Adsterra

a-ads

pop

Saturday, September 11, 2021

জমি-জমা সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধ এবং খতিয়ান চেনার উপায়

 

জমি-জমা সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধ এবং জমির খতিয়ানের  কি কি নাম ?

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
.
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
.
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
.
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
.
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
.
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
.
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
.
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
.
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
.
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
.
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
.
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
.
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
.
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
.
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
.
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
.
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
.
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
.
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
.
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
.
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
.
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
.
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
.
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
.
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
ধন্যবাদান্তেঃ
মিলটন মন্ডল
মোবাইল--01611304690
 Source of: online
 
#জমিজমাসংক্রান্তবই pdf, #মামলাচলাকালিনজমিবেচাকেনাকরাযায়কিনা, #জমিরসমস্যা, #জমিরমালিকানাবেরকরারউপায়, #জমিজমাসংক্রান্তমামলা,
 

Thursday, September 9, 2021

গৌতম বুদ্ধের ভিক্ষা পাত্র ফিরিয়ে আনার দাবি, মোদীকে চিঠি লিখলেন গবেষক

 

মোদীকে চিঠি লিখলেন গবেষক

আফগানভূমে এখন তালেবান সরকার। আর তারা এই দেশ দখলের পর একের পর এক ভাস্কর্য, স্থাপত্য নষ্ট করে ফেলছে। কাবুল ন্যাশনাল মিউজিয়ামে রাখা গৌতম বুদ্ধের অমূল্য ভিক্ষা পাত্রের ভবিষ্যৎও তাই চূড়ান্ত অনিশ্চয়তাযর মধ্যে রয়েছে। এই ঘটনা জানতে পেরে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আদৌ কি তালিবানদের ধ্বংসলীলা থেকে বাঁচবে ওই বুদ্ধের ভিক্ষাপাত্র! এই পরিস্থিতিতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্যোগ নিতে বলে চিঠি লিখলেন বৈশালীর গবেষক রঞ্জিত কুমার।

এই গবেষক প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বুদ্ধের ভিক্ষাপাত্র আফগানিস্তান থেকে এদেশে নিয়ে আসতে অনুরোধ করেছেন। গবেষক রঞ্জিত কুমার সহযোগী ছিলেন প্রয়াত বৈশালী এলাকার সাংসদ রঘুবংশ প্রসাদ সিংয়ের। সে কথাও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এমনকী তিনি লিখেছেন, প্রয়াত সাংসদ মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি এই ভিক্ষা পাত্র নিয়ে আসার জন্য দরবার করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও তিনি চিঠি লিখেছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন।

জানা গিয়েছে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের ঘটনা। কালচে সবুজ বেলে পাথরের তৈরি এই পাত্র গৌতম বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যরা কাঁধে করে নিয়ে ঘুরতেন নগরের পথে পথে। এমনকী সেই পাত্রে যেটুকু ভিক্ষা হিসেবে পেতেন, তা দিয়েই বিহারের বৈশালী মঠের বৌদ্ধ ভিক্ষুক–সহ গৌতম বুদ্ধ নিজেও আহার সারতেন। গৌতম বুদ্ধের সেই ভিক্ষাপাত্র এখন কাবুল ন্যাশনাল মিউজিয়ামে সংরক্ষিত। দেশের এই সম্পদ এখন আফগানিস্তান থেকে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করা হয়েছে।

এই বিষয়ে গবেষক রঞ্জিত কুমার বলেন, ‘‌এটা রঘুবংশবাবুর শেষ ইচ্ছা ছিল। তিনি কেন্দ্রকে যে চিঠি লিখে ছিলেন তাও প্রায় একবছর হতে চলল। ওই চিঠিতে আমার নাম লিখেছিলেন তিনি। এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য। তাঁর মৃত্যুর প্রথম বছর উদযাপন হতে চলেছে ১৩ সেপ্টেম্বর। অথচ বুদ্ধের সেই ভিক্ষা পাত্র আজও কাবুলে’‌।


ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে যখন এসএম কৃষ্ণ বিদেশমন্ত্রী তখন তিনি প্রথম বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। গৌতম বুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত সেই ভিক্ষা পাত্র ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও খবর। বৈশালীর প্রাক্তন সাংসদ রঘুবংশ প্রসাদ সিংয়ের আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগী হয়। 

এরপর বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর ফনীকান্ত মিশ্রকে কাবুল পাঠানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর ধরে দেশের সম্পদ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। মূল্যবান বৌদ্ধ ভিক্ষাপাত্র ভারতের হাতে আসার আগেই আফগানিস্তান দখল করল তালিবানরা।

এই বিষয়ে বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ ফনীকান্ত মিশ্র জানান, বুদ্ধের স্পর্শধন্য এই সামগ্রীর কথাই আমরা জোর দিয়ে বলতে পারি। ওই পাত্র যে পাথরে তৈরি হয়েছে আজকের আফগানিস্তান বা তার কাছাকাছি অঞ্চলের কোথাও সেই জাতীয় পাথর পাওয়া যায় না। উত্তরপ্রদেশ, বিহার সর্বত্র এই পাথর পাওয়া যায়। ওই জাদুঘরের প্রতিটি সংগ্রহ মানব ইতিহাসের অংশ। তার যাতে ক্ষতি না হয় তাই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

Sunday, September 5, 2021

গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল কোথায় অবস্থিত | গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ডাক্তারদের তালিকা লিস্ট Gonoshasthaya Hospital Dhaka doctor list

 গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের একটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থা, যেটির কর্মসূচির ভিত্তি স্বাস্থ্য সেবার উপর নির্ভরশীল।[১] স্বাধীন বাংলাদেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হচ্ছে প্রথম স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা হাসাপাতাল। ১৯৭৭ সালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমন্বিত সমাজস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে

 

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন গঠন করে। যার সভাপতি ছিলেন ডা. এ এইচ সায়েদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন এবং যুক্তরাজ্য যৌথভাবে এম এ মোবিন ও জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়। তারা অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে মেলাঘরে ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করেন। এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর ডাক্তার সিতারা বেগম।

স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল ঢাকার ইস্কাটন সড়কে পুনঃস্থাপিত হয়। পরবর্তিতে ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুরূপে গড়ে তোলার জন্য চল গ্রামে যাই এই স্লোগান ও উদ্দেশ্য নিয়ে হাসপাতালটি সাভারে স্থানান্তরিত হয়। তখন নামকরণ করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি

১৯৭৭ সালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমন্বিত সমাজস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করে। এছাড়া ১৯৮৫ সালে ম্যাগসাসে পুরস্কার, ১৯৯২ সালে সুইডেন থেকে রাইট লাইভহুড পুরস্কার এবং ২০০২ সালে বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো পুরস্কার লাভ করে।[২]

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট উৎপাদন[]

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ২০২০ সালের ১৯ মার্চ করোনাভাইরাস শনাক্ত করার কিট উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় রি-অ্যাজেন্ট আমদানির সরকারি অনুমোদন পায়। ২০২০ সালের ২৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) কাছে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট 'জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট' হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

Address: House No, 14/E Rd No. 6, Dhaka 1205
 
Hours: 
 
Phone: 01716-838078

Savar Gonoshasthaya Hospital

Gonoshasthaya Institute of heath sciences is a modern institute of education that recognized by the Government of People’s Republic of Bangladesh as well as Bangladesh Medical and Dental council (BMDC). Gonoshasthaya Samajvittik medical college was founded under the guardianship of this Institute. This institute was approved in 1989 by Ministry of Health & Family Welfare.

Later on The University Grants Commission (UGC) of Bangladesh and Ministry of Education has approved the courses of Gonoshasthaya Samajvittik medical college.
Gonoshasthaya Samajvittik medical college with the help of World Health Organization WHO) has been included in AVICENNA Directories of Medicine University of Chopenhagen (world directory of medical school).
Gonoshasthaya Samaj Vittik Medical College has four big academic hospital of its own for the students to be familiar with the health problems of poor people living in urban and rural areas.The hospitals are – the first one at Savar, second one at Dhanmondi,third one at Gazipur,and the fourth one has recently started its operation in Pabna at kashinathpur. Another high quality hospital in Gaibandha has been established. More over 17 primary heath centres are situated in different places of Bangladesh.
Through the judgment of ideal and scientific method education atmospheres. Departmental laboratory, Multimedia and computer assist education system, and updated clinical thinning facility, the Gonoshasthaya samajy vittik medical college could expect the best prefer among the all govt. and none govt. medical college of the county .now more than 500 students are studying in this institute. And more than 190 graduated from this institute working in different places.

Contact Us:


Gonoshasthaya Samaj Vittik Medical College,
Mirzanagar, Savar, Dhaka, Bangladesh-1344.
phone: 027792225(Princial Office)
E-mail: principal@gonosvmc.edu.bd
Website: www.gonosvmc.edu.bd

 

Gonoshasthaya Nagar Hospital
ADDRESS
House # 14/e, Road-6, Dhanmondi, Dhaka, Bangladesh
PHONE NUMBER
+880-2-8617208
9673512
8617383
FAX
+880-2-8613567
ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।
 
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নবীনগর ফোন নাম্বার, Gonoshasthaya Samaj Vittik Medical College, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল ধানমন্ডি, gonoshasthaya hospital contact number, gonoshasthaya hospital covid test, gonoshasthaya medical college, gonoshasthaya institute gonoshasthaya pharmaceuticals ltd address, gonoshasthaya kendra career

Friday, September 3, 2021

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডট কম বাংলাদেশ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি দৈনিক অনলাইন সংবাদপত্র। wikimedia.org

dailynewstimesbd (ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডট কম) বাংলাদেশ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি দৈনিক অনলাইন সংবাদপত্র। 2 ফেব্রুয়ারি 2021 সালের এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অনলাইন নিউজ পত্রিকা। নিউজ পত্রিকা সম্পাদক , প্রকাশক হলেন বিনয় চৌধুরী ।

ইতিহাস dailynewstimesbd 2021 সালের 2 ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রকাশিত হয়।

পরিবর্তন হন পরিবর্তন করুন এটা মুলত একটি অনলাইন নিউজ পত্রিকা ইউটিউব চ্যানেল ফেসবুক পেজ আছে। সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী অটিজম অনগ্রসর এদেরকে নিয়েই মূলত কাজ করার লক্ষ্যে এ পত্রিকাটির সৃষ্টি হয়েছে । যারা যেখানে নির্যাতিত হচ্ছে নির্যাতিত-নিপীড়িত নিষিদ্ধ হচ্ছে তাদেরকে তুলে ধরে পত্রিকা মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

পত্রিকার বিবরণ[সম্পাদনা] সে যে কোন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিতদের তুলে ধরা। এটি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে আস্তে আস্তে প্রকাশিত হবে এবং বাংলা ইংরেজি সহ অন্যান্য প্রায় বৃষ্টি ভাষায় প্রকাশ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন । আশা করি খুব দ্রুতগতিতে এর কাজ চলতেছে । যে সমস্ত অনগ্রসর এবং দরিদ্র আছে তাদেরকে তুলে ধরে এবং রোহিঙ্গা এবং ফিলিস্তিনি যে সমস্ত জনগোষ্ঠী আছে তাদেরকে তুলে ধরাই মূলত এ পত্রিকার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ।


সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও প্রথম আলো জড়িত আছে। এর মধ্যে রয়েছে এসিড সন্ত্রাস রোধ, মাদকবিরোধী আন্দোলনসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। এছাড়া জরুরি জাতীয় আপৎকালীন সময়ে প্রথম আলো ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সকল অর্থ আসে পাঠক-পাঠিকাদের আর্থিক অবদান থেকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এ জন্য স্থাপন করা হয়েছে ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ট্রাস্ট। তথ্যসূত্র[সম্পাদনা] ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি

dailynewstimesbd (Daily News Times bd.com) is a daily online newspaper published in Bengali from Bangladesh. It was first published on 2 February 2021. It is now an online news magazine in Bangladesh. Binoy Chowdhury is the editor and publisher of the news magazine.

History dailynewstimesbd was first published on February 2, 2021.

Change Change Change It is basically an online news magazine YouTube channel Facebook page. This magazine has been created with the aim of working with the backward and disabled people with autism. The main goal and purpose of the magazine is to highlight those who are being tortured and the oppressed are being banned.

Newspaper description He highlights the persecution of minorities in any country. It will be published gradually all over the world including Bangladesh and Bengali has expressed its desire to publish in English and other almost rainy languages. I hope it is working very fast. The main purpose of this magazine is to highlight the backward and poor people and the Rohingya and Palestinian people.


Prothom Alo is also involved in various social activities besides serving news. These include prevention of acid terrorism, anti-drug movement and various other events. As well as masterpiece student receptions. Prothom Alo also conducts relief operations during national emergencies. All the money comes from the financial contributions of the readers. [Citation needed] The Daily News Times BD Trust has been set up for this purpose. References Daily News Times BD



ডেইলি নিউজ টাইমস 
বিডি ডট কম বাংলাদেশ থেকে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত একটি দৈনিক অনলাইন সংবাদপত্র।  2 ফেব্রুয়ারি 2021 সালের এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অনলাইন নিউজ পত্রিকা। নিউজ পত্রিকা সম্পাদক , প্রকাশক হলেন বিনয় চৌধুরী ।

ইতিহাস

dailynewstimesbd 2021 সালের  2 ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রকাশিত হয়।

 পরিবর্তন হন পরিবর্তন করুন এটা মুলত একটি অনলাইন নিউজ পত্রিকা ইউটিউব চ্যানেল ফেসবুক পেজ আছে। সমাজে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী অটিজম অনগ্রসর এদেরকে নিয়েই মূলত কাজ করার লক্ষ্যে এ পত্রিকাটির সৃষ্টি হয়েছে । যারা যেখানে নির্যাতিত হচ্ছে নির্যাতিত-নিপীড়িত নিষিদ্ধ হচ্ছে তাদেরকে তুলে ধরে পত্রিকা মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য । 


পত্রিকার বিবরণ[সম্পাদনা]

সে যে কোন দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিতদের তুলে ধরা। এটি বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে আস্তে আস্তে প্রকাশিত হবে এবং বাংলা ইংরেজি সহ অন্যান্য প্রায় বৃষ্টি ভাষায় প্রকাশ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন । আশা করি খুব দ্রুতগতিতে এর কাজ চলতেছে । যে সমস্ত অনগ্রসর এবং দরিদ্র আছে তাদেরকে তুলে ধরে এবং  রোহিঙ্গা এবং ফিলিস্তিনি যে সমস্ত জনগোষ্ঠী আছে তাদেরকে তুলে ধরাই মূলত এ পত্রিকার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ।

নিয়মিত আয়োজন[সম্পাদনা]


সামাজিক প্রকল্পসমূহ[সম্পাদনা]

সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও প্রথম আলো জড়িত আছে। এর মধ্যে রয়েছে এসিড সন্ত্রাস রোধ, মাদকবিরোধী আন্দোলনসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা।  এছাড়া জরুরি জাতীয় আপৎকালীন সময়ে প্রথম আলো ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সকল অর্থ আসে পাঠক-পাঠিকাদের আর্থিক অবদান থেকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এ জন্য স্থাপন করা হয়েছে ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ট্রাস্ট।


আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি
  2. "। চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্ত। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
  3. ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৯ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১১।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

Wednesday, September 1, 2021

Dr. Shamim Rima - Radiology & Imaging

Dr. Shamim Rima - Radiology & Imaging

Dr. Shamim Rima 

Degree:   MBBS, DMU, FCGP, M.Phil. (BSMMU)
Designation:  Asst. Professor
Institution:  AKMMCH
Specialist:  Radiology & Imaging
Chamber Address: Anwer Khan Modern Hospital, House #17, Road# 8, Dhanmondi R/A. Dhaka
Room No.: Room-250
Block: Floor-1st B
Visiting Time: 8:00 AM - 2:00PM & 6:00 PM - 10:00PM Sunday- Thursday

Contact No.: +88 02 9670295, +88 028613883, +88 028616074 

প্রাণীর জন্য মন কাঁদে তাঁর || Tale Of a Animal Lover মানুষকে কুকুর বেশি ভালোবাসে, নাকি বিড়াল?প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা-২ ‘বেওয়ারিশ’ প্রাণী এবং মানবিকতার নৈতিক দায়বোধ

কুকুর বা বিড়াল

মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তিনি মানুষকে এমন কিছু গুণ দিয়েছেন তা পশু-পাখি কিংবা অন্য কোনো সৃষ্টির মধ্যে নেই। এ ধরনের একটি গুণ হল- অপরের প্রতি দয়া বা অনুগ্রহ করা। মানুষ কেবল মানুষের প্রতি দয়া করবে এমনটি নয়, বরং পশুপাখির প্রতিও দয়া প্রদর্শন করতে হবে। ইসলাম ধর্মে এ ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সব সময় পশু-পাখির প্রতি দয়া প্রদর্শন করেছেন। অকারণে তাদের মেরে ফেলা, খাওয়ার জন্য ছাড়া হত্যা করা, তাদের উপর বেশি বোঝা চাপানো, নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্য কষ্ট দেয়াকে মহানবী নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহর অভিশাপ সেই ব্যক্তির উপর, যে অকারণে পশুর অঙ্গহানী ঘটায়।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো কারণ ছাড়াই কোনো পাখি হত্যা করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার হিসাব নেবেন।’

অকারণে পশু-পাখি হত্যা করতে ইসলামে যেমন নিষেধ করা হয়েছে তেমনি কোনো পশু রোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত চিকিত্সার বিষয়েও জোর দেয়া হয়েছে। রোগাক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে বলা হয়েছে। যাতে করে অন্য পশু রোগাক্রান্ত না হয়। এমনিভাবে ইসলাম পশু-পাখির সব অধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারে খুব গুরুত্বারোপ করেছে।

আরও পড়ুন:ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগের আগে নিজেকে ৩ প্রশ্ন করুন!

বন্ধুরা, আজকের আসরে আমরা পশু-পাখির প্রতি মানুষের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কেই কয়েকটা ঐতিহাসিক ঘটনা শোনাব। আর অনুষ্ঠান শেষে থাকবে একটি ইসলামী গান।

১.

একদিন বিকেলবেলা মহানবী (সা.) এক বনের ধার দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন বনের ধারে একটি তাঁবু। তাঁবুর সামনে গাছের সাথে একটি হরিণী বাঁধা। তিনি লক্ষ্য করলেন হরিণীটির চোখ দুটো ছলছল করছে। দুধের ভারে বাঁট দু'টি পরিপূর্ণ হয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন, নিশ্চয়ই হরিণীটির দুগ্ধপোষ্য বাচ্চা রয়েছে। হরিণীটি হয়তো সকালে ধরা পড়েছে। তাই বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে পারেনি। তিনি শিকারিদের ডেকে বললেন,‘তোমরা হরিণীটিকে ছেড়ে দাও। কারণ মায়ের দুধ না পেয়ে কয়েকটি কচি বাচ্চা হয়তো প্রাণ হারাবে।'

শিকারীরা ছিল ইহুদী। বনের পশুদের প্রতি রসূল (সা.) দরদ দেখে তারা হরিণীটিকে ছেড়ে দিল এবং রসূল (সা.)-এর হাতে কালেমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেল।'

২.

আরেক দিনের ঘটনা। একটি বালক পাখির বাসা থেকে দু'টি পাখির ছানা নিয়ে যাচ্ছিল। মা পাখিটা ছানার শোকে পাগলপ্রায় হয়ে বালকটির মাথার উপর উড়াউড়ি করতে লাগল। এইদৃশ্য দেখে রাসূল (সা.) বালকটিকে বললেন, ‘ছানা দু'টি বাসায় রেখে এসো। দেখছ না, মা পাখিটি কেমন অস্থির হয়ে তোমার মাথার ওপর ওড়াউড়ি করছে!’ রাসূল (সা.)-এর কথা শুনে বালকটি ছানা দু'টিকে বাসায় রেখে এল। ছানা দু'টিকে পেয়ে মা পাখিটি আদর সোহাগ করতে লাগল। এ দৃশ্য দেখে রাসূল (সা.) এর আনন্দের আর সীমা রইল না।'

৩.

হাদিসে এসেছে, একদা এক ব্যক্তি হাঁটতে হাঁটতে পিপাসার্ত হয়ে গেল। এরপর লোকটি একটি কূপে নেমে পানি পান করে এসে দেল একটা কুকুরকে পিপাসায় কাতরাচ্ছে আর তৃষ্ণা মেটানোর জন্য ভিজা মাটি খাচ্ছে। এ দৃশ্য দেখে লোকটি মনে মনে বলল: কুকুরটির নিশ্চয়ই আমার মতোই পিপাসা লেগেছে। এরপর তিনি আবারও কূপে নেমে জুতায় পানি ভরে উপরে এসে কুকুরটিকে পানি পান করালেন। কুকুরের প্রতি তার দয়া দেখে আল্লাহ তার ওপর খুশি হয়ে তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সাহাবিরা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, পশুর মধ্যেও কি আমাদের কোনো পুণ্য আছে? নবী (সা.) বললেন, প্রত্যেক প্রাণের মধ্যেই প্রতিদান রয়েছে।’

৪.

বন্ধুরা, এবার আমরা এক গোলামের পশুপ্রেমের কাহিনী শোনাবো। বন্ধুরা তোমরা নিশ্চয়ই বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাফরের নাম শুনেছো! তিনি ছিলেন, হযরত জাফর ইবনে আবু তালিবের ছেলে এবং আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.)-এর জামাতা। আব্দুল্লাহ ইবনে জাফরের সাথে হযরত আলীর কন্যা যেইনাব (সা.আ.)'র বিয়ে হয়। সে যাই হোক, হযরত আব্দুল্লাহ একবার কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একটি বাগান দেখে বিশ্রাম নেয়ার জন্য তিনি থেকে গেলেন। সেই বাগানে একজন হাবশী গোলাম কাজ করছিলো। এ সময় গোলামটির জন্য এক লোক খাবার নিয়ে এলো। সেখানে ছিল মাত্র তিনটি রুটি। যে লোকটি খাবার নিয়ে এলো তার পিছু পিছু একটি কুকুরও এলো। গোলাম খাবার হাতে নিয়ে সেখান থেকে একটি রুটি কুকুরকে দিল। সাথে সাথে কুকুর রুটিটি খেয়ে ফেলল এবং আরো রুটি পাওয়ার আশায় তাকিয়ে থাকল। এবার ওই হাবশী গোলাম আরো একটি রুটি কুকুরটির সামনে ছুড়ে দিলো। এবারও কুকুর রুটিটি খেয়ে ফেলল এবং রুটির পাত্রের দিকে তাকিয়ে রইলো। কুকুরকে তাকিয়ে থাকতে দেখে গোলাম তার সর্বশেষ রুটিটিও কুকুরকে দিয়ে দিল।

আরও পড়ুন:Real Health World


কুকুরকে তিনটি রুটিই দিয়ে দেয়ার ঘটনাটি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর খুব মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করছিলেন। সবগুলো রুটি কুকুরকে দেয়ার পর হযরত আব্দুল্লাহ গোলামকে জিজ্ঞেস করলেন, প্রতিদিন খাওয়ার জন্য তোমার জন্য কয়টি রুটি আসে? গোলাম জবাব দিল, মনিবের বাড়ী থেকে আমার জন্য প্রতিদিন তিনটি রুটি পাঠানো হয়। ওই তিনটি রুটি দিয়েই আমি সারাদিন পার করি। এরপর হযরত আব্দুল্লাহ বললেন, তাহলে তুমি সবগুলো রুটি কুকুরকে দিয়ে দিলে কেন? গোলাম জবাব দিল, আমাদের এ এলাকায় কোনো কুকুর নাই। আমার মনে হয়, ক্ষুধার্ত এ কুকুরটি দূরের কোন এলাকা থেকে এসেছে। তার আসতে নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হয়েছে। ক্ষুধার্ত কুকুরটিতে না খাইয়ে আমি নিজে স্বার্থপরের মতো রুটিগুলো খাবো-এটা আমার ভাল লাগেনি। তাই আমি তাকে সবগুলো রুটি দিয়ে দিয়েছি। এবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর জিজ্ঞেস করলেন, আজ সারাদিন তুমি কি খাবে? গোলাম জবাব দিলো, একদিন না খেলে তেমন কোনো কষ্ট হবে না। তাছাড়া কুকুরটির ক্ষুধা দূর করতে পেরে আমার ভালোই লাগছে।

গোলামের এ জবাব শুনে হযরত আব্দুল্লাহ মনে মনে ভাবলেন, লোকেরা আমাকে বড় দানশীল মনে করে থাকে অথচ এ গোলাম দেখছি আমার চেয়েও বড় দানশীল! এরপর তিনি সেখান থেকে শহরে চলে গেলেন। শহরে গিয়ে তিনি বাগানটির মালিকের সাথে দেখা করলেন এবং বাগান ও গোলামকে কিনে নিলেন। এরপর গোলামটিকে আযাদ করে দিলেন এবং বাগানটি গোলামকে দান করে দিলেন। এই ছিল জীব প্রেমী এক গোলামের প্রতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.)এর বদান্যতা।

বন্ধুরা, পশু-পাখির প্রতি দয়া সম্পর্কে কয়েকটি ঘটনা শুনলে। পশু-পাখি কিন্তু আমাদের অনেক উপকারও করে। এই ধরো, আমরা সকাল বেলায় পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে ঘুম থেকে জাগি। তারপর নামায পড়ে মহান আল্লাহকে স্মরণ করি।#

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

 পশুর প্রতি ভালোবাসা উক্তি, জলাতঙ্ক টিকার মেয়াদ কতদিন, বিড়ালের জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ, রেবিস ভ্যাকসিন ডোজ, কুকুরের কামড়ের ইনজেকশন, কুকুর মানুষকে রুবেলা ভাইরাস কোন রোগ সৃষ্টি করে, কোন কোন প্রাণী কামড়ালে জলাতঙ্ক হয়,পশু-পাখির প্রতি দয়ার গুরুত্ব

Latest

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি

Featured Post

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! জেনে নিন বিস্তারিত-

গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...

jk