কিভাবে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠন বা নিবন্ধন করবেন?
প্রত্যেক ব্যবসায়ীর স্বপ্ন থাকে যে তিনি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠন করবেন তার প্রতিষ্ঠানটি একদিন বড় একটি কোম্পানি হবে, তিনি ডিরেক্টর হবেন, শত-সহস্র শ্রমিককে তার কোম্পানি চাকরি দেবেন, তিনি দেশ ও সমাজের জন্য বড় ভূমিকা রাখবেন। অনেকেই ভেবে থাকেই এই কোম্পানি গঠন করা বেশ কঠিন একটা কাজ এবং এটি করলে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয় কারণ অনেকেই এই কোম্পানি নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানেন না বা অনেক সময় ভুল জানেন। আমরা আমাদের এই লেখায় সহজ ও বোধগম্য ভাবে কোম্পানির গঠন প্রক্রিয়া এ টু জেড উল্লেখ করবো। তাছাড়াও এই লেখায় আপনি এই লেখায় কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য সকল প্রয়োজনীয় গাইড লাইন পাবেন। যা আপনাকে প্রয়োজনীয় টার্মস ও বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করবে। আর যে কোন সাহায্যের জন্য আমরা তো আছি-ই।
কোম্পানি গঠনের আগে যেসব জানা ভালো
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি কি?
কিছু ব্যক্তি যখন ব্যক্তিগত ভাবে বা প্রাইভেটলি কোন কোম্পানি গঠন করেন তখন তাকে বলা হয় প্রাইভেট কোম্পানি। উল্লেখ্য যে চাইলেই যে কেই নিজের ইচ্ছামত এই কোম্পানির অংশীদার হতে পারে না যদি না মূল অংশীদাররা নতুনদের যুক্ত করতে অনুমোদন দেয়।
আর লিমিটেড কথাটি এসেছে শেয়ার লিমিট ও শেয়ার হোল্ডার / অংশীদার লিমিট থেকে, একটি লিমিটেড কোম্পানিতে কত টাকা বিনিয়োগ করা যাবে তা আগেই অথরাইজড ক্যাপিটালে মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় বা লিমিট করা হয়। সেই লিমিটের বাইরে কোন লিমিটেড কোম্পানি শেয়ার বিক্রি করতে পারবে না।
আবার লিমিটেড কোম্পানিতে যারা অংশীদার থাকেন তাদের লাভ ও দায় তাদের শেয়ারের অনুপাতে তাদের উপর বর্তায় তাই এটাকে বলে লিমিটেড লায়াবেলিটি, এখানেও একটা লিমিট আছে। তাছাড়া একটি প্রাইভেট বা লিমিটেড কোম্পানিতে ২-৫০ জন পর্যন্ত শেয়ার হোল্ডার বা অংশীদার রাখা যায় যেটাও লিমিটেড।
প্রাক পরিকল্পনা
আপনার কাছে অল্প কিছু টাকা থাকলেই আপনি একটি ফার্মের সাহায্য নিয়ে একটি কোম্পানির নিবন্ধন করতে পারেন তবে সেটা করার আগে অবশ্যই একজন ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তার কিছু প্রাক পরিকল্পনা করতে হবে এবং তার ভবিষ্যৎ লক্ষ স্থির করতে হবে। একটি কোম্পানি গঠন করার আগে নিচের বিষয়গুলো আপনার বা আপনার (কোম্পানির) অংশীদারদের কাছে পরিষ্কার হওয়া বঞ্চনীয় ।
আপনি / আপনার কি বর্তমানে কোন ব্যবসা করছেন? করলে বর্তমানে কি ব্যবসা করছেন? ভবিষ্যতে কি ব্যবসা করতে চাচ্ছেন?
আপনি ১০ বছর পর নিজের কোম্পানিকে কোথায় দেখতে চাচ্ছেন?
বর্তমানে কত টাকা বিনিয়োগ করতে চাচ্ছেন?
ভবিষ্যতে মোট কত টাকা বিনিয়োগ করতে চাচ্ছেন?
আপনি যদি ইতোমধ্যেই চিন্তায় পরে যান বা ভাবতে থাকে যে এতকিছু কি দরকার, তাহলে বলব চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনার যদি বিষয়গুলো নিয়ে কনফিউশন লাগে সরাসরি আমাদের কাছে চলে আসুন আপনার সহযোগিতার জন্য আমারা সর্বদা প্রস্তুত। আর কেন বিষয়গুলো আগেই ভেবে রাখা ভাল সেটা এই লেখাটি সম্পূর্ণ ভাবে পড়লেই আইডিয়া পেয়ে যাবেন।
কোম্পানির কিছু টার্মস (শব্দ) ও অর্থ
কোম্পানি গঠন করতে বা কোম্পানির নিয়ে কাজ করতে আপনাকে কিছু টার্মস বুঝতে হবে, আমরা জানি যে এই টার্মসগুলো প্রায় সবাই জানেন তবুও সহজ ভাষায় টার্মস গুলো একবার জেনে নেওয়া ভাল।
অংশীদার / শেয়ার হোল্ডার:যারা একটি কোম্পানিতে অংশীদার হবেন, অর্থাৎ টাকা দিয়ে কোম্পানির মালিক হবেন তারা হচ্ছেন অংশীদার বা শেয়ার হোল্ডার। এই অংশীদাররা তাদের অংশের অনুপাতে লাভ [পক্ষান্তরে ক্ষতি] নিয়ে থাকবেন। প্রাইভেট কোম্পানিতে এই অংশীদারদের সংখ্যা ১-৫০ জন পর্যন্ত হতে পারে।
ডিরেক্টর : সাধারণত অংশীদারদের একটা ক্ষুদ্র অংশ, ২-৫ জন ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করেন। এরা বার্ষিক সাধারণ সভাতে উপস্থিত থাকেন, কোম্পানির হয়ে কোম্পানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
বোর্ড অব ডিরেক্টরস : কয়েকজন ডিরেক্টর মিলে, সাধারণত ৩-৫ জন একটি বোর্ড অব ডিরেক্টরস তৈরি করে যারা কোম্পানি পরিচালনা করেন।
ম্যানেজিং ডিরেক্টর : সাধারণ অংশীদার বা মালিকদের মধ্য থেকে একজন [সাধারণত যার শেয়ার বেশি থাকে তিনি] ম্যানেজিং ডিরেক্টর হয়ে থাকেন। সাধারণত ম্যানেজিং ডিরেক্টর একটা কোম্পানির সকল সিদ্ধান্ত নেন। একজন ম্যানেজিং ডিরেক্টরের কোম্পানি যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সকল ক্ষমতা থাকে।
চেয়ারম্যান: অংশীদারদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যান হন। চেয়ারম্যান মূলত কোম্পানির মিটিংগুলোতে সভাপতিত্ব করেন ও প্রয়োজনে মিটিঙের সিদ্ধান্তে ভোট প্রদান করেন।
পেইড আপ ক্যাপিটাল: কোন কোম্পানি যত টাকা দিয়ে শুরু হবে সেটা হচ্ছে সেই কোম্পানির পেইড আপ ক্যাপিটাল।
অথরাইর্জড ক্যাপিটাল: কোন কোম্পানি কত টাকা ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করতে চায় বা নিতে চায় সেটা হচ্ছে অথরাইজড ক্যাপিটাল।
মেমরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন: এটি একটি দলিল, এই দলিলে একটি কোম্পানি কি কাজ করবে তা উল্লেখ থাকে।
আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন :এটি একটি দলিল, এই দলিলে একটি কোম্পানি কিভাবে কাজ করবে তা উল্লেখ থাকে।
এখানে প্রতিটি বিষয় অতি-সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে, যদিও এখানকার প্রতিটি টপিক একটি করে নতুন আর্টিকেল দাবি করতে পারে, তবে সাধারণ পাঠকদের জন্য এই বিষয় গুলো বুঝলেই আপাতত যথেষ্ট হবে। আপনি যদি এই বিষয়গুলো নাও বোঝেন তাতেও সমস্যা নেই শুধু একটা আইডিয়া নিলেই হবে।
ভিডিও: কিভাবে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির নিবন্ধন করবেন
কি কি কাগজপত্র ও তথ্য লাগবে
একটি কোম্পানি গঠন করতে প্রত্যেক জন অংশীদারের নিচের কাগজপত্র ও তথ্যগুলো লাগবে।
ভোটার আইডি বা পাসপোর্ট
ট্যাক্স আইডি নম্বর / টিন
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা
পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি
পিতার নাম
মাতার নাম
প্রফেশন
ফোন নং
ই-মেইল এড্রেস (যদি থাকে)
এছাড়াও প্রত্যেকের ব্যাংক একাউন্ট ও চেক বই থাকতে হবে (যদিও এই তথ্য প্রাথমিক ভাবে প্রয়োজন নেই)
প্রত্যেক অংশীদারের এই তথ্য ছাড়াও কোম্পানির জন্য একটি ঠিকানা প্রয়োজন হবে।
খরচ
খরচকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি
সরকারি খরচ
সরকারি খরচটা নির্ভর করে যে আপনার অথরাইজড ক্যাপিটাল কত করতে চান তার উপরে। নিচের টেবিল থেকে সংক্ষেপে দেখে নিতে পারেন যে কত টাকা অথরাইজড ক্যাপিটাল হলে কত টাকা সরকারি ফি হবে।
Private / Limited company (RJSC) registration fee list 2021
Based on authorised capital
কনসালটেন্সি, ডকুমেন্টেশন ও প্রসেসিং ফি
সরকারী খরচ ছাড়াও পুরো বিষয়টাতে আপনাকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে, আপনার ডকুমেন্টস তৈরি করতে ও পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আপনার একজন কনসাল্টেন্ট অথবা একজন আইনজীবীর প্রয়োজন হবে। তাছাড়াও আরও অন্যান্য খরচ হতে পারে যা একা একা নতুন করো পক্ষে করতে গেলে বিভ্রান্তি ও ভোগান্তির স্বীকার হওয়া সম্ভাবনা থাকে।
পেইড-আপ ক্যাপিটাল, কোম্পানির ধরন, শেয়ার হোল্ডারদের সংখ্যা, কোম্পানি নিবন্ধনের আগে ও পরের কাজের হিসাব করে। সাধারণত বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ১০ হাজার থেকে শুরু কলে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। এটা কোন ফার্মের অভিজ্ঞতা, কারা কাজ করছেন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। তবে এই কাজ কোন প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে করানোই ভাল। যাতে করে ভবিষ্যতে আপনি তাদের কাছ থেকে সাহায্য নিতে পারেন।
ল হেল্প বিডি ও বল এন্ড এসোসিয়েটস সুনামের সাথে বহুবছর ধরে কোম্পানির নিবন্ধন করে আসছে। আপনি যে কোন সময় কোম্পানির যে কোন বিষয় জানতে সরাসরি আমাদের চেম্বারে চলে আসতে পারেন। আমরা আপনাকে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, আপনার কাঙ্ক্ষিত মূল্যে আপনাকে সেবা দিতে বদ্ধ পরিকর।
উপরের বিষয়গুলোর একটি আইডিয়া নেয়ার পর আপনি যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে আপনি একটি কোম্পানি করতে যাচ্ছেন তবে আপনাকে অভিনন্দন। আর যদি আপনি এখনো কনফিউশনে থাকেন তবে আমাদের চেম্বারে আপনার দাওয়াত রইল। আমরা আপনার সমস্যা ও চিন্তা শুনে সহজ সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব। সে যাই হোক, ধরে নেই আপনি একটি প্রাইভেট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন। চলুন তাহলে আমরা নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি দেখে নেই।
কোম্পানির নিবন্ধন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ Registrar of Joint Stock Companies And Firms (RJSC) বা যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর যে কোন কোম্পানির নিবন্ধন দিয়ে থাকেন। কোন কোম্পানির বৈধ কাজ করার জন্য এই পরিদপ্তরের অধীনে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ।
নামের ছাড়পত্র গ্রহন
কোম্পানি নিবন্ধনের প্রথম ধাপটি হচ্ছে নামের ছাড়পত্র নেওয়া কিন্তু নামের ছাড়পত্র নেয়ার আগে আমাদের কিছু কাজ করতে হবে।
ভিডিও; কিভাবে কোম্পানির জন্য নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করবেন
নাম খুঁজুন / সার্চ করুন।
প্রথমেই আমাদের আরজেএসসির ওয়েবসাইটের এই লিংকটিতে গিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত নামটি খালি আছে কিনা তা সার্চ করে দেখতে হবে। কারণ একই নামে বা কাছাকাছি সাদৃশ্য নামে আরজেএসসি নিবন্ধন প্রদান করবে না।
তাছাড়াও অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য আপনাকে ব্যক্তিগত ভাবে খুঁজে দেখতে হবে যে আপনি যেই নাম চাচ্ছেন সেই নামে কোন প্রচলিত ব্যান্ড বা প্রতিষ্ঠান আছে কিনা অথবা কোন ট্রেডমার্ক ইত্যাদি আছে কিনা।
যদি দেখেন যে কাঙ্ক্ষিত নামটি খালি আছে এবং কোন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান বা ব্যান্ড এই নামে নেই তবে নামের ছাড় পত্র নেয়ার জন্য আবেদন করুন।
অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
এই লিংকে গিয়ে Create new user (General) এ ক্লিক করুন এবং সেখানে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করে ফর্মটি পূরণ করুন। [আরও বিস্তারিত আমাদের নিচের ভিডিওটিতে দেখুন]
নামের ছাড় পত্রের জন্য আবেদন করুন।
নিবন্ধন সম্পন্ন হলে আপনি কিছুক্ষণের মধ্যে একটি ইমেইল পাবেন এবং সেখানে আপনি কিভাবে আপনার ইমেইল ভেরিফাই করে লগইন করবে সেই নির্দেশনা দেওয়া থাকবে।
ইমেইল ভেরিফাই করার পর আপনি সঠিক ভাবে এই লিংকে গিয়ে Apply for name clearance এ ক্লিক করবেন ও সেখানে লগইন করবেন।
লগইন করার পর আপনি সেখানে একটি আবেদন পত্র দেখতে পাবেন যা যথাযথ ভাবে পূরণ করবেন। যেমন আপনি কোন অফিসে আবেদন করছেন, কিসের জন্য আবেদন করছেন, কোন নামের জন্য আবেদন করছেন, সর্বশেষে কি হিসেবে আবেদন করছেন।
আবেদন করার সময় নিচের বিষয়গুলোতে লক্ষ রাখবেন।
ধাপে ধাপে কোম্পানির নিবন্ধন করুন
নামের ছাড়পত্রের সাধারণ শর্তাবলী:
১. একই নাম হতে পারবে না, অর্থাৎ উচ্চারণ ও লেখার ক্ষেত্রে শুনতে ও দেখতে একই রকম মনে হয় এমন নাম হবে না।
২. আন্তর্জাতিক কোন কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৩. দেশে দীর্ঘদিন যাবৎ চালু আছে এমন কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বিনোদন বা ক্রীড়া সংগঠনের নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৪. সরকারের অন্য কোন সংস্থায় নিবন্ধিত কোন প্রতিষ্ঠানের নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৫. জাতীয় পর্যায়ে বিখ্যাত বা খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তির নাম সহ কোন নামের ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের অনুমতি এবং সরকারের অনুমোদন আবশ্যক হবে। |
৬. মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক কোন নামের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি আবশ্যক হবে।
৭. সরকারি কোন কর্মসূচি বা সংস্থার নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৮. বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের নামের অনুরূপ বা রাজনৈতিক কোন স্লোগান বা কর্মকুঁচির নামের অনুরূপ কোন নাম হবে না।
৯. অশ্লীল, গালি বা ব্যঙ্গাত্মক শব্দ বিশিষ্ট কোন নাম হবে না।
১০. জাতি, ধর্ম অথবা সামাজিক সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে এমন কোন নাম হবে না।
১১. পূর্ব হতে প্রতিষ্ঠিত (অন্ততপক্ষে ১০ বছরের পুরাতন) সামাজিক প্রতিষ্ঠান তার মূল নামে নিবন্ধন করতে চাইলে সাংগঠনিক কমিটির রেজুলেশন নামের ছাড়পত্রের জন্য ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়ে আবেদন করবেন।
১২. সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা ক্রীড়া সংগঠনকে কোম্পানি হিসাবে নিবন্ধনের ছাড়পত্রের জন্য মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি আবশ্যক হবে।
১৩, নামের ছাড়পত্রের বর্ণিত শর্তাবলীর কোন একটি ভঙ্গ হলে আরজেএসসি কর্তৃপক্ষ গৃহীত নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দিতে পারবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাম পরিবর্তন না করা হলে নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে আপত্তিকৃত নামটি প্রতিস্থাপন করা হবে অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি তার নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে পরিচিত হবে।
১৪. শুধুমাত্র নামের ছাড়পত্র নিবন্ধনের জন্য চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে না।
উপরের শর্তগুলো মেনে নামের আবেদন করার পর নেক্সট এ ক্লিক করলে আপনার কাছে একটা Submission Details information চলে আসবে। সেটা সংক্ষিপ্ত ভাবে দেখে আপনি Continue তে ক্লিক করবেন। তারপর আপনাকে একটা Acknowledgement পেইজ দেখাবে যেটা আপনার সেভ করে রাখতে হবে। তারপর আপনি কোন ব্যাংকে টাকা প্রদান করতে চান তা সিলেক্ট করলে আপনাকে সেই ব্যাংকের একটা রশিদ প্রদান করবে।
রিসিটি পাবার পরে আপনাকে ব্যাংকে নামের ছাড়পত্রের জন্য টাকা ২৩০ টাকা জমা দিতে হবে।
টাকা জমা দেওয়ার সাধারণত ২-৩ কর্ম দিবসের মধ্যে আপনি নামের ছাড়পত্র পেয়ে যাবেন। এই লিংকে গিয়ে আপনি Submission Status এ ক্লিক করে Acknowledgement পেইজের নাম্বারটি প্রদান করে আপনার নামের ছাড়পত্র হয়েছে কিনা তা চেক করতে পারবেন।
নিবন্ধনের জন্য আবেদন
নামের ছাড়পত্র পেলে আপনাকে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটু জটিল ও অনেক কিছু বোঝার ব্যাপার আছে তাই অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিলে কাজ সহজ হবে তবে যে যাই হোক এখানে সংক্ষিপ্ত ভাবে একটা ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করা হোল।
নামের ছাড়পত্র পবার পর এই লিংকে গিয়ে Apply for Registration এ ক্লিক করতে হবে। তারপর লগইন করে Entity type private company সিলেক্ট করতে হবে।
এরপর আপনার Submission no এবং নামের ছাড়পত্রে সাথে পাওয়া NC Letter No. দিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এই আবেদন করতে প্রয়োজন হবে;
মেমরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন : এই ডকুমেন্টে একটা কোম্পানি কি কি ব্যবসা করবে, কিভাবে করবে, কোথায় করবে তা লেখা থাকবে। কোন কোম্পানি এই ডকুমেন্টের বাইরে কোন ব্যবসা করতে পারবে না বা চুক্তি করতে পারবে না। তাই কোম্পানির বর্তমান ও ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই দলিলটি তৈরি করতে হয়।
আর্টিকেল অব এসোসিয়েশন: এই দলিলে মূলত কোম্পানিটি কিভাবে পরিচালিত হবে, যেমন, কে ডিরেক্টর হবেন, কে কোন দায়িত্ব পাবেন, কার ক্ষমতা কেমন হবে, শেয়ার কেমন হবে, ডিভিডেন্ড কেমন হবে ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। এই দলিলটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ফর্ম IX: এটি একটি ফর্ম যেখানে কোন অংশীদারের কত শেয়ার থাকবে ও তিনি কি দায়িত্বে থাকবেন তা বলা থাকে।
আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করে ধাপে ধাপে ওয়েব সাইটের নির্দেশনা মতে এইসব দলিলে তথ্যগুলো আপলোড দিতে হবে। এবং দলিলগুলো সাইন করে, ছবি সংযুক্ত করে স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে।
নামের ছাড়পত্র পবার ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। ৩০ দিনের পর আবেদন করতে চাইলে আবার নতুন করে নামের ছাড়পত্র নিতে হবে।
রেজিস্ট্রেশনের আবেদন সম্পন্ন হবার পর
রেজিস্ট্রেশনের আবেদন সম্পন্ন হবার পর, এক মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের সরকারি ফি জমা দিতে হবে।
আপনি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে এবং যথা সময়ে টাকা জমা দিলে সাধারণত টাকা জমা দেওয়ার ৭ দিনের মধ্যেই আপনার কোম্পানি নিবন্ধিত হয়ে যাবে।
রেজিস্ট্রেশন হলে যেসব ডকুমেন্ট পাবেন
আপনার কোম্পানিটি নিবন্ধিত হয়ে গেলে আপনি একে একে তিনটি দলিল পাবেন। দলিল তিনটি হচ্ছে।
Certificate of Incorporation Certificate of Incorporation
Certified copy of Article of Association (AOA) and Memorandum of Association (MOA)
Form XII
নিবন্ধনের পর
একটি কোম্পানি নিবন্ধনের পর আপনাকে অবশ্যই কিছু কাজ সতর্কতার সহিত করতে হবে।
নিবন্ধনের পর আপনি যেসব ডকুমেন্ট পেলেন সেখানে সব তথ্য সঠিক আছে কিনা চেক করবেন। অনেক সময় অফিস থেকে কারণে বিনা কারণে কিছু ভুল করে থাকে।
ভুল থাকলে তা ২১ দিনের মধ্যে সংশোধনের জন্য আবেদন দেয়া যায়।
যদি ভুলের কোন বিষয় না থাকে আপনি কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত কাগজপত্র নিয়ে দ্রুততার সাথে কোম্পানির একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলে ফেলবেন। তারপর অংশীদারেরা তাদের শেয়ারে উল্লেখিত টাকা বা তাদের পেইড আপ ক্যাপিটাল তাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে কোম্পানির ক্রস চেকের মাধ্যমে কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে প্রেরণ করবেন। এই কাজটি অবশ্যই তিন মাসের মধ্যে করতে হবে। উল্লেখ্য যে, এই টাকা জমা হওয়ার পর যে কোন সময় কোম্পানির যে কোন কাজে তোলা যাবে এবং ব্যবহার করা যাবে। এই টাকা কোম্পানির ইনভেস্ট হিসাবে বিবেচিত হবে।
এরই মাধ্যমে আপনি সহজে ও সুন্দর ভাবে একটি কোম্পানি নিবন্ধনের মাধ্যমে গঠন করতে পারেন এবং দেশ ও দশকে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। আপনার এই অগ্রযাত্রায় আমাদের সঙ্গী করলে আমরা কৃতজ্ঞ হব। কোম্পানি বিষয়ক যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।
সরাসরি চলে আসতে পারেন এই ঠিকানায়; Joy & Associates, 28, Kawran Bazar, Taz Mansion (3rd Floor) Room- 401, Dhaka – 1215 আমাদের ই-মেইল করুন: miltankumarmondal95@gmail.com এ বা প্রয়োজনে ফোন করুন: 01311654887,01611304690 নম্বরে। ধন্যবাদ।
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
.
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
.
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
.
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
.
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
.
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
.
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
.
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
.
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
.
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
.
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
.
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
.
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
.
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
.
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
.
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
.
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
.
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
.
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
.
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
.
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
.
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
.
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
.
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
.
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
আফগানভূমে এখন তালেবান সরকার। আর তারা এই দেশ দখলের পর একের পর এক ভাস্কর্য, স্থাপত্য নষ্ট করে ফেলছে। কাবুল ন্যাশনাল মিউজিয়ামে রাখা গৌতম বুদ্ধের অমূল্য ভিক্ষা পাত্রের ভবিষ্যৎও তাই চূড়ান্ত অনিশ্চয়তাযর মধ্যে রয়েছে। এই ঘটনা জানতে পেরে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আদৌ কি তালিবানদের ধ্বংসলীলা থেকে বাঁচবে ওই বুদ্ধের ভিক্ষাপাত্র! এই পরিস্থিতিতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্যোগ নিতে বলে চিঠি লিখলেন বৈশালীর গবেষক রঞ্জিত কুমার।
এই গবেষক প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বুদ্ধের ভিক্ষাপাত্র আফগানিস্তান থেকে এদেশে নিয়ে আসতে অনুরোধ করেছেন। গবেষক রঞ্জিত কুমার সহযোগী ছিলেন প্রয়াত বৈশালী এলাকার সাংসদ রঘুবংশ প্রসাদ সিংয়ের। সে কথাও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এমনকী তিনি লিখেছেন, প্রয়াত সাংসদ মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি এই ভিক্ষা পাত্র নিয়ে আসার জন্য দরবার করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও তিনি চিঠি লিখেছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন।
জানা গিয়েছে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের ঘটনা। কালচে সবুজ বেলে পাথরের তৈরি এই পাত্র গৌতম বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যরা কাঁধে করে নিয়ে ঘুরতেন নগরের পথে পথে। এমনকী সেই পাত্রে যেটুকু ভিক্ষা হিসেবে পেতেন, তা দিয়েই বিহারের বৈশালী মঠের বৌদ্ধ ভিক্ষুক–সহ গৌতম বুদ্ধ নিজেও আহার সারতেন। গৌতম বুদ্ধের সেই ভিক্ষাপাত্র এখন কাবুল ন্যাশনাল মিউজিয়ামে সংরক্ষিত। দেশের এই সম্পদ এখন আফগানিস্তান থেকে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে গবেষক রঞ্জিত কুমার বলেন, ‘এটা রঘুবংশবাবুর শেষ ইচ্ছা ছিল। তিনি কেন্দ্রকে যে চিঠি লিখে ছিলেন তাও প্রায় একবছর হতে চলল। ওই চিঠিতে আমার নাম লিখেছিলেন তিনি। এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য। তাঁর মৃত্যুর প্রথম বছর উদযাপন হতে চলেছে ১৩ সেপ্টেম্বর। অথচ বুদ্ধের সেই ভিক্ষা পাত্র আজও কাবুলে’।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে যখন এসএম কৃষ্ণ বিদেশমন্ত্রী তখন তিনি প্রথম বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। গৌতম বুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত সেই ভিক্ষা পাত্র ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও খবর। বৈশালীর প্রাক্তন সাংসদ রঘুবংশ প্রসাদ সিংয়ের আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগী হয়।
এরপর বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর ফনীকান্ত মিশ্রকে কাবুল পাঠানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর ধরে দেশের সম্পদ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। মূল্যবান বৌদ্ধ ভিক্ষাপাত্র ভারতের হাতে আসার আগেই আফগানিস্তান দখল করল তালিবানরা।
এই বিষয়ে বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ ফনীকান্ত মিশ্র জানান, বুদ্ধের স্পর্শধন্য এই সামগ্রীর কথাই আমরা জোর দিয়ে বলতে পারি। ওই পাত্র যে পাথরে তৈরি হয়েছে আজকের আফগানিস্তান বা তার কাছাকাছি অঞ্চলের কোথাও সেই জাতীয় পাথর পাওয়া যায় না। উত্তরপ্রদেশ, বিহার সর্বত্র এই পাথর পাওয়া যায়। ওই জাদুঘরের প্রতিটি সংগ্রহ মানব ইতিহাসের অংশ। তার যাতে ক্ষতি না হয় তাই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রবাংলাদেশের একটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থা, যেটির কর্মসূচির ভিত্তি স্বাস্থ্য সেবার উপর নির্ভরশীল।[১] স্বাধীন বাংলাদেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হচ্ছে প্রথম স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা হাসাপাতাল। ১৯৭৭ সালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমন্বিত সমাজস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে
১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন গঠন করে। যার সভাপতি ছিলেন ডা. এ এইচ সায়েদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন এবং যুক্তরাজ্য যৌথভাবে এম এ মোবিন ও জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়। তারা অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে মেলাঘরে ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করেন। এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর ডাক্তার সিতারা বেগম।
স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল ঢাকার ইস্কাটন সড়কে পুনঃস্থাপিত হয়। পরবর্তিতে ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুরূপে গড়ে তোলার জন্য চল গ্রামে যাই এই স্লোগান ও উদ্দেশ্য নিয়ে হাসপাতালটি সাভারে স্থানান্তরিত হয়। তখন নামকরণ করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
১৯৭৭ সালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমন্বিত সমাজস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে। এছাড়া ১৯৮৫ সালে ম্যাগসাসে পুরস্কার, ১৯৯২ সালে সুইডেন থেকে রাইট লাইভহুড পুরস্কার এবং ২০০২ সালে বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো পুরস্কার লাভ করে।[২]
করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট উৎপাদন[]
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ২০২০ সালের ১৯ মার্চ করোনাভাইরাস শনাক্ত করার কিট উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় রি-অ্যাজেন্ট আমদানির সরকারি অনুমোদন পায়। ২০২০ সালের ২৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) কাছে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট 'জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট' হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
Address: House No, 14/E Rd No. 6, Dhaka 1205
Hours:
Open 24 hours
Phone: 01716-838078
Savar Gonoshasthaya Hospital
Savar Gonoshasthaya Hospital
Gonoshasthaya Institute of heath sciences is a modern institute of education that recognized by the Government of People’s Republic of Bangladesh as well as Bangladesh Medical and Dental council (BMDC). Gonoshasthaya Samajvittik medical college was founded under the guardianship of this Institute. This institute was approved in 1989 by Ministry of Health & Family Welfare.
Later on The University Grants Commission (UGC) of Bangladesh and Ministry of Education has approved the courses of Gonoshasthaya Samajvittik medical college. Gonoshasthaya Samajvittik medical college with the help of World Health Organization WHO) has been included in AVICENNA Directories of Medicine University of Chopenhagen (world directory of medical school). Gonoshasthaya Samaj Vittik Medical College has four big academic hospital of its own for the students to be familiar with the health problems of poor people living in urban and rural areas.The hospitals are – the first one at Savar, second one at Dhanmondi,third one at Gazipur,and the fourth one has recently started its operation in Pabna at kashinathpur. Another high quality hospital in Gaibandha has been established. More over 17 primary heath centres are situated in different places of Bangladesh. Through the judgment of ideal and scientific method education atmospheres. Departmental laboratory, Multimedia and computer assist education system, and updated clinical thinning facility, the Gonoshasthaya samajy vittik medical college could expect the best prefer among the all govt. and none govt. medical college of the county .now more than 500 students are studying in this institute. And more than 190 graduated from this institute working in different places.
dailynewstimesbd (ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডট কম) বাংলাদেশ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি দৈনিক অনলাইন সংবাদপত্র। 2 ফেব্রুয়ারি 2021 সালের এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অনলাইন নিউজ পত্রিকা। নিউজ পত্রিকা সম্পাদক , প্রকাশক হলেন বিনয় চৌধুরী ।
ইতিহাস dailynewstimesbd 2021 সালের 2 ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রকাশিত হয়।
পরিবর্তন হন পরিবর্তন করুন এটা মুলত একটি অনলাইন নিউজ পত্রিকা ইউটিউব চ্যানেল ফেসবুক পেজ আছে। সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী অটিজম অনগ্রসর এদেরকে নিয়েই মূলত কাজ করার লক্ষ্যে এ পত্রিকাটির সৃষ্টি হয়েছে । যারা যেখানে নির্যাতিত হচ্ছে নির্যাতিত-নিপীড়িত নিষিদ্ধ হচ্ছে তাদেরকে তুলে ধরে পত্রিকা মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।
পত্রিকার বিবরণ[সম্পাদনা] সে যে কোন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিতদের তুলে ধরা। এটি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে আস্তে আস্তে প্রকাশিত হবে এবং বাংলা ইংরেজি সহ অন্যান্য প্রায় বৃষ্টি ভাষায় প্রকাশ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন । আশা করি খুব দ্রুতগতিতে এর কাজ চলতেছে । যে সমস্ত অনগ্রসর এবং দরিদ্র আছে তাদেরকে তুলে ধরে এবং রোহিঙ্গা এবং ফিলিস্তিনি যে সমস্ত জনগোষ্ঠী আছে তাদেরকে তুলে ধরাই মূলত এ পত্রিকার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ।
সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও প্রথম আলো জড়িত আছে। এর মধ্যে রয়েছে এসিড সন্ত্রাস রোধ, মাদকবিরোধী আন্দোলনসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। এছাড়া জরুরি জাতীয় আপৎকালীন সময়ে প্রথম আলো ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সকল অর্থ আসে পাঠক-পাঠিকাদের আর্থিক অবদান থেকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এ জন্য স্থাপন করা হয়েছে ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ট্রাস্ট। তথ্যসূত্র[সম্পাদনা] ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি
dailynewstimesbd (Daily News Times bd.com) is a daily online newspaper published in Bengali from Bangladesh. It was first published on 2 February 2021. It is now an online news magazine in Bangladesh. Binoy Chowdhury is the editor and publisher of the news magazine.
History dailynewstimesbd was first published on February 2, 2021.
Change Change Change It is basically an online news magazine YouTube channel Facebook page. This magazine has been created with the aim of working with the backward and disabled people with autism. The main goal and purpose of the magazine is to highlight those who are being tortured and the oppressed are being banned.
Newspaper description He highlights the persecution of minorities in any country. It will be published gradually all over the world including Bangladesh and Bengali has expressed its desire to publish in English and other almost rainy languages. I hope it is working very fast. The main purpose of this magazine is to highlight the backward and poor people and the Rohingya and Palestinian people.
Prothom Alo is also involved in various social activities besides serving news. These include prevention of acid terrorism, anti-drug movement and various other events. As well as masterpiece student receptions. Prothom Alo also conducts relief operations during national emergencies. All the money comes from the financial contributions of the readers. [Citation needed] The Daily News Times BD Trust has been set up for this purpose. References Daily News Times BD
ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডট কম বাংলাদেশ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি দৈনিক অনলাইন সংবাদপত্র। 2 ফেব্রুয়ারি 2021 সালের এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অনলাইন নিউজ পত্রিকা। নিউজ পত্রিকা সম্পাদক , প্রকাশক হলেন বিনয় চৌধুরী ।
পরিবর্তন হন পরিবর্তন করুন এটা মুলত একটি অনলাইন নিউজ পত্রিকা ইউটিউব চ্যানেল ফেসবুক পেজ আছে। সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী অটিজম অনগ্রসর এদেরকে নিয়েই মূলত কাজ করার লক্ষ্যে এ পত্রিকাটির সৃষ্টি হয়েছে । যারা যেখানে নির্যাতিত হচ্ছে নির্যাতিত-নিপীড়িত নিষিদ্ধ হচ্ছে তাদেরকে তুলে ধরে পত্রিকা মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।
সে যে কোন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিতদের তুলে ধরা। এটি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে আস্তে আস্তে প্রকাশিত হবে এবং বাংলা ইংরেজি সহ অন্যান্য প্রায় বৃষ্টি ভাষায় প্রকাশ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন । আশা করি খুব দ্রুতগতিতে এর কাজ চলতেছে । যে সমস্ত অনগ্রসর এবং দরিদ্র আছে তাদেরকে তুলে ধরে এবং রোহিঙ্গা এবং ফিলিস্তিনি যে সমস্ত জনগোষ্ঠী আছে তাদেরকে তুলে ধরাই মূলত এ পত্রিকার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ।
সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও প্রথম আলো জড়িত আছে। এর মধ্যে রয়েছে এসিড সন্ত্রাস রোধ, মাদকবিরোধী আন্দোলনসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। এছাড়া জরুরি জাতীয় আপৎকালীন সময়ে প্রথম আলো ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সকল অর্থ আসে পাঠক-পাঠিকাদের আর্থিক অবদান থেকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এ জন্য স্থাপন করা হয়েছে ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ট্রাস্ট।