রধান কার্যালয় ঢাকা থেকে কিংবা আপনার সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয় গিয়ে নির্ধারিত ফর্মে যাবতীয় সাপোর্টিং ডকুমেন্টের কপি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে।

আর অনলাইনে করার ক্ষেত্রে সি সি আই ই এর ওয়েব এপ্লিকেশনের লগিন করে প্রয়োজনীয় তথ্য ইনপুট করে যাবতীয় সাপোর্টিং ডকুমেন্টস্‌গুলো স্ক্যান ঙ্করে আপলোড করে সাবমিট করতে হবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে সাধারনত ২-৩ এর ভেতর আইআরসি বা ইআরসি সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। 

আপনারা যারা একটা কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করতে চান, তারা চাইলে এখানে ক্লিক করে বাংলাদেশে একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী গঠনের প্রক্রিয়া সংক্রান্ত এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

তো বন্ধুরা আজকের লেখাটি এ পর্যন্তই, এই রকম তথ্য-বহুল বিভিন্ন আর্টকেল  সবার আগে আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজ-লেটারে সাবস্ক্রাই করে রাখতে পারেন। ইনশাল্লাহ দেখা হবে পরবর্তীতে নতুন কোন ব্লগ পোস্টে নতুন কোন বিষয় নিয়ে, সে পর্যন্ত ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

Import/ Export বিষয়ক যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন। সরাসরি চলে আসতে পারেন এই ঠিকানায়; "Joy & Associates" 28, Kawran Bazar, Taz Mansion (3rd Floor)  Room- 401, Dhaka – 1215 আমাদের ই-মেইল করুন: miltankumarmondal95@gmail.com এ বা প্রয়োজনে ফোন করুন: 01311654887,01611304690 নম্বরে। ধন্যবাদ।

 

 


Wednesday, February 23, 2022

কার্যকরী এই প্যাক আপনার চুল সিল্কি কালো ও উজ্জ্বল করবে

কার্যকরী এই প্যাক আপনার চুল সিল্কি কালো ও উজ্জ্বল করবে
 প্রাচীনকাল থেকে চুলের বৃদ্ধিতে পেয়াজের ব্যবহার হয়ে আসছে। পেঁয়াজে রয়েছে সালফার। যা চুলের কোলাজেন টিস্যুর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সাহায্য করে চুলের বৃদ্ধিতে।

কিভাবে এই প্যাক তৈরি করবেন - পেঁয়াজ ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি পরিস্কার কাপড়ে রেখে চিপে রস বের করে নিন। এই পেয়াজের রস পুরো মাথার ত্বকে খুব ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এই প্যাক ২ বার ব্যবহার করুন। দেখবেন চুল পড়া অনেক কমে গিয়েছে।

চুলের যত্নে মেহেদীর মাস্ক -



চুলের যত্নে আরেকটি ভালো উপাদান হচ্ছে মেহেদী। এই মেহেদী চুল করে সিল্কি, ঘন ও কালো।

১ কাপ পরিমান গুড়ো মেহেদী ও অর্ধেক কাপ পরিমান টক দই এক সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মেহেদীর মিশ্রণ চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ভালো ভাবে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে একটি ভালো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করতে পারেন এই মাস্ক।

কালো ত্বক উজ্জ্বল করবে গুঁড়ো দুধের ফেস মাস্ক তৈরির এই পদ্ধতি!

কালো ত্বক উজ্জ্বল করবে গুঁড়ো দুধের ফেস মাস্ক তৈরির এই পদ্ধতি!

কালো ত্বক উজ্জ্বল করবে গুঁড়ো দুধের ফেস মাস্ক তৈরির এই পদ্ধতি! ওমেন্স কর্নার ডেস্ক ডিসেম্বর ২৭, ২০২০ অনেক প্রোডাক্ট ব্যবহার করেছেন আপনারা। কিন্তু সবসময় তা কাজ দেয় না।

অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো দামীও হয়। কিন্তু আজ আমরা এমন ঘরোয়া পদ্ধতির কথা জানাতে চলেছি, যা মূলত কালো গায়ের রঙ যাদের তাঁদের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। ত্বক উজ্জ্বল বানাবে এই মাস্ক আপনাদের। গুঁড়ো দুধ কিন্তু ত্বকের জন্য খুব উপকারী। বিশেষ করে, যাদের শুষ্ক ত্বক তাঁদের ত্বক হাইড্রেট রাখতে খুবই উপকারী গুঁড়ো দুধ।

উপকরণঃ - ২ চামচ গুঁড়ো দুধ, - হাফ চামচ আমন্ড অয়েল, - ২ চামচ লেবুর রস, - ২ চামচ মধু।

আরো পড়ুনঃভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব কামরুন নাহার মুকুল (প্রষনে দায়িত্ব প্রাপ্ত) ও অভিভাবক ফোরাম এর সদস্য জনাব মীর শাহাবুদ্দিন টিপু

 

পদ্ধতিঃ একটি পাত্রে সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে মুখে মাখুন। তারপর সেই মিশ্রণ মুখে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো। এবার ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। অনেক ভালো উপকার পাবেন। ত্বক হবে উজ্জ্বল।

 

আমাদের সকলেরই ফর্সা সুন্দর ত্বক খুব প্রিয়। কিন্তু অনেক সময়ে কী হয়, বাইরের এতো ধুলো, বালির জন্য সেই টোন ধরে রাখা যায় না। যাদের ফর্সা ত্বক তারাই যদি গায়ের রঙ ধরে রাখতে না পারেন, তাহলে যাদের ডার্ক কমপ্লেকশন বা গায়ের রঙ কালো, তাঁরা কী খারাপ অবস্থার মধ্যেই না আছেন বলুন তো!

আপনারা কিন্তু অনেক প্রোডাক্ট ব্যবহার করেছেন। কিন্তু সবসময়ে তা কাজ দেয় না। আবার অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো দামীও হয় খুব। কিন্তু আজ আমরা এমন ৬টি ঘরোয়া পদ্ধতির কথা জানাতে চলেছি, যা মূলত কালো গায়ের রঙ যাদের তাঁদের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। অনেকটা উজ্জ্বল বানাবে এই মাস্ক আপনাদের।
১. পেপে আর ডিমের মাস্ক
পেপে আর ডিম একসঙ্গে ব্যবহার করলে আপনি দেখবেন খুব ভালো করে আপনার ত্বকের রঙ আস্তে আস্তে ফর্সা হচ্ছে আর হাল্কা হয়ে আসছে। তাঁর সঙ্গে আসছে একটা সুন্দর উজ্জ্বল ভাব। ডিমের প্রোটিন ত্বককে টানটান রাখবে। এর সঙ্গে দই যখন যোগ হবে তখন তা আপনার স্কিনকে ভিতর থেকে পরিষ্কার করে।
উপকরণঃ ৩ চামচ পেপের রস, ২ চামচ দই, ৪ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার, ৩ চামচ আমন্ড অয়েল, গ্লিসারিন, ডিমের সাদা অংশ
পদ্ধতিঃ গ্লিসারিন আর ডিম ছাড়া বাকি সবকটি উপকরণ একটি পাত্রে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। একটা ঘন পেস্ট মতো তৈরি হবে। সেটা এবার ফ্রিজে রেখে দিন ঘণ্টা দুয়েক মতো। তারপর বের করে তাতে দিন গ্লিসারিন আর ডিমের সাদা অংশ। খুব ভালো করে মেশান। এবার এই পেস্ট মুখে মাখুন আর রেখে দিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট। তারপর উষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন।
২. বেসন আর লেবুর রসের প্যাক
ত্বকের জন্য বেসন কতটা উপকারী তা তো আমরা সবাই জানি। আর এর পাশাপাশি লেবু খুব ভালো ভাবে ত্বককে পরিষ্কার করে।
উপকরণঃ ৩ চামচ বেসন, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ হলুদ গুঁড়ো, সামান্য গোলাপ জল
উপকরণঃ ৩ চামচ বেসন, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ হলুদ গুঁড়ো, সামান্য গোলাপ জল
পদ্ধতিঃ সবকটি উপকরণ খুব ভালো করে একটি পাত্রে মিশিয়ে নিন। তারপর তা মুখে মাখুন। মিশ্রণটা মুখে শুকোতে দিন। তারপর হাল্কা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটা আপনি সপ্তাহে দুদিন করতে পারেন। হলুদ আপনার ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান কোনও রকম দাগ হতে দেবে না।
৩. মধু আর লেবুর রসের প্যাক
লেবুর রস মুখ পরিষ্কার করে, ডিটক্সিফাই করে সেটা তো আমরা সবাই জানি। সঙ্গে মধু খুব সুন্দর ভাবে মুখের ময়েশ্চার ধরে রাখে। তাই এই মাস্ক কিন্তু খুব কার্যকরী।
উপকরণঃ ২ চামচ মধু, ২ চামচ লেবুর রসপদ্ধতিঃ সম পরিমাণে দুটি উপকরণ মিশিয়ে মুখে মাখতে হবে। তারপর তা রেখে দিতে হবে ২০ মিনিট মতো। এরপর গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন এটা করাই যা
৪. দুধ আর লেবুর রসের প্যাক
দুধ ত্বকের জন্য যে কত ভালো তা আমরা সকলে জানি। এটি ত্বককে পরিষ্কার করে, নরম রাখে।
উপকরণঃ ৩ চামচ দুধ, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু, হলুদ গুঁড়ো
পদ্ধতিঃ একটি পাত্রে দুধ নিয়ে তাতে বাকি সব উপকরণ মেশান। তারপর এই প্যাক মুখে মাখুন। শুকোতে দিন আর গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে সঙ্গে সঙ্গে একটা উজ্জ্বলতা দেখতে পাবেন। সপ্তাহে এক দিন করে করুন।
৫. টম্যাটো আর মধুর প্যাক
মুখে যদি রোদের থেকে হওয়া পোড়া দাগ থাকে বা মুখ অতিরিক্ত কালো হতে শুরু করে, তাহলে এটি ব্যবহার করুন। টম্যাটো এই দাগ খুব ভালো ভাবে হাল্কা করতে পারে।
উপকরণঃ একটা টম্যাটো, ৪ চামচ মধু
পদ্ধতিঃ একটি পাত্রে আগে টম্যাটো চটকে নিন। তার মধ্যে এবার মধু মিশিয়ে ভালো করে মেশান। এই প্যাক মুখে মেখে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো। তারপর গরম জলে ধুয়ে নিন। মুখ সঙ্গে সঙ্গেই তরতাজা লাগবে।
৬. গুঁড়ো দুধ আর লেবুর রসের প্যাক
ত্বকের জন্য কিন্তু গুঁড়ো দুধও খুব উপকারী। বিশেষত যাদের শুষ্ক ত্বক তাঁদের ত্বক হাইড্রেট রাখতে খুবই উপকারী গুঁড়ো দুধ
ত্বকের জন্য কিন্তু গুঁড়ো দুধও খুব উপকারী। বিশেষত যাদের শুষ্ক ত্বক তাঁদের ত্বক হাইড্রেট রাখতে খুবই উপকারী গুঁড়ো দুধ।
উপকরণঃ ২ চামচ গুঁড়ো দুধ, হাফ চামচ আমন্ড অয়েল, ২ চামচ লেবুর রস, ২ চামচ মধু
পদ্ধতিঃ একটি পাত্রে সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে মুখে মাখুন। তারপর সেই মিশ্রণ মুখে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো। এবার ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। খুব ভালো উপকার পাবেন।
বেসন ও লেবুর ফেসপ্যাক, তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে বেসন, বেসন ও মধু বেসন ও হলুদের ফেসপ্যাক প্রাকৃতিকভাবে ফর্সা হওয়ার উপায়. কালো থেকে ফর্সা হওয়ার উপায় বেসন, মুখে মাখার উপকারিতা রাতারাতি ফর্সা হওয়ার উপায়

 

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

Sunday, October 24, 2021

SOCIETY/NGO বা সামাজিক সংগঠন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ? RJSC Registration

 

RJSC

sOCIETY/NGO বা সামাজিক সংগঠন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া


NGO/ এনজিও- নন গভমেন্ট অর্গানাইজেশন, আসলে কি সেটা সম্বন্ধেই আমাদের ধারনা অতি সামান্য। এনজিও মানে একটি সংগঠন। বিশেষ কোন সামাজিক উদ্দেশ্যে, যেমন কোন সামাজিক উন্নয়ন বা কোন সামাজিক সমস্যা নিরসনে কয়েকজন মানুষের একটি সংগঠন। বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি রাষ্ট্র যেখানে রয়েছে অনেক ধরনের সমস্যা আর রয়েছে অনেকগুলো স্তর যেখানে রয়েছে উন্নয়নের যথেষ্ট অভাব। কিন্তু, আমি আপনি যেখানে সমস্যা বা অভাব দেখছি, সেখানেই কেউ একজন দেখছে সমাধান বা সম্ভাবনা। কিন্তু, আমাদের দেশে যদি একটা অনলাইন কিংবা অফলাইন জরীপ চালানো হয় এই বিষয়ে যে, এনজিও বলতে কি বুঝে, তাহলে আমি মোটামুটি হলফ করে বলতে পারি যে, হিংস ভাগ মানুষই এনজিও বলতে তা যা বুঝে তা হল, যেখানে ঋণ দেওয়া হয় এবং কিস্তির মাধ্যমে তা আদায় করা হয়। সত্য কথা বলতে এটাই বাস্তবতা বা প্র্যাকটিস হচ্ছে এটাই। কিন্তু, এনজিও’র কাজ যে ঋণ দেওয়া না, এটাই আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ জানে না। এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, তাহলে যেসব এনজিও মানুষকে ঋণ দিচ্ছে, তারা কিভাবে ঋণ দিচ্ছে? উত্তর হচ্ছে, তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ অথরিটি থেকে অনুমতি সাপেক্ষে আপনাকে আমাকে ঋণ দিচ্ছে। এই অনুমতি ব্যতীত যদি কোন এনজিও ঋণ দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, তবে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ঐ ঋণ কার্যক্রম অবৈধ।

More Read: কিভাবে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠন বা নিবন্ধন করবেন? এবং যে কাগজ গুল দরকার? Registrar of Joint Stock Companies and Firms

আসুন অন্যের দোষ না ধরে এনজিও কি সেটা নিয়ে একটু কথা বলি। এনজিও- নন গভমেন্ট অর্গানাইজেশন, যা সরকারি নয় এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা মানুষের উপকারে বা মানুষের স্বার্থে নিঃশর্তে কাজ করে। সবাই তো আসলে আমরা নিজের জন্য কাজ করি, অন্যের জন্য কাজ তো কেবল সরকার করে থাকে, তাও অবশ্যই জনগণের করের টাকায়। কিন্তু, এনজিও সরকারি প্রতিষ্ঠান না হয়েও নিজেদের টাকায় আমাদের উপকারে সামাজিক কাজ করে থাকে। আবার এনজিও’র মত একই ধরনের কাজ করে থাকে ফাউন্ডেশন বা সোসাইটি বা সামাজিক সংগঠন যে নামেই আমরা ডাকি না কেন। আজকে আমরা আলোচনা করবো, এনজিও, সোসাইটি নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া নিয়ে।

এনজিও এবং সোসাইটি’র মধ্যে পার্থক্য কি?
এনজিও নিবন্ধন করা হয়ে থাকে এনজিও ব্যুরো থেকে আর সোসাইটি নিবন্ধন করা হয়ে থাকে সমাজ সেবা অধিদপ্তর বা জয়েন ষ্টক থেকে। নিবন্ধিত এনজিও’র মাধ্যমে আপনারা দেশী বিদেশী যেকোনো ভাবে ডোনেশন বা দান গ্রহণ করতে পারবেন। কিন্তু, সোসাইটি দিয়ে সেটা আনতে পারবেন না। তবে, যেহেতু বিদেশ থেকে টাকা আসার ব্যাপার রয়েছে, সেহেতু এখানে দুর্নীতির সম্ভাবনাও রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে এখন এনজিও ব্যুরো থেকে নিবন্ধন পাওয়া সরকারি চাকরি বা আমেরিকার ভিসা পাওয়ার চেয়েও কঠিন হয়ে গিয়েছে। তবে, দান অনুদানের বিষয় ছাড়া শুধুমাত্র জয়েন ষ্টক থেকে নিবন্ধিত সোসাইটি আর এনজিও’র কার্যক্রমের পরিধি অনেকটাই কাছাকাছি। তাই, আজকে আমরা কেবল জয়েন ষ্টক থেকে কিভাবে ‘সোসাইটি’ বা সংগঠন নিবন্ধন করাবেন, তা দেখব। তবে যারা এনজিও’র নিবন্ধন সম্বন্ধে জানতে ক্লিক করেছেন, তারা হতাশ হবেন না। জয়েন ষ্টক থেকে রেজিস্ট্রেশন করার পরও আপনি চাইলে আপনার সংগঠনটি এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধন করিয়ে নিতে পারেন। এতে আপনার এনজিওটি পরিপূর্ণতা পাবে। এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধন পাওয়া যেতে এখন অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে, তাই এনজিও ব্যুরো থেকে নিবন্ধন না ফেলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আপনি জয়েন ষ্টক থেকে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে আপনার সংগঠনের কার্যক্রম দেশব্যাপী পরিচালনা করতে পারবেন। আসুন জেনে নেই, কিভাবে জয়েন ষ্টক থেকে আপনার সংগঠনটি রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নিবেনঃ

ভালো কথা, রেজিস্ট্রেশন করার আগে আপনার জানা স্বত্বেও আবার বলছি, আপনাদের সংগঠনের সদস্য সংখ্যা অন্তত ৭ জন হতে হবে। বলা বাহুল্য, প্রত্যেককেই প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হবে। আর পরিচয়পত্র স্বরূপ আপনাদের জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড থাকতে হবে সাথে প্রত্যেকের ছবি। ব্যক্তিগত ভাবে সকলেই যখন আপনারা প্রস্তুত তখন আপনাদের প্রয়োজন হবে আপনাদের সংগঠনের নাম। যদি ইতিমধ্যে কোন নাম থেকে থাকে তাহলে তো ভালো আর না থাকলে একটা নাম নির্ধারণ করে নিন। তারপর সেই নামে অন্য কোন সংগঠন আছে কিনা সেটা যাচাই করে নিন, যদি একই নামে কোন সংগঠন থাকে তাহলে ভিন্ন নাম সিলেকশন করুন আর না থাকলে আপনাদের নির্ধারিত নামেই নামের ছাড়পত্র নিন। এই নামের ছাড়পত্রের জন্য আপনাদের যেতে হবে, http://app.roc.gov.bd:7781/psp/nc_search এই লিংকে। লিংকে গিয়ে আপনি দেখতে পাবেন।

এরপর আপনার পছন্দের নাম পেয়ে গেলে আপনি নামের ছাড়পত্রের জন্য নির্ধারিত ফী ব্যাংকে পরিশোধ করে নামটি নিজের করে নিতে পারবেন।

ফী সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়ে থাকে, এই মুহূর্তে ১০০০/- টাকা দেখাচ্ছে। আপনি যখন রেজিস্ট্রেশন করবেন, তখন আপনি নিম্নোক্ত লিংকে গিয়ে চেক করে নিবেন, http://123.49.32.37:7781/psp/fee_calculator

নামের ছাড়পত্র পেয়ে গেলে আপনার কাজ হচ্ছে, আপনার সংগঠনের গঠনতন্ত্র তৈরি করা। গঠনতন্ত্র মূলত আপনার প্রতিষ্ঠান কিভাবে পরিচালিত হবে, কি কি পদ থাকবে, পদ গুলোর জন্য কিভাবে নির্বাচন হবে, অর্থনীতি কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। ভবিষ্যতে গঠনতন্ত্রের নমুনা নিয়ে আমরা লিখবো, তখন দেখে দেখে তা আপনিও করতে পারবেন। 

যাই হোক গঠনতন্ত্র তৈরির পর আপনাদের কাজ হচ্ছে সোসাইটির রেজিস্ট্রেশন ফী ব্যাংকে পরিশোধ করা। রেজিস্ট্রেশন ফী এই মুহূর্তে যা দেখাচ্ছে তা নিম্নে দেখান হল। তবে আপনি যখন রেজিস্ট্রেশন করবেন, তখন উপরিউক্ত লিংকে গিয়ে আবার চেক করে নিবেন।

সোসাইটির রেজিস্ট্রেশন ফী’র রসিদ সহ, নামের ছাড়পত্র, গঠনতন্ত্র, আপনারা যতজন সদস্য সকলের পরিচয়পত্র, ছবি ইত্যাদি সবকিছু আপনি এবার জয়েন ষ্টকে সাবমিট বা জমা দিবেন। জমা দেওয়ার পর জয়েন ষ্টক সবকিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখবেন এবং NSI এর মাধ্যমে আপনাদের সকল তথ্য এবং কার্যক্রম তদন্ত করে দেখবে। NSI সন্তুষ্টজনক রিপোর্ট দিলেই কেবল আপনারা রেজিস্ট্রেশন পাবেন, না হলে আবেদন খারিজ হয়ে যাবে।

যেহেতু NSI বা গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত রিপোর্ট যদি আপনাদের পক্ষে আসে, তাহলে আপনাদেরকে জয়েন ষ্টক থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে দিবে, সেহেতু রিপোর্ট আপনাদের পক্ষে আসার জন্য যে বিষয়গুলোতে আপনারা সচেতন থাকতে পারেন:

  • আগে দর্শনদারি, তারপর গুন বিচারী। আপনি কেমন, আপনার বাকী সদস্যরা কেমন, সেটা যাচাই বাছাই করে সন্তুষ্ট হলেই কেবল গোয়েন্দা সংস্থা রিপোর্ট পজেটিভ আসবে।
  • গঠনতন্ত্র সঠিক নিয়মে তৈরি করতে পারে না। নিজেরা কিভাবে লাভবান হবেন, সেটা গঠনতন্ত্রে ফুটে উঠে। তাই ব্যক্তি স্বার্থ দেখলেই চলবে না, সমাজের জন্য কি অবদান রাখতে চান সেটাই গঠনতন্ত্রে তুলে ধরুন।
  • সোসাইটির নাম দিয়ে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবসা করতে চাইলে ধরা খাবেন। তবে, বৈধভাবে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবসা করতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ অথরিটি থেকে অনুমতি নিয়ে তারপরও এই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ অথরিটি থেকে কিভাবে অনুমতি নিতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত পরে কোন একসময় লেখার চেষ্টা করবো।

সর্বোপরি, morning shows the day, আপনার সবকিছু আপনার গঠনতন্ত্রের মধ্যেই নিহিত। তাই, নিজেদের উদ্দেশ্য সৎ রাখুন, গঠনতন্ত্র ঠিক রাখুন, ইনশাআল্লাহ্‌ রেজিস্ট্রেশন পাবেন। আজ এই পর্যন্তই।

 

 Society বিষয়ক যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন। সরাসরি চলে আসতে পারেন এই ঠিকানায়; "Joy & Associates" 28, Kawran Bazar, Taz Mansion (3rd Floor) Room- 401, Dhaka – 1215 আমাদের ই-মেইল করুন: miltankumarmondal95@gmail.com এ বা প্রয়োজনে ফোন করুন: 01311654887,01611304690 নম্বরে। ধন্যবাদ।

 

 Source of: যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজে এসসি)

#কোম্পানিগঠনতন্ত্রনমুনা, # সুন্দরকিছুকোম্পানিরনাম, #জয়েন্টস্টককোম্পানিনামেরলিস্ট, #প্রাইভেটলিমিটেডকোম্পানিরসুবিধা, #বাংলাদেশেকোম্পানিখোলারনিয়ম, #মেমোরেন্ডামঅবএসোসিয়েশনএরনমুনাবাংলা, #ফাউন্ডেশনরেজিস্ট্রেশনফি ,#রতিষ্ঠানেরছাড়পত্র,

 

Friday, October 8, 2021

Post settings Labels  Separate labels by commas No matching suggestions Publi

 



Post settings
Labels
No matching suggestions
Post: Edit

Latest

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি

Featured Post

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! জেনে নিন বিস্তারিত-

গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...

jk