Adsterra

a-ads

pop

Sunday, February 2, 2020

যে গ্রামের মেয়েদের বিয়ে করতে চায় না কেউ!

যে গ্রামের মেয়েদের বিয়ে করতে চায় না কেউ!

গ্রামটির মেয়েরা যথেষ্ট সুন্দরী। সেটি একেবারে গণ্ডগ্রাম নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। গ্রামের মানুষ ভালো-মন্দ মিলিয়ে সমান। 
এমন সব গ্রামেই দেখা যায়। তারপরও এই গ্রামে অন্য গ্রামের ছেলেরা বিয়ে করতে চায় না। কারণ বানরের উৎপাত। কথিত আছে- গ্রামে একটি ডাকাত দল সক্রিয় রয়েছে। তবে তারা কেউ মানুষ নয়, বানর! শুনে আপনার হাসি পেতে পারে।

কিন্তু সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে- এ কথা সত্য। ভারতের ভোজপুর জেলার রতনপুর গ্রামের কথা প্রায়ই পত্রিকার পাতায় উঠে আসে এই বানর দলের কারণে। 

গ্রামে বাসিন্দাদের তুলনায় বানরের সংখ্যা অনেক বেশি এবং বানরের দল গ্রামবাসীদের সবসময় আতঙ্কের মধ্যে রাখে। যে কোনো অনুষ্ঠান- বিয়ে কিংবা জন্মদিন এমনকি শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানেও বানরের দল হানা দিতে দেরি করে না। খাবার নষ্ট করে। ধাওয়া দিলে দাঁত-মুখ খিচিয়ে উল্টো তেড়ে আসে। তুলকালাম কাণ্ড ঘটায়।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পাত্রপক্ষ ওই গ্রামে যেতে চায় না। বানরের আক্রমণের চেয়ে তারা নিরাপদে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। 

যে কারণে যখন রতনপুর গ্রাম থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে, বর এবং তার পরিবার সুস্পষ্ট এই কারণ দেখিয়ে ঘটককে বিদায় করে দেয়। স্থানীয় প্রশাসন বিপর্যয় রোধে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু বানরের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কারণে তারা সফল হয়নি।

বিশেষ করে কোনো আয়োজন উপলক্ষ্যে যখন ভালো-মন্দ খাবার তৈরি করা হয় তখন বানরগুলো হামলা চালায়। অতীতেও এই গ্রামে এভাবে অনেক বিয়ের অনুষ্ঠান ভুণ্ডল হয়ে গেছে।

চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করল বাংলাদেশ


করোনাভাইরাসের হুমকির মুখে বাংলাদেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা (এয়ারপোর্টে আসার পর এ ভিসা দেওয়া হয়) সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানান। এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে 
বাংলাদেশে আসার জন্য চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা সাময়িক বন্ধ করা হয়েছে।

আগামী এক মাস আমরা ভিসা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। তবে তারা ভিসা নিয়ে আসতে পারবে। চীনের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। তিনি বলেন, এখানে অনেক প্রকল্পে চীনারা কাজ করেন। সেজন্য আমরা সতর্ক রয়েছি। তবে এখন তাদের বাংলাদেশে আসতে হলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইতালি সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে ৩০৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

Saturday, February 1, 2020

তাহসানকে নিয়ে গুঞ্জন, শাওনের দ্বিতীয় বিয়ে কবে?


প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল তার বিয়ের। শোনা গিয়েছিল, বাংলাদেশি অভিনেত্রী মিথিলার সাবেক স্বামী সংগীত শিল্পী তাহসানের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন শাওন। তবে সেই গুঞ্জনের কোন সত্যতা মেলেনি, এমনকি জানা যায়নি কোন তারিখ। ওইসময় সেই বিয়ের গুঞ্জনে হতবাক হয়েছিলেন শাওন নিজেই। ফেসবুক পেইজে ঘটনার বিবরণ দিয়ে একটি পোস্টও করেছিলেন তিনি।

পোস্টে শাওন লিখেছিলেন, একটু আগে ইনবক্সে পাঠানো এই ইউটিউব কন্টেন্টের হেডলাইন দেখে এত বড় সাইজের একটা ভিমড়ি খেয়েছি যে আগামী দু’দিন কিছু না খেলেও চলবে! ভিডিওটা দেখার ইচ্ছাও হয়নি। ভেতরে যে ফালতু কিছু থাকবে তা বুঝতে পারছি বটে। তবে দুইপাশে দু’জনের ছবি(!), মধ্যখানে লাল হৃদপিন্ড(!!) আর পেছনে হাতের ওপরে হাত(!!!) দেখে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের কল্পনাশক্তির উচ্চতা দেখে একা একা হেসেই যাচ্ছি… অবশেষে!

অবশ্য লেখক হুমায়ূন আহমেদ মারা যাওয়ার পর থেকে বহুবার শাওনের বিয়ের প্রসঙ্গ উঠেছিল। তবে বরাবরই সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, আর কখনো ঘর বাধবেন না। কবে দ্বিতীয় বিয়ে করছেন? জবাবে শাওন বললেন, আমার কাছে হুমায়ূন এখনো বেঁচে আছে। সে মরে নাই। প্রতিটা মুহূর্ত আমি তাকে অনুভব করি, স্মরণ করি। তাই মনে হয় না দ্বিতীয় বিয়ের কোন প্রয়োজন আছে। আমি আমার দুই সন্তানকে নিয়ে আজীবন একা কাটাতে চাই। আর এভাবে হুমায়ূনকে নিয়ে থাকতে চাই।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে হুমায়ূন আহমেদকে বিয়ে করেন শাওন। এ ঘরে তাদের তিন ছেলে-মেয়ে জন্মগ্রহণ করে। প্রথম ভূমিষ্ঠ কন্যাটি মারা যায়। দুই ছেলের নাম নিষাদ হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূন।

আট কারণে কমে পুরুষের যৌন ইচ্ছা


পুরুষের যৌনশক্তি কমার পেছনে প্রভাব ফেলতে পারে খাদ্যাভাস। এটি আপনার লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার যৌনশক্তি কমিয়ে দেয় তা তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই শ্রেয়।

চলুন দেখা যাক, যেসব কারণে পুরুষের যৌনক্ষমতা কমে যাচ্ছে

ধূমপান ও মদ্যপান
দিনে দিনে ধূমপান ও আভিজাত্যে মদ্যপান যেন স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে তো এর সঙ্গে সঙ্গে আরও মারাত্মক ক্ষতিকারক নেশায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল পুরুষের ইডি বা লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা আছে তাদের বেশির ভাগই ধূমপান বা মদ্যপান করে থাকেন।

দুশ্চিন্তা
পুরুষের দুশ্চিন্তা অনেক বেশি। স্ত্রীর নানা রকম আঘাত, ধীরে ধীরে পুরুষের শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নষ্ট করে দিতে থাকে। যার থেকে বাদ যায় না যৌনক্ষমতাও।

ওজন নিয়ন্ত্রণ
ওজন বেশি থাকলে যৌন সঙ্গমের ইচ্ছাও কমে যেতে থাকে। আবার ওজন কম থাকাও ভালো নয়! ওজন স্বাভাবিকের থাকলে যৌনশক্তি ঠিক থাকে।

ব্যায়াম না করা
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের যৌনক্ষমতা অন্যান্যদের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়, যা আপনার যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

নেশা
যারা নেশায় আসক্ত, তাদের বেশিরভাগই ধীরে ধীরে যৌন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এছাড়াও কিছু ঔষধ আছে (ব্যথানাশক, গর্ভরোধী) যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আপনার যৌনক্ষমতা কমিয়ে আনে।

বদহজম
বদহজমের কারণেও যৌনশক্তি কমে যায়। কেননা শরীরে হজম না হওয়ার কারণে রক্ত তৈরী হয় না।

দুর্বল যকৃত
যকৃত দুর্বল হওয়ার কারণে যৌনশক্তি কমে যায়। এর কারণ হলো, কলিজা হলো মানুষের শরীরের রক্ত প্রস্ততকারীর অন্যতম একটি উপাদান। বিশেষ করে যকৃতের কাজই হলো রক্ত তৈরী করা।যকৃত দুর্বলের লক্ষণ হলো—মুখের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়া। শরীরের রঙ হলদে হলদে হয়ে যাওয়া। সহবাসের সময় উত্তেজনা কমে যাওয়া।

মস্তিঙ্কের দুর্বলতা
আবার অনেকের মস্তিঙ্কের দুর্বলতার কারণেও যৌনশক্তি কমে যায়। যখন যৌনাঙ্গের শিরা দুর্বল হয়ে যায়, সব সময় রোগীর মাথায় ব্যাথা অনুভব করে কিংবা সহবাসের পর পরই অস্থিরতা অনুভব করে এবং চোখে অন্ধকার দেখে। সহবাসের পরই অধিক ক্লান্তি নেমে আসে।

লিভারের যেকোনো রোগ সারাবে তেঁতুল


অনেকেই ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। লিভারে চর্বি জমে মূলত এমন সমস্যা দেখা দেয়। ওষুধ খেয়ে অনেকেই এই রোগ সারার কথা ভাবেন। তবে আপনারা কি জানেন, প্রাকৃতিকভাবেও যে লিভার পরিষ্কার করা সম্ভব। এজন্য দরকার স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলা। যার সমাধান রয়েছে তেঁতুলে।

যেকোনো ধরণের লিভারের সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে তেঁতুল। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর সব পদার্থ বের করে দেয়। সেইসঙ্গে হজম প্রক্রিয়াও তরান্বিত করে। তেঁতুল লিভার সুরক্ষায় বেশ কার্যকর। এটি খারাপ কোলেস্টেরল ধ্বংস করে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

লিভার সুস্থ রাখতে তেঁতুল যেভাবে ব্যবহার করবেন:-

দুই মুঠো খোসা ছাড়ানো পাকা তেঁতুল নিন, সঙ্গে এক লিটার পানি ও মধু। একটি ব্লেন্ডারে তেঁতুল ও পানি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেড করুন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় সারাদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই পানীয় পান করতে হবে।

এবার জেনে নিন কেন আপনি এই তেঁতুল পানীয় প্রতিদিন পান করবেন?

১. তেঁতুলে থাকা ল্যাক্সেটিভ উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর।

২. এই পানীয় শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করতে সক্ষম। এজন্য লিভারে জমা ফ্যাট গলে যায়। এতে করে আপনার লিভারের বয়স ২০ বছরের মতোই তরুণ থাকবে।

৩. কোলন ক্যান্সারের সমস্যায় অনেকই ভুগে থাকেন। জানেন কি? তেঁতুলের এই পানীয় আপনার কোলনকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।

৪. উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে তেঁতুলে। এটি আপনার ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে।

৫. হৃদরোগের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করবে তেঁতুলের এই পানীয়। কারণ এতে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ খারাপ কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে ধ্বংস করে।

বিয়ের সবচেয়ে উপযুক্ত বয়স কত


বিয়ে হলো একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি। যার মাধ্যমে দুইজন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়।বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণভাবে বিবাহ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে দুইজন মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও যৌন সম্পর্ক সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে। কিছু সংস্কৃতিতে, যে কোনো প্রকারের যৌন কর্মকাণ্ডে প্রবৃত্ত হওয়ার পূর্বে বিবাহ সম্পন্ন করাকে বাধ্যতামূলক হিসেবে পরামর্শ দেয়া হওয়া অথবা বিবেচনা করা হয়।

বিশদ বিবৃত সংজ্ঞার ভাষায় বলতে গেলে, বিয়ে হলো একটি বৈশ্বিক সার্বজনীন সংস্কৃতি। বিয়ে সাধারণত কোনো রাষ্ট্র, কোনো সংস্থা, কোনো ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ, কোনো আদিবাসী গোষ্ঠী, কোনো স্থানীয় সম্প্রদায় অথবা দলগত ব্যক্তিবর্গের দ্বারা স্বীকৃত হতে পারে। একে প্রায়শই একটি চুক্তি হিসেবে দেখা হয়। সাধারণত আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় অথবা ধর্মনিরপেক্ষ আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

বিয়ের বয়স: বিয়ের জন্য সেরা বয়স কত? তা নিয়ে আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। অনেকেরই ধারণা শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকলেই বিয়ে করা যায়।এখানে বয়স লাগে না। তবে গবেষরকা বলছেন ভিন্ন কথা। বিয়ের সঠিক বয়সটি জেনে নিয়ে সে বয়সে বিয়ে করার গুরুত্ব সম্প্রতি তুলে ধরেছেন গবেষকরা। জেনে নিন সেই বয়সটা কত? অনেকেরই ধারণা ২০ বছর বা তার আশপাশের বয়সে বিয়ে করাই ভালো।

অনেকের আবার ধারণা বেশি বয়সে বিয়ে করাই সবচেয়ে ভালো। এক্ষেত্রে গবেষকরা সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন এ গবেষণায়। এতে উঠে এসেছে বিয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো বয়স হলো ২৬ বছর।

কেন ২৬ বছর? সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন বিয়ের জন্য সেরা বয়স হলো ২৬ বছর। কিন্তু কেন? এ বিষয়টি নির্ণয়ের জন্য একটি বিশেষ সূত্রের ব্যবহার করেছেন গবেষকরা। এতে উঠে এসেছে ৩৭ শতাংশের কথা।

গবেষকরা বলছেন, ধরুন একজন মানুষ ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে করতে পারেন। এক্ষেত্রে তার বিয়ের জীবনের (২২ বছরের) ৩৭ শতাংশ যখন পার হয় তখনই এ সময়ের তুঙ্গে থাকে বিয়ের উপযুক্ত বয়স।

গবেষকরা বলছেন, একটি চাকরি খোঁজা, সম্পত্তি ক্রয় করা কিংবা সঙ্গী বাছাই করা সব ক্ষেত্রেই ৩৭ শতাংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এক্ষেত্রে হিসাবমতো ২৬ বছরটিই হচ্ছে সে বয়সটি।

যে ১২টি কাজ করলে আপনিও ধনী!


ধনী হতে কে না চায়। চাকরি বা ব্যবসা যে পেশায়ই মানুষ থাকুক না কেন ধনী হওয়ার বাসনা সবারই। কিন্তু সবার পক্ষে ধনী হওয়া সম্ভব নয়।

বর্তমান বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমান সম্পদের মালিক মাত্র দুই হাজার মানুষ।যাদের শীর্ষ ধনী বলা হচ্ছে। তারা যা সম্পদ তা ভারতের বাজেটের চেয়ে বেশি। ১০০ কোটি গরিবের যে সম্পদ রয়েছে তারচেয়ে চারগুণ বেশি সম্পদের মালিক এই দুই হাজার ব্যক্তি।

তবে এমন ধনী হওয়ার আশা আমরা যদি নাও করি তবুও তুলনামূলক বেশি সম্পদের মালিক হতে চাই। তবে সম্পদের মালিক হতে গেলে জীবনের অনেক অভ্যাস বদলে ফেলতে হবে। আসুন জেনে নেই যেসব কাজ ঠিকঠাক করতে পারলে বা অনুসরণ করলে বুঝতে হবে সম্পদ ধরা দেবে :

১. স্বপ্নকে অনুসরণ যারা ভালো কিছু করার চেষ্টা করেন তার জীবনের স্বপ্ন পূরণের জন্য কাজ করেন। তারা স্বপ্নকে অনুসরণ করে জীবন পরিচালিত করেন। ফলে স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।

২. প্রতিদিন শেখা সফল মানুষরা প্রতিদিনই নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন। ৮৮ ভাগ ধনী লোক প্রতিদিন ৩০ মিনিট বা তারও বেশি সময় কঠোরভাবে জানতে এবং নিজেকে শিক্ষিত করতে ব্যয় করেন।

৩. চিন্তা নিয়ন্ত্রণ আপনি বড় চিন্তা করতে পারেন। আপনার একটি বড় কল্পনা শক্তি আছে। আপনি যা কিছু করছেন তার মালিক আপনিই। ৯১ ভাগ ধনী ব্যক্তি নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।

৪. দায়িত্বশীলতা দায়িত্বজ্ঞান থেকে আপনি লজ্জা পান না। বস্তুত আপনি সুযোগ খোঁজেন, যা আপনাকে আরো দায়িত্ববান করে।

৫. ঝুঁকি গ্রহণ আপনি সতর্ক এবং ঝুঁকি নিতে বেপরোয়া নন। সতর্ক ঝুঁকি গ্রহণকারী তাদের বাড়ির কাজ করেন, নতুন ধারণা এবং উদ্যোগ তাদের একটি ব্যবসার মধ্যে চালু করার আগে ঝুঁকি নিতে তারা দক্ষতা এবং জ্ঞানকে কাজে লাগান।

৬. পদক্ষেপ নেন আপনি কোনো পদক্ষেপ নিতে ভীত নন। সফলতার জন্য আপনাকে পদক্ষেপ নিতে হবে। বসে থাকলে বা শুধু চিন্তা করলে কখনোই সফল হওয়া যাবে না।

৭. ব্যর্থতা জয় করা একবার ব্যর্থ হলে থেমে যাওয়ার উপায় নেই। ব্যর্থতাকে আপনি অভিজ্ঞতা অর্জন ছাড়া অন্য কিছু হিসেবেই দেখছেন না। তাহলে বুঝবেন ধনী হওয়া যাবে।

৮. আউটওয়ার্ক করা ধনী ব্যক্তিরা দিন, সপ্তাহ, মাস এবং বছরব্যাপী কাজ করতে ভীত নন। ধনী ব্যক্তিরা সপ্তাহে গড়ে ১১ ঘণ্টা বেশি কাজ করেন ধনহীনদের তুলনায়।

৯. দৃঢ়সংকল্প লক্ষ্য পূরণের জন্য ক্রমাগত দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হতে হবে এবং লক্ষ্যের পেছনে ছুটেন জীবনে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিতে। ধনীদের ৮০ ভাগই লক্ষ্য কেন্দ্রীক। তারা লক্ষ্য অর্জনে অভ্যস্ত হতে অভ্যাস গড়ে তোলেন।

১০. প্রত্যাশাকে অতিক্রম প্রত্যাশাকে অতিক্রম করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যদের প্রত্যশাকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। তাহলে ধনী হওয়া যাবে।

১১. সম্পর্কে অন্ধবিশ্বাসী আপনি যদি অন্যের জন্মদিনে ফোন করে বা এমনিতে ফোন করে অন্যের খোঁজ খবর নেন তাহলে আপনার যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। আপনার মূল্যবান সম্পর্ক আপনার জন্য নানা দ্বার খুলে দেবে। সম্পর্ক আপনার কাছে মুদ্রার মতো।

১২. অন্যকে প্রাধান্য লোকজন আপনাকে পছন্দ করে। তারা আপনার সঙ্গে কাজ করতে এবং ব্যবসা করতে পছন্দ করে। আপনি লোকদের প্রফুল্ল হতে, সুখী, উৎসাহী এবং আশাবাদী করে তোলেন।

যে পাঁচ নারীর প্রেমে পড়া যাবে না


কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গিন্নির চেয়ে শালী ভালো।’ সমরেশ মজুমদার বলেছেন, ‘ছেলেরা ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে যে কখন সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে তারা তা নিজেও জানেনা…মেয়েরা সত্যিকার ভালোবাসতে বাসতে যে কখন অভিনয় শুরু করে তারা তা নিজেও জানেনা।’

প্রেমের রঙিন কাচে পুরো জগতটাই যেন রঙিন হয়ে ওঠে। তবে ছেলেদের ক্ষেত্রে নারীর প্রেমে পড়ার সময়ে একটু সাবধান তো হতেই হয়। না হলে ভবিষ্যতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়।

জেনে নিন প্রেমের ক্ষেত্রে কোন পাঁচ ধরনের নারী থেকে দূরে থাকবেন:-

নারীবাদ জিন্দাবাদ: এ ধরনের নারীরা মনে করেন, সমাজে যা কিছু খারাপ হচ্ছে বা আগামী দিনে হতে চলেছে তার সবই পুরুষদের জন্য হয়েছে এবং হবে। শুধু তাই নয়, সব ব্যাপারে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবণতা তো আছেই। কিছু নারী মনে করেন, এমন কোনো কাজ নেই যা তারা পুরুষদের থেকে ভালো করতে পারেন না।

সবচেয়ে বড় টাকা: ব্র্যান্ডের পোশাক, হিরের আংটি কোনো কিছু চাইতেই কোনো কুণ্ঠা নেই আপনার প্রেমিকার? যদি এমন হয় তাহলে সময় নিন, একটু ভেবে দেখুন। এত চাহিদা পরবর্তী সময়েও সামলাতে পারবেন তো।

রাগ যখন অস্ত্র: সামান্য কোনো বিষয়েও আপনার প্রেমিকা রেগে আগুন। কথায় কথায় মার মার অবস্থা। সারা জীবন এমন কারও সঙ্গে কাটাতে পারবেন কি না আরেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিন।

ব্রেকাপের পর সর্ম্পক: ব্রেক আপ হয়েছে মাত্র কদিন। আর সেই ফাঁকা জায়গাতেই আপনার প্রবেশ। নিজেদের মধ্যে কথা কম হয়, বরং সাবেককে নিয়ে শুনতে হয় বেশি কথা। তাহলে অবশ্যই একটু ভেবে দেখুন।

বিয়ে পাগল: সম্পর্ক শুধু কফি শপ থেকে এগিয়ে সিনেমা পর্যন্ত গিয়েছে। এর মধ্যে বাড়ির লোকের সঙ্গে আলাপ করার আবদার। এমনকি কেনাকাটায়ও শুধু বিয়ের শাড়ির দিকে নজর। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় সুযোগ পেলেই বিয়ে করার কথা যদি বলে তাহলে এমন প্রেমিকার সঙ্গে কত দূর যাবেন ভেবে দেখুন।

অকালে চুল পাকা রোধ করতে ৫ খাবার



চুল কি কেবল বয়সের কারণেই পাকে? না, চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যাওয়ার অন্তরালে রয়েছে আরও অনেক কারণ। অনেককেই দেখবেন অল্প বয়সেই চুল ধূসর হয়ে গিয়েছে, আবার অনেকের বয়স হওয়া সত্ত্বেও চুলে পাক ধরেনি মোটেই। এটা কেন হয়? এর পেছনে জিনগত কারণ তো আছেই, আবার আছে জীব্নযাপন ও খাবারের ভূমিকাও।

জেনে নিন এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো চুল পাকার গতিকে করবে মন্থর, অকালে চুল পাকতে দেবে না এবং ধরে রাখবে আপনার যৌবন। চুল পাকা নিয়ে ৫টি খাবারের কথা।


১. ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যুক্ত মাছ মাছে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন আছে যা আপনার হাড়, চুল, ত্বক সবকিছুর জন্যই জরুরী। এছাড়াও সামুদ্রিক মাছগুলোতে আছে উচ্চ মাত্রার ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ও সেলেনিয়াম, যা শরীরে পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। সাথে অ্যান্টি অক্সিডেনট তো আছেই।

২. বেরি জাতীয় ফল নানান রকম বেরি জাতীয় ফলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেনট। দেশি হোক বা বিদেশি, খাদ্য তালিকায় রাখুন প্রতিদিন বেরি জাতীয় ফল। এই দুটি উপাদানই স্বাস্থ্যকর ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত জরুরী। এরা কোলাজেনের উৎপাদন বাড়ায় ও অতিরিক্ত ফ্রি র‍্যাডিকালকে নিস্ক্রিয় করার মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীর করে তথা আপনার যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করে।


৩. সবুজ শাকসবজি সকলেই জানেন যে সবুজ শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টি অক্সিডেনট ও ডায়েটারি ফাইবার। একই সাথে আছে ভিটামিন বি যা মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। চুলের যে কোন সমস্যা প্রতিরোধ করে ভিটামিন বি। হ্যাঁ, চুল সাদা হয়ে যাওয়াকেও।

৪. কাঠবাদাম কাঠবাদামে আছে প্রচুর কপার যা মেলানিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। এছাড়া আছে প্রচুর ভিটামিন ই যা সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য খুবই জরুরী।

৫. চকলেট চিনি বিহীন কিংবা স্বল্প চিনিযুক্ত চকলেটে আছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা মেলানিন তৈরিতে সহায়ক। এই মেলানিনই আমাদের চুলের রঙ কালো করার ভূমিকা পালন করে। দৈনিক একটুখানি চকলেট খেলে ক্ষতি নেই কিছুই।

Thursday, April 4, 2019

চোখের রোগ ও সমস্যা এবং প্রতিকার



চোখের রোগ ও সমস্যা এবং প্রতিকার ছানিপড়া দৃষ্টি শক্তি সমস্যা নেত্রনালী প্রদাহঃ কর্ণিয়ার আলসার বা চোখের ঘাঃ গ্লুকোমাঃ ইউভিয়াইটিসঃ চোখ টেরাঃ চক্ষুগোলকের বাইরের রোগ

চোখের রোগ ও সমস্যা এবং প্রতিকার




চোখ একটি স্পর্শকাতর সংবেদনশীল অঙ্গ, যার সাহায্য আমার এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পাই, তার রূপ উপভোগ করি। চোখে দেখতে না পাওয়া মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় বাংলাদেশে প্রায় ১৮ লক্ষ লোক অন্ধ যার প্রধান কারণগুরি নিম্নে বর্ণিত হলোঃ ছানিপড়া চোখের কর্ণিয়া ও আইরিসের পিছনে অবস্থিত স্বচ্ছ লেন্স বার্ধক্য জনিত কারণে এবং অন্যান্য কারণে অস্বচ্ছ হয়। এই স্বচ্ছ লেন্স অস্বচ্ছ হওয়াকেই ছানিপাড়া রোগ বলে। যে সমস্ত কারণে চোখে ছানি পড়ে তা হলো- ১। বয়স জনিত কারণে ২। আঘাত জতি কারণে ৩। ডায়াবেটিস রোগের কারণে ৪। ইউভিআইটিস (রোগের কারণে ৫। অনিয়ন্ত্রিত ষ্টেরয়েড ব্যবহারের কারণে ধীরে ধীরে দৃষ্টি ক্ষমতা লোপ পাওয়া, চশমার পাওয়ার পরিবর্তন হওয়া , আলোর চাদিকে রংধনু দেখা, একটি জিনিসকে দুই বা ততোধিক দেখা, দৃষ্টি সীমানায় কালোদ দাগ দেখা, আলোতে চোখ হয়ে আসা ইত্যাদি ছানি রোগের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়াও পুরোনো ছানি পেকে চোখে ব্যথা হতে পারে। শিমুদেও ক্ষেত্রে ছানি রোগের কারণে চোখ টেরা হয়ে যেতে পারে। কোন ঔষধ সেবনে ছানি রোগের প্রতিকার হয় না। অপারেশনের মাধ্যমে ছানি রোগের চিকিৎসা করতে হয়। দৃষ্টি শক্তি সমস্যা (ক) প্রেসবাইওপিয়াঃ ইহা চোখের কোন রোগ নয়। চল্লিশ অথবা তদুর্ধ বসসে, বসস জনিত কারণে চোখের গঠন গত পরিবর্তন হয়। চোখের লেন্সের স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায়। ফলে কাছে দেখার জন্য লেন্সের আকার পরিবর্তনের ক্ষমতা কমে যায় এবং উক্ত বয়সে কাছে জিনিস ঝাপসা দেখায়। (খ) মায়োপিয়াঃ এ ধরনের রোগীরা কাছে মোটামোটি ভালো দেখতে পারলেও দূরে ঝাপসা দেখে, তাই এদের ক্ষীণদৃষ্টি বলা হয়। অবতল লেন্স বা মাইনাস পাওয়ারের চশমা পরলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। যাদের চোখের ছয় ডায়াপটারের বেশি মাইনাস পাওয়ারের লেন্স লাগে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের পাওয়ারও বাড়তে থাকে, তখান তাকে প্যাথজিক্যাল মায়োপিয়া বলা হয়। সে ক্ষেত্রে চোখের দেয়াল বা স্কে¬রা পাতলা হয়ে যায় এবং রেটিনায় ছিদ্র সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীকালে রেটিনা আলাদা হয়ে গিয়ে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। মায়োপিয়াতে চোখের আকার বড় হওয়ার কারণে চোখের দেয়াল পাতলা হয়ে যায়। সে জন্য সামান্য আঘাতেই চেখে অনেক মারাতœাক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং মাযোপিয়া রোগীদের সব সময় চোখের আঘাত থেকে সাবধান থাকতে হবে এবং নিয়মিতভাবে ডাক্তারের পরামর্শে চোখের পাওয়ার পরীক্ষা এবং রেটিনার পরীক্ষা করিয়ে নেয়া ভালো। (গ) অ্যাসটিগমেটিজমঃ এটি এক ধরনের দৃষ্টি স্বল্পতা, যাতে রোগীর কর্ণিয়ার যেকোনো এক দিকে (লম্বা দিকে, প্রস্থে অথবা কোণাকুণি) পাওয়ার পরবর্তন হয় বলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, এর কারনে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা একটি জিনিসকে দু’টি দেখা এবং মাথাব্যথা হতে পারে। সিলিন্ডার লেন্স ব্যবহারে এ সমস্যার সমাধান হয়। নেত্রনালী প্রদাহঃ আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এটা বেশ সাধারণ রোগ। এতে সব সময় চোখ থেকে পানি পড়ে এবং চোকের কোণায় চাপ দিলে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়। বারবার নালী বন্ধ হয়ে চোখের পানি যেখানে জমা থাকে তা ফুলে যায় এবং জীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। এন্টিবায়োটিক সেবনে এ রোগ সাময়িকভাবে ভালো হলেও বারবার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সেক্ষেত্রে ডিসিআর (উঈজ) অপারেশনের মাধমে নেত্রনালীর সাথে অন্য আর একটি পথে নাকের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। এতে রোগীর পানি পড়া বন্ধ হয়। এটি খুবই ছোঁয়াচে রোগ, যাতে চোখে অনেক পিচুটি জমে, চোখ লাল হয় এবং ফুলে ওঠে। একজন থেকে আশপাশের সবার মাঝে ছড়াতে পারে। এটি ভাইরাসজনিত রোগ যাতে পরবর্তী ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। রোদে সানগ্লাস ব্যবহার করা, ডাক্তারের পরামর্শ মতো ঘনঘন এন্টিবায়োটিক ড্র্রপ দেয়া এবং চোখের পরিচর্যা করলে এ রোগ দীর্ঘায়িত হয় না। মনে রাখতে হবে, এই রোগের সাথে মাঝেমাঝে চোখের কর্ণিয়া বা কালো রাজার প্রদাহ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ব্যথা-বেদনাও হতে পাওে, এমতাবস্থায় চক্ষু চিকিৎসকের নিয়মিত পরামর্শ ব্যতীত চোখে ড্রপ ব্যবহার করা উচিত নয়। কর্ণিয়ার আলসার বা চোখের ঘাঃ কৃষি প্রধান এই দেশে অন্ধত্বের অন্যতম কারণ চোখের ঘা বা কর্ণিয়ার আলসার হয় বিভিন্ন কারণে । আঘাত জনিত কারণ হলো প্রধান। সাধারণত ধান কাটার মৌসুমে ধানের ধারালো পাতা দিয়ে চোখের আঘাতের পর কর্ণিয়াতে ঘা হয়। এ ছাড়াও শিশুদের ক্ষেত্রে অপুষ্টিজনিত কারনে ভিটামিন “এ” এর অভাবে চোখের কালো রাজা প্রথমে শুকিয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে আলসার হয়ে যায়। আমাদের দেশে শিশুদের অন্ধত্বের অন্যতম কারন এটি। এছাড়াও কোনো কারণে চোখে জীবাণুর সরাসরি সংক্রমণেও আলসার বা ঘা হতে পারে। গ্লুকোমাঃ এটা চোখের এমন একটি রোগ, যাতে চোখের চাপ বেড়ে গিয়ে, পেছনের স্নায়ু অকার্যকর হয়ে ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি চলে যায়। গ্লুকোমা হলো বাংলাদেশ তথা পৃথিবীতে অনিবারণযোগ্য অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। যেকোনো বয়সে এ রোগ হতে পারে। জন্মের সময বেশ বড় চোখে এবং উচ্চ চক্ষুচাপ নিয়ে জন্মালে, একে কনজেনিটাল গ্লুকোমা বা জন্মাগত উচ্চ রক্তচাপ বলে। তরুণ বয়সেও হতে পারে, একে বলে জুভেনাইল গ্লুকোমা। বেশির ভাগ গ্লুকোমা রোগ ৪০ বছরের পর হয়। এদের প্রাথমিক গ্লুকোমা বলে। বেশি বয়সজনিত চোখের গঠনে পরিবর্তন, জন্মগত গঠনের ক্রটি, আঘাত, চোখ লাল হওয়া, ডায়াবেটিসজনিত চোখের রক্তহীনতা, অনিয়ন্ত্রিত স্টেরয়েড বা হরমোন থেরাপি, ছানি পেকে যাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্লুকোমা হতে পারে। বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসতে পারে। হঠাৎ করে এক চোখে প্রচন্ড ব্যথা হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, তার সাথে প্রচন্ড মাথা ব্যথা ও বমি বমি ভাব হতে পারে। আবার সব সময় হালকা চোখের এবং মাথা ব্যথার অনুভূতি (বিশেষ করে কম আলোতে) এবং আন্তে আস্তে দৃষ্টি শক্তি কমে যেতে পারে। অন্য দিকে ব্যথাবিহীন উভয় চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমে যাওয়া এবং চশমার পাওয়ার পরিবর্তন নিয়েও রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসে মাঝে মাঝে দুষ্টিসীমানার যেকোনো এক পাশে কালো হয়ে যাওয়া, ছানি পেকে চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি এ রোগের উপসর্গ হতে পারে। জন্মগত বড় চোখ, চোখ হতে পানি পড়া এবং আলোতে চোখ বন্ধ করে ফেলা জন্মগত গ্লুকোমার লক্ষণ হতে পারে। স্বাভাবিক চোখের চাপ(১০-২১) মি.মি. মার্কারি। অস্বাভাবিক চোখের চাপ থাকলে সমস্ত পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লুকোমা শনাক্ত করে ত্বরিত চিকিৎসা বাঞ্চনীয়। ইউভিয়াইটিসঃ চোখের পুষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রক্তনালী পূর্ণ একটি স্তর বা লেয়ার আছে, যাকে ইউভিয়া বা ভাসকুলার কোট বলা হয়। এই ভাসকুলার কোটের প্রদাহকে ইউভাইটিস বলা হয়। চোখে আঘাত, জীবাণুর সংক্রমন, কানেকটিভ টিস্যু বা যোজককলার রোগ ইত্যাদি কারণে এ রোগ হতে পারে। চোখে ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে না যেতে পারা, মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে রোগের লক্ষন অনেক দেরিতে বোঝা যায় বলে রোগ জটিলরূপ ধারণ করে। কানেকটিভ টিস্যু রোগ, বাতরোগ, ফুসফুসের রোগ, কিডনিরোগ তথা যৌন রোগের সাথেও এ রোগের উপস্থাপন হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এ রোগের ফলে ছানি রোগ, চোখের উচ্চচাপ রোগ (গ্লুকোমা), রেটিনার রোগ ইত্যাদি কারণে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এই রোগে ত্বরিত চিকিৎসা প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ হোমাট্রপিন অথবা এট্রোপিন আইড্রপ যা দু-তিন বার ব্যবহার করে ব্যথা এবং প্রদাহ দু’টিই কমে। রোগের উপসর্গ এবং উপস্থাপনভেদে স্টেরয়েড এবং এন্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। অবশ্যই শরীরের অন্যান্য রোগের (যার সঙ্গে ইফভিয়াইটিস রোগের সম্পর্ক রয়েছে) চিকিৎসা করাতে হবে। প্রয়োজনে মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, ত্বরিত চিকিৎসায় এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়। এট্রোপিন আইড্রপ ব্যবহারের ফলে রোগী সাময়িক ঝাপসা দেখলেও পরবর্তীকালে ঔষধ বন্ধ করলে আবার ঠিক হয়ে যায়। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকে কোনো ঔষধ দেয়া বা বন্ধ করা যাবেনা এতে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে। চোখ টেরাঃ চোখের মাংসপেশি চোখকে একটি নির্দিষ্ট দিকে অবস্থন করতে সাহায্য করে। মাংসপেশির সহায়তায় আমরা চোখকে এদিক সেদিক নাড়াতে পারি। কোনো কারণে কোনো মাংসপেশি দুর্বল হয়ে গেলে উল্টো দিকে বেঁকে যায়। একে টেরা চোখ বলে। মাংসপেশির রোগ, স্নায়ুরোগ, আঘাত ইত্যাদি কারণে চোখ টেরা হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে দৃষ্টিস্বল্পতার জন্য চোখ টেরা হতে পারে আবার টেরা হওয়ার জন্য দৃষ্টি স্বল্পতা এবং অলস চোখ(অসনষুড়ঢ়রধ) হযে যেতে পারে। একটি জিনিসকে দু’টি দেখা, দৃষ্টিস্বল্পতা, মাথা ব্যথা ইত্যাদি টেরা চোখের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। প্রাথমিকভাবে মাঝে মাঝে চোখ টেরা হলেও আস্তে আস্তে তা স্থায়ী রূপ নেয়। চিকিৎসার ক্ষেত্রে টেরা চোখের কারণ ও ধরন বের করা জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে দৃষ্টি ত্বরিত চিকিৎসা জরুরি। চশমা দিযে দৃষ্টিস্বল্পতা দুর করে শিশুদের অনেক টেরা চোখ সোজা করা যায়। কিছু চোখের ব্যয়ামের ম্যধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় টেরা চোখের চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে। দৃষ্টিকটু বিধায় বাঁকা চোখের স্থায়ী চিকিৎসা হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে অপারেশনকে বেছে নেয়া হয়। চোখের ক্যান্সার যেমন রেটিনেব্লাসটোমার প্রাথমিক অবস্থায় শিশুদের চোখ টেরা হয়ে যেতে পারে। টেরা চোখের রোগীদের নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ ও চোখের পরীক্ষা করিয়ে নেয়া ভালো। চক্ষুগোলকের বাইরের রোগ (ক) ব্লফারাইটিসঃ এটি হলো আইলিড বা চোখের পাপড়িতে অবস্থিত চুলের চুলকানি,. আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসা, চোখে জালাপোড়া করা ইত্যাদিও অনুভূতি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শে চোখের নিয়মিত পরিচর্যা (যেমন- মাথার খুশকিও চোখের চুলের গোড়া পরিষ্কার করা) ও ঔষধ সেবনে এ রোগের বার বার আক্রমণ রোধ করা সম্ভব। (খ) টোসিসঃ এটি হলো চোখের মাংসপেশির রোগ। এতে চোখে পাতা নিচে নেমে যায়। আঘাত, স্নায়ু দুর্বলতা,বার্ধক্যজনিত কারণে এ রোগ হতে পারে। সমস্যা খুব বেশি হলে অপারেশনের মাধ্যমে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চিকিৎসা সম্ভব। (গ) চেখের অঞ্জলি ঃ এটি চোখের চুলের গোড়ায় অবস্থিত জিস বা মোল গ্রস্থির প্রদাহ। এতে প্রন্থির নিঃসরণ জমে ইনফেশন হয়ে ফুলে ওঠে। এতে প্রচন্ড ব্যথা হয়ে চোখের লিড ও চুলের গোড়া ফুলে যায়। ডাক্তারের পরামর্শে গরম সেক ও ঔষধ ব্যবহারে এ রোগ ভালো হয়। বার বারযাদের অঞ্জলি হয় তাদের ডায়াবেটিসের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। (ঘ) মেওয়াঃ চোখের পাতার ভিতর ব্যথাবিহীন টিউমারের মতো ফুলে যায়। এটি চোখের পাতার ভিতর অবস্থিত মিবোমিয়ান গ্রন্থির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ। অপারেশনের মাধ্যমে এর চিকিঃসা করা যায়। বারবার মেওয়া দৃষ্টি স্বল্পতার কারণেও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দৃষ্টি পরীক্ষা এবং স্বল্পতা থাকলে চশমা দেয়া যেতে পারে।




চোখের মারাত্মক এই ৯টি লক্ষণ আপনার নেই তো? ১০ নভেম্বর, ২০১৪ ২০:৫৯:২৭ শরীরের নানা সমস্যা চোখেও প্রতিফলিত হয়। চিকিৎসকরা এ কারণে চোখ দেখেই বহু রোগের লক্ষণ নির্ণয় করতে পারেন। এ লেখায় দেওয়া হলো ৯টি লক্ষণ। আপনার চোখে যদি এর কোনো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দেরি করবেন না। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ১. চোখে ছোট লাল দাগ চোখের সাদা অংশে যদি বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে লাল দাগ তৈরি হয় তাহলে তা অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এটি হতে পারে সিডিসির একটি লক্ষণ, যা প্রচুর মানুষের হয়ে থাকে। যদি রক্তের চিনির মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যায় তাহলে এটি হতে পারে। ২. রক্ত জমাট বাধা চোখে বিভিন্ন সমস্যার কারণে কিছুটা বড় আকারে রক্ত জমাট বাধার মতো চিহ্ন দেখা যায়। এটি হতে পারে মারাত্মক কাশি থেকে শুরু করে ফাংগাস সংক্রমণের কারণেও। ৩. চোখে চুলকানি অ্যালার্জি থাকলে প্রায়ই তা চোখে চুলকানির সৃষ্টি করে। এতে চোখ ফুলে যেতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে তা লাল হয়েও যেতে পারে। ধূলাবালি কিংবা অ্যালার্জির প্রতি সংবেদনশীল কোনো খাবার খেলে এটি হতে পারে। এতে অনেকের চোখ শুকিয়ে যায়, যা সমস্যা মারাত্মক করে তোলে। ৪. শুষ্ক চোখ নানা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চোখের শুষ্কতা আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ঘুমের ওষুধ, ব্যথার ওষুধ কিংবা উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকার ওষুধ সেবনে। তবে চোখের কিছু রোগের কারণেও আর্দ্রতা তৈরিকারি গ্ল্যান্ডটি অকার্যকর হয়ে এমনটা হতে পারে। ৫. কাছের জিনিস দেখতে সমস্যা অনেক মানুষই বয়স হলে এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তবে তা ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিলে একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে দীর্ঘদিন আটকে রাখা যায়। কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও এ সমস্যা হতে পারে। ৬. ঝাপসা দৃষ্টি চোখের নানা সমস্যার কারণে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের এ সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৭. হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখা রেটিনার মারাত্মক সমস্যার একটি লক্ষণ হতে পারে এটি। যদি এ সমস্যার সঙ্গে চোখে ছায়া দেখা যায় তাহলে তা রেটিনা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যায় অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ৮. চোখে ব্যথা চোখের সামান্যতম ব্যথার মতো সমস্যাতেও চিকিৎসক দেখিয়ে নেওয়া ভালো। কারণ চোখের ডাক্তাররা বিভিন্ন লক্ষণ দেখে আগেভাগেই কয়েক ধরনের ক্যান্সার নির্ণয় করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্রেন টিউমারও। আপনি আয়নায় দেখে কোনোভাবেই এ লক্ষণগুলো বুঝতে পারবেন না। ৯. সাদা বৃত্ত চোখের চারপাশে যদি সাদা বা হলদেটে বৃত্ত দেখা যায় তাহলে তা কোলেস্টরেলের একটি লক্ষণ। এমনটা দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।







চোখ একটি স্পর্শকাতর সংবেদনশীল অঙ্গ, যার সাহায্য আমার এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পাই, তার রূপ উপভোগ করি। তাই চোখ অনেক মূল্যবান সম্পদ। এই মূল্যবান সম্পদের রক্ষাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের সকলের। সময় থাকতে চোখের চিকিৎসা না করলে কত ক্ষতি হতে পারে তা আমরা কখনও চিন্তাও করিনা। একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) ‘দি ডক্টরস্’ অনুষ্ঠানে আজকের আলোচনার বিষয় ‘চোখের বিভিন্ন সমস্যা ও তার প্রতিকার’। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন- ডা. হারুন-উর-রশিদ (প্রথিতযশা চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, প্রখ্যাত ল্যাসিক, ফ্যাকো ও গ্লোকমা বিশেষজ্ঞ, ঢাকা আই কেয়ার হাসপাতাল)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন- ডা. নন্দিনী সরকার। অনুষ্ঠানটি শুনে লিখিত রুপে সাজিয়েছেন- সোহাগ আশরাফ প্রশ্ন : শিশুরা অনেক সময়ই চশমা পড়তে চায় না। অবহেলা করে। শিশুদের ক্ষেত্রে যাদের পাওয়ারে সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চশমা পড়া কতটা জরুরী? উত্তর : আসলে বড়দের কিন্তু চশমা পড়া অতি জরুরী নয়। বড়রা চশমা না পড়লে তার হয়তো কোন লেখা পড়তে অসুবিধা হবে। তিনি ঝাপসা দেখবেন। কখনও চোখ ব্যাথা হতে পারে। মাথা ব্যাথাও হতে পারে। কিন্তু শিশুদের বিষয়টা পুরোপুরি ভিন্ন। ধরুন একটি শিশু অভাব, অনটন বা অবহেলার কারণে বড় বা লম্বা হলো না। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির পর যদি অনেক পুষ্টিকর খাবার খাওনো হয় সে কি আর লম্বা হবে? হবে না। ঠিক তেমনি ভাবে ধরুন একটি শিশুর ৫ বছর বয়সে চোখের সমস্যা ছিলো। তখন তার একটি চশমা প্রয়োজন। কিন্তু সেটা যদি না দেওয়া হয় বা না ব্যবহার করা হয় তবে তার সেই ঝাপসা দৃষ্টি সারাজীবনের জন্য ঝাপসাই থেকে যেতে পারে। যেটাকে আমরা লেজি আই বা অলস চোখ বলি। প্রশ্ন : অলস চোখ সম্পর্কে কিছু বলুন! উত্তর : শিশুদের অলস চোখ চশমা দিয়ে সমাধান করা যায়। যেমন ধরুন কোন একটি শিশুর চোখ বেকে আছে। তার ক্ষেত্রে দেখা যায় চশমা দেওয়ার পর চোখ অনেকটা সোজা হয়ে আসে। যাদের ক্ষেত্রে চশমা দিয়ে বাকা চোখ সোজা হয় না তাদের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরণের ব্যাম দিতে পারি। অথবা প্রয়োজনে আমরা অপারেশন করতে পারি। প্রশ্ন : চোক হালকা বাকা থাকলে অনেকেই বলেন লক্ষ্মি ট্যারা। এটা কি? উত্তর : আসলে কোন ট্যারাই কিন্তু লক্ষ্মি নয়। সকল ট্যারা চোখেরই কিন্তু চিকিৎসার করা উচিত। প্রশ্ন : ল্যাসিক সার্জারি কি? উত্তর : যাঁদের চোখের পাওয়ার আছে কিন্তু চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স পরতে চান না, তাঁদের জন্য আধুনিক একটি চিকিৎসাব্যবস্থার নাম ল্যাসিক সার্জারি। এক্সাইমার লেজার রশ্মির সাহায্যে চোখের কর্নিয়ায় আকৃতি বা গঠনের পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ চোখের পাওয়ারের পরিবর্তন করা হয়। ল্যাসিক-পদ্ধতির অপারেশন এর প্রকারভেদের মাধ্যমে মাইনাস বা প্লাস পাওয়ারকে পরিবর্তন করে বিনা পাওয়ার বা জিরো পাওয়ার করা হয়। প্রশ্ন : ল্যাসিক সার্জারি কী এবং কেন? উত্তর : সাধারণত দৃষ্টিজনিত সমস্যা অর্থাৎ দুরের বা কাছের বস্তু দেখতে সমস্যা হওয়া বা ঝাপসা দেখা এধরনের চক্ষু সমস্যার সমাধানের জন্যই ল্যাসিক সার্জারি করা হয়ে থাকে। যারা দেখার সমস্যার কারণে (+) বা (-) চশমা ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রেই বেশীরভাগ সময় চিকিৎসকগণ ল্যাসিক সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে ঠিক এগুলো ছাড়াও আরো কিছু চিকিৎসায় ল্যাসিক সার্জারি করা হয়। ল্যাসিক সার্জারিতে Laser এর সাহায্যে মূলত চোখের কর্নিয়ার পুরুত পরিবর্তন করে ঝাপসা দেখা বা কম দেখার সমস্যা দূর করা হয়। যাতে রোগীকে চশমা ব্যবহার করতে না হয় বা ভারী চশমার পরিবর্তে খুব অল্প পাওয়ারের চশমা হলেই চলে।

সূত্র: বিকাশপিডিয়া টীম

Latest

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি

Featured Post

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! জেনে নিন বিস্তারিত-

গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...

jk