Adsterra

a-ads

pop

Saturday, February 1, 2020

লিভারের যেকোনো রোগ সারাবে তেঁতুল


অনেকেই ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। লিভারে চর্বি জমে মূলত এমন সমস্যা দেখা দেয়। ওষুধ খেয়ে অনেকেই এই রোগ সারার কথা ভাবেন। তবে আপনারা কি জানেন, প্রাকৃতিকভাবেও যে লিভার পরিষ্কার করা সম্ভব। এজন্য দরকার স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলা। যার সমাধান রয়েছে তেঁতুলে।

যেকোনো ধরণের লিভারের সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে তেঁতুল। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর সব পদার্থ বের করে দেয়। সেইসঙ্গে হজম প্রক্রিয়াও তরান্বিত করে। তেঁতুল লিভার সুরক্ষায় বেশ কার্যকর। এটি খারাপ কোলেস্টেরল ধ্বংস করে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

লিভার সুস্থ রাখতে তেঁতুল যেভাবে ব্যবহার করবেন:-

দুই মুঠো খোসা ছাড়ানো পাকা তেঁতুল নিন, সঙ্গে এক লিটার পানি ও মধু। একটি ব্লেন্ডারে তেঁতুল ও পানি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেড করুন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় সারাদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই পানীয় পান করতে হবে।

এবার জেনে নিন কেন আপনি এই তেঁতুল পানীয় প্রতিদিন পান করবেন?

১. তেঁতুলে থাকা ল্যাক্সেটিভ উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর।

২. এই পানীয় শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করতে সক্ষম। এজন্য লিভারে জমা ফ্যাট গলে যায়। এতে করে আপনার লিভারের বয়স ২০ বছরের মতোই তরুণ থাকবে।

৩. কোলন ক্যান্সারের সমস্যায় অনেকই ভুগে থাকেন। জানেন কি? তেঁতুলের এই পানীয় আপনার কোলনকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।

৪. উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে তেঁতুলে। এটি আপনার ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে।

৫. হৃদরোগের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করবে তেঁতুলের এই পানীয়। কারণ এতে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ খারাপ কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে ধ্বংস করে।

বিয়ের সবচেয়ে উপযুক্ত বয়স কত


বিয়ে হলো একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি। যার মাধ্যমে দুইজন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়।বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণভাবে বিবাহ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে দুইজন মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও যৌন সম্পর্ক সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে। কিছু সংস্কৃতিতে, যে কোনো প্রকারের যৌন কর্মকাণ্ডে প্রবৃত্ত হওয়ার পূর্বে বিবাহ সম্পন্ন করাকে বাধ্যতামূলক হিসেবে পরামর্শ দেয়া হওয়া অথবা বিবেচনা করা হয়।

বিশদ বিবৃত সংজ্ঞার ভাষায় বলতে গেলে, বিয়ে হলো একটি বৈশ্বিক সার্বজনীন সংস্কৃতি। বিয়ে সাধারণত কোনো রাষ্ট্র, কোনো সংস্থা, কোনো ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ, কোনো আদিবাসী গোষ্ঠী, কোনো স্থানীয় সম্প্রদায় অথবা দলগত ব্যক্তিবর্গের দ্বারা স্বীকৃত হতে পারে। একে প্রায়শই একটি চুক্তি হিসেবে দেখা হয়। সাধারণত আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় অথবা ধর্মনিরপেক্ষ আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

বিয়ের বয়স: বিয়ের জন্য সেরা বয়স কত? তা নিয়ে আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। অনেকেরই ধারণা শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকলেই বিয়ে করা যায়।এখানে বয়স লাগে না। তবে গবেষরকা বলছেন ভিন্ন কথা। বিয়ের সঠিক বয়সটি জেনে নিয়ে সে বয়সে বিয়ে করার গুরুত্ব সম্প্রতি তুলে ধরেছেন গবেষকরা। জেনে নিন সেই বয়সটা কত? অনেকেরই ধারণা ২০ বছর বা তার আশপাশের বয়সে বিয়ে করাই ভালো।

অনেকের আবার ধারণা বেশি বয়সে বিয়ে করাই সবচেয়ে ভালো। এক্ষেত্রে গবেষকরা সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন এ গবেষণায়। এতে উঠে এসেছে বিয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো বয়স হলো ২৬ বছর।

কেন ২৬ বছর? সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন বিয়ের জন্য সেরা বয়স হলো ২৬ বছর। কিন্তু কেন? এ বিষয়টি নির্ণয়ের জন্য একটি বিশেষ সূত্রের ব্যবহার করেছেন গবেষকরা। এতে উঠে এসেছে ৩৭ শতাংশের কথা।

গবেষকরা বলছেন, ধরুন একজন মানুষ ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে করতে পারেন। এক্ষেত্রে তার বিয়ের জীবনের (২২ বছরের) ৩৭ শতাংশ যখন পার হয় তখনই এ সময়ের তুঙ্গে থাকে বিয়ের উপযুক্ত বয়স।

গবেষকরা বলছেন, একটি চাকরি খোঁজা, সম্পত্তি ক্রয় করা কিংবা সঙ্গী বাছাই করা সব ক্ষেত্রেই ৩৭ শতাংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এক্ষেত্রে হিসাবমতো ২৬ বছরটিই হচ্ছে সে বয়সটি।

যে ১২টি কাজ করলে আপনিও ধনী!


ধনী হতে কে না চায়। চাকরি বা ব্যবসা যে পেশায়ই মানুষ থাকুক না কেন ধনী হওয়ার বাসনা সবারই। কিন্তু সবার পক্ষে ধনী হওয়া সম্ভব নয়।

বর্তমান বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমান সম্পদের মালিক মাত্র দুই হাজার মানুষ।যাদের শীর্ষ ধনী বলা হচ্ছে। তারা যা সম্পদ তা ভারতের বাজেটের চেয়ে বেশি। ১০০ কোটি গরিবের যে সম্পদ রয়েছে তারচেয়ে চারগুণ বেশি সম্পদের মালিক এই দুই হাজার ব্যক্তি।

তবে এমন ধনী হওয়ার আশা আমরা যদি নাও করি তবুও তুলনামূলক বেশি সম্পদের মালিক হতে চাই। তবে সম্পদের মালিক হতে গেলে জীবনের অনেক অভ্যাস বদলে ফেলতে হবে। আসুন জেনে নেই যেসব কাজ ঠিকঠাক করতে পারলে বা অনুসরণ করলে বুঝতে হবে সম্পদ ধরা দেবে :

১. স্বপ্নকে অনুসরণ যারা ভালো কিছু করার চেষ্টা করেন তার জীবনের স্বপ্ন পূরণের জন্য কাজ করেন। তারা স্বপ্নকে অনুসরণ করে জীবন পরিচালিত করেন। ফলে স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।

২. প্রতিদিন শেখা সফল মানুষরা প্রতিদিনই নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন। ৮৮ ভাগ ধনী লোক প্রতিদিন ৩০ মিনিট বা তারও বেশি সময় কঠোরভাবে জানতে এবং নিজেকে শিক্ষিত করতে ব্যয় করেন।

৩. চিন্তা নিয়ন্ত্রণ আপনি বড় চিন্তা করতে পারেন। আপনার একটি বড় কল্পনা শক্তি আছে। আপনি যা কিছু করছেন তার মালিক আপনিই। ৯১ ভাগ ধনী ব্যক্তি নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।

৪. দায়িত্বশীলতা দায়িত্বজ্ঞান থেকে আপনি লজ্জা পান না। বস্তুত আপনি সুযোগ খোঁজেন, যা আপনাকে আরো দায়িত্ববান করে।

৫. ঝুঁকি গ্রহণ আপনি সতর্ক এবং ঝুঁকি নিতে বেপরোয়া নন। সতর্ক ঝুঁকি গ্রহণকারী তাদের বাড়ির কাজ করেন, নতুন ধারণা এবং উদ্যোগ তাদের একটি ব্যবসার মধ্যে চালু করার আগে ঝুঁকি নিতে তারা দক্ষতা এবং জ্ঞানকে কাজে লাগান।

৬. পদক্ষেপ নেন আপনি কোনো পদক্ষেপ নিতে ভীত নন। সফলতার জন্য আপনাকে পদক্ষেপ নিতে হবে। বসে থাকলে বা শুধু চিন্তা করলে কখনোই সফল হওয়া যাবে না।

৭. ব্যর্থতা জয় করা একবার ব্যর্থ হলে থেমে যাওয়ার উপায় নেই। ব্যর্থতাকে আপনি অভিজ্ঞতা অর্জন ছাড়া অন্য কিছু হিসেবেই দেখছেন না। তাহলে বুঝবেন ধনী হওয়া যাবে।

৮. আউটওয়ার্ক করা ধনী ব্যক্তিরা দিন, সপ্তাহ, মাস এবং বছরব্যাপী কাজ করতে ভীত নন। ধনী ব্যক্তিরা সপ্তাহে গড়ে ১১ ঘণ্টা বেশি কাজ করেন ধনহীনদের তুলনায়।

৯. দৃঢ়সংকল্প লক্ষ্য পূরণের জন্য ক্রমাগত দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হতে হবে এবং লক্ষ্যের পেছনে ছুটেন জীবনে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিতে। ধনীদের ৮০ ভাগই লক্ষ্য কেন্দ্রীক। তারা লক্ষ্য অর্জনে অভ্যস্ত হতে অভ্যাস গড়ে তোলেন।

১০. প্রত্যাশাকে অতিক্রম প্রত্যাশাকে অতিক্রম করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্যদের প্রত্যশাকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। তাহলে ধনী হওয়া যাবে।

১১. সম্পর্কে অন্ধবিশ্বাসী আপনি যদি অন্যের জন্মদিনে ফোন করে বা এমনিতে ফোন করে অন্যের খোঁজ খবর নেন তাহলে আপনার যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। আপনার মূল্যবান সম্পর্ক আপনার জন্য নানা দ্বার খুলে দেবে। সম্পর্ক আপনার কাছে মুদ্রার মতো।

১২. অন্যকে প্রাধান্য লোকজন আপনাকে পছন্দ করে। তারা আপনার সঙ্গে কাজ করতে এবং ব্যবসা করতে পছন্দ করে। আপনি লোকদের প্রফুল্ল হতে, সুখী, উৎসাহী এবং আশাবাদী করে তোলেন।

যে পাঁচ নারীর প্রেমে পড়া যাবে না


কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গিন্নির চেয়ে শালী ভালো।’ সমরেশ মজুমদার বলেছেন, ‘ছেলেরা ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে যে কখন সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে তারা তা নিজেও জানেনা…মেয়েরা সত্যিকার ভালোবাসতে বাসতে যে কখন অভিনয় শুরু করে তারা তা নিজেও জানেনা।’

প্রেমের রঙিন কাচে পুরো জগতটাই যেন রঙিন হয়ে ওঠে। তবে ছেলেদের ক্ষেত্রে নারীর প্রেমে পড়ার সময়ে একটু সাবধান তো হতেই হয়। না হলে ভবিষ্যতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়।

জেনে নিন প্রেমের ক্ষেত্রে কোন পাঁচ ধরনের নারী থেকে দূরে থাকবেন:-

নারীবাদ জিন্দাবাদ: এ ধরনের নারীরা মনে করেন, সমাজে যা কিছু খারাপ হচ্ছে বা আগামী দিনে হতে চলেছে তার সবই পুরুষদের জন্য হয়েছে এবং হবে। শুধু তাই নয়, সব ব্যাপারে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবণতা তো আছেই। কিছু নারী মনে করেন, এমন কোনো কাজ নেই যা তারা পুরুষদের থেকে ভালো করতে পারেন না।

সবচেয়ে বড় টাকা: ব্র্যান্ডের পোশাক, হিরের আংটি কোনো কিছু চাইতেই কোনো কুণ্ঠা নেই আপনার প্রেমিকার? যদি এমন হয় তাহলে সময় নিন, একটু ভেবে দেখুন। এত চাহিদা পরবর্তী সময়েও সামলাতে পারবেন তো।

রাগ যখন অস্ত্র: সামান্য কোনো বিষয়েও আপনার প্রেমিকা রেগে আগুন। কথায় কথায় মার মার অবস্থা। সারা জীবন এমন কারও সঙ্গে কাটাতে পারবেন কি না আরেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিন।

ব্রেকাপের পর সর্ম্পক: ব্রেক আপ হয়েছে মাত্র কদিন। আর সেই ফাঁকা জায়গাতেই আপনার প্রবেশ। নিজেদের মধ্যে কথা কম হয়, বরং সাবেককে নিয়ে শুনতে হয় বেশি কথা। তাহলে অবশ্যই একটু ভেবে দেখুন।

বিয়ে পাগল: সম্পর্ক শুধু কফি শপ থেকে এগিয়ে সিনেমা পর্যন্ত গিয়েছে। এর মধ্যে বাড়ির লোকের সঙ্গে আলাপ করার আবদার। এমনকি কেনাকাটায়ও শুধু বিয়ের শাড়ির দিকে নজর। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় সুযোগ পেলেই বিয়ে করার কথা যদি বলে তাহলে এমন প্রেমিকার সঙ্গে কত দূর যাবেন ভেবে দেখুন।

অকালে চুল পাকা রোধ করতে ৫ খাবার



চুল কি কেবল বয়সের কারণেই পাকে? না, চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যাওয়ার অন্তরালে রয়েছে আরও অনেক কারণ। অনেককেই দেখবেন অল্প বয়সেই চুল ধূসর হয়ে গিয়েছে, আবার অনেকের বয়স হওয়া সত্ত্বেও চুলে পাক ধরেনি মোটেই। এটা কেন হয়? এর পেছনে জিনগত কারণ তো আছেই, আবার আছে জীব্নযাপন ও খাবারের ভূমিকাও।

জেনে নিন এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো চুল পাকার গতিকে করবে মন্থর, অকালে চুল পাকতে দেবে না এবং ধরে রাখবে আপনার যৌবন। চুল পাকা নিয়ে ৫টি খাবারের কথা।


১. ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যুক্ত মাছ মাছে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন আছে যা আপনার হাড়, চুল, ত্বক সবকিছুর জন্যই জরুরী। এছাড়াও সামুদ্রিক মাছগুলোতে আছে উচ্চ মাত্রার ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ও সেলেনিয়াম, যা শরীরে পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। সাথে অ্যান্টি অক্সিডেনট তো আছেই।

২. বেরি জাতীয় ফল নানান রকম বেরি জাতীয় ফলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেনট। দেশি হোক বা বিদেশি, খাদ্য তালিকায় রাখুন প্রতিদিন বেরি জাতীয় ফল। এই দুটি উপাদানই স্বাস্থ্যকর ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত জরুরী। এরা কোলাজেনের উৎপাদন বাড়ায় ও অতিরিক্ত ফ্রি র‍্যাডিকালকে নিস্ক্রিয় করার মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীর করে তথা আপনার যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করে।


৩. সবুজ শাকসবজি সকলেই জানেন যে সবুজ শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টি অক্সিডেনট ও ডায়েটারি ফাইবার। একই সাথে আছে ভিটামিন বি যা মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। চুলের যে কোন সমস্যা প্রতিরোধ করে ভিটামিন বি। হ্যাঁ, চুল সাদা হয়ে যাওয়াকেও।

৪. কাঠবাদাম কাঠবাদামে আছে প্রচুর কপার যা মেলানিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। এছাড়া আছে প্রচুর ভিটামিন ই যা সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য খুবই জরুরী।

৫. চকলেট চিনি বিহীন কিংবা স্বল্প চিনিযুক্ত চকলেটে আছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা মেলানিন তৈরিতে সহায়ক। এই মেলানিনই আমাদের চুলের রঙ কালো করার ভূমিকা পালন করে। দৈনিক একটুখানি চকলেট খেলে ক্ষতি নেই কিছুই।

Thursday, April 4, 2019

চোখের রোগ ও সমস্যা এবং প্রতিকার



চোখের রোগ ও সমস্যা এবং প্রতিকার ছানিপড়া দৃষ্টি শক্তি সমস্যা নেত্রনালী প্রদাহঃ কর্ণিয়ার আলসার বা চোখের ঘাঃ গ্লুকোমাঃ ইউভিয়াইটিসঃ চোখ টেরাঃ চক্ষুগোলকের বাইরের রোগ

চোখের রোগ ও সমস্যা এবং প্রতিকার




চোখ একটি স্পর্শকাতর সংবেদনশীল অঙ্গ, যার সাহায্য আমার এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পাই, তার রূপ উপভোগ করি। চোখে দেখতে না পাওয়া মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় বাংলাদেশে প্রায় ১৮ লক্ষ লোক অন্ধ যার প্রধান কারণগুরি নিম্নে বর্ণিত হলোঃ ছানিপড়া চোখের কর্ণিয়া ও আইরিসের পিছনে অবস্থিত স্বচ্ছ লেন্স বার্ধক্য জনিত কারণে এবং অন্যান্য কারণে অস্বচ্ছ হয়। এই স্বচ্ছ লেন্স অস্বচ্ছ হওয়াকেই ছানিপাড়া রোগ বলে। যে সমস্ত কারণে চোখে ছানি পড়ে তা হলো- ১। বয়স জনিত কারণে ২। আঘাত জতি কারণে ৩। ডায়াবেটিস রোগের কারণে ৪। ইউভিআইটিস (রোগের কারণে ৫। অনিয়ন্ত্রিত ষ্টেরয়েড ব্যবহারের কারণে ধীরে ধীরে দৃষ্টি ক্ষমতা লোপ পাওয়া, চশমার পাওয়ার পরিবর্তন হওয়া , আলোর চাদিকে রংধনু দেখা, একটি জিনিসকে দুই বা ততোধিক দেখা, দৃষ্টি সীমানায় কালোদ দাগ দেখা, আলোতে চোখ হয়ে আসা ইত্যাদি ছানি রোগের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়াও পুরোনো ছানি পেকে চোখে ব্যথা হতে পারে। শিমুদেও ক্ষেত্রে ছানি রোগের কারণে চোখ টেরা হয়ে যেতে পারে। কোন ঔষধ সেবনে ছানি রোগের প্রতিকার হয় না। অপারেশনের মাধ্যমে ছানি রোগের চিকিৎসা করতে হয়। দৃষ্টি শক্তি সমস্যা (ক) প্রেসবাইওপিয়াঃ ইহা চোখের কোন রোগ নয়। চল্লিশ অথবা তদুর্ধ বসসে, বসস জনিত কারণে চোখের গঠন গত পরিবর্তন হয়। চোখের লেন্সের স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায়। ফলে কাছে দেখার জন্য লেন্সের আকার পরিবর্তনের ক্ষমতা কমে যায় এবং উক্ত বয়সে কাছে জিনিস ঝাপসা দেখায়। (খ) মায়োপিয়াঃ এ ধরনের রোগীরা কাছে মোটামোটি ভালো দেখতে পারলেও দূরে ঝাপসা দেখে, তাই এদের ক্ষীণদৃষ্টি বলা হয়। অবতল লেন্স বা মাইনাস পাওয়ারের চশমা পরলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। যাদের চোখের ছয় ডায়াপটারের বেশি মাইনাস পাওয়ারের লেন্স লাগে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের পাওয়ারও বাড়তে থাকে, তখান তাকে প্যাথজিক্যাল মায়োপিয়া বলা হয়। সে ক্ষেত্রে চোখের দেয়াল বা স্কে¬রা পাতলা হয়ে যায় এবং রেটিনায় ছিদ্র সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীকালে রেটিনা আলাদা হয়ে গিয়ে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। মায়োপিয়াতে চোখের আকার বড় হওয়ার কারণে চোখের দেয়াল পাতলা হয়ে যায়। সে জন্য সামান্য আঘাতেই চেখে অনেক মারাতœাক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং মাযোপিয়া রোগীদের সব সময় চোখের আঘাত থেকে সাবধান থাকতে হবে এবং নিয়মিতভাবে ডাক্তারের পরামর্শে চোখের পাওয়ার পরীক্ষা এবং রেটিনার পরীক্ষা করিয়ে নেয়া ভালো। (গ) অ্যাসটিগমেটিজমঃ এটি এক ধরনের দৃষ্টি স্বল্পতা, যাতে রোগীর কর্ণিয়ার যেকোনো এক দিকে (লম্বা দিকে, প্রস্থে অথবা কোণাকুণি) পাওয়ার পরবর্তন হয় বলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, এর কারনে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা একটি জিনিসকে দু’টি দেখা এবং মাথাব্যথা হতে পারে। সিলিন্ডার লেন্স ব্যবহারে এ সমস্যার সমাধান হয়। নেত্রনালী প্রদাহঃ আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এটা বেশ সাধারণ রোগ। এতে সব সময় চোখ থেকে পানি পড়ে এবং চোকের কোণায় চাপ দিলে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়। বারবার নালী বন্ধ হয়ে চোখের পানি যেখানে জমা থাকে তা ফুলে যায় এবং জীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। এন্টিবায়োটিক সেবনে এ রোগ সাময়িকভাবে ভালো হলেও বারবার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সেক্ষেত্রে ডিসিআর (উঈজ) অপারেশনের মাধমে নেত্রনালীর সাথে অন্য আর একটি পথে নাকের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। এতে রোগীর পানি পড়া বন্ধ হয়। এটি খুবই ছোঁয়াচে রোগ, যাতে চোখে অনেক পিচুটি জমে, চোখ লাল হয় এবং ফুলে ওঠে। একজন থেকে আশপাশের সবার মাঝে ছড়াতে পারে। এটি ভাইরাসজনিত রোগ যাতে পরবর্তী ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। রোদে সানগ্লাস ব্যবহার করা, ডাক্তারের পরামর্শ মতো ঘনঘন এন্টিবায়োটিক ড্র্রপ দেয়া এবং চোখের পরিচর্যা করলে এ রোগ দীর্ঘায়িত হয় না। মনে রাখতে হবে, এই রোগের সাথে মাঝেমাঝে চোখের কর্ণিয়া বা কালো রাজার প্রদাহ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ব্যথা-বেদনাও হতে পাওে, এমতাবস্থায় চক্ষু চিকিৎসকের নিয়মিত পরামর্শ ব্যতীত চোখে ড্রপ ব্যবহার করা উচিত নয়। কর্ণিয়ার আলসার বা চোখের ঘাঃ কৃষি প্রধান এই দেশে অন্ধত্বের অন্যতম কারণ চোখের ঘা বা কর্ণিয়ার আলসার হয় বিভিন্ন কারণে । আঘাত জনিত কারণ হলো প্রধান। সাধারণত ধান কাটার মৌসুমে ধানের ধারালো পাতা দিয়ে চোখের আঘাতের পর কর্ণিয়াতে ঘা হয়। এ ছাড়াও শিশুদের ক্ষেত্রে অপুষ্টিজনিত কারনে ভিটামিন “এ” এর অভাবে চোখের কালো রাজা প্রথমে শুকিয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে আলসার হয়ে যায়। আমাদের দেশে শিশুদের অন্ধত্বের অন্যতম কারন এটি। এছাড়াও কোনো কারণে চোখে জীবাণুর সরাসরি সংক্রমণেও আলসার বা ঘা হতে পারে। গ্লুকোমাঃ এটা চোখের এমন একটি রোগ, যাতে চোখের চাপ বেড়ে গিয়ে, পেছনের স্নায়ু অকার্যকর হয়ে ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি চলে যায়। গ্লুকোমা হলো বাংলাদেশ তথা পৃথিবীতে অনিবারণযোগ্য অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। যেকোনো বয়সে এ রোগ হতে পারে। জন্মের সময বেশ বড় চোখে এবং উচ্চ চক্ষুচাপ নিয়ে জন্মালে, একে কনজেনিটাল গ্লুকোমা বা জন্মাগত উচ্চ রক্তচাপ বলে। তরুণ বয়সেও হতে পারে, একে বলে জুভেনাইল গ্লুকোমা। বেশির ভাগ গ্লুকোমা রোগ ৪০ বছরের পর হয়। এদের প্রাথমিক গ্লুকোমা বলে। বেশি বয়সজনিত চোখের গঠনে পরিবর্তন, জন্মগত গঠনের ক্রটি, আঘাত, চোখ লাল হওয়া, ডায়াবেটিসজনিত চোখের রক্তহীনতা, অনিয়ন্ত্রিত স্টেরয়েড বা হরমোন থেরাপি, ছানি পেকে যাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্লুকোমা হতে পারে। বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসতে পারে। হঠাৎ করে এক চোখে প্রচন্ড ব্যথা হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, তার সাথে প্রচন্ড মাথা ব্যথা ও বমি বমি ভাব হতে পারে। আবার সব সময় হালকা চোখের এবং মাথা ব্যথার অনুভূতি (বিশেষ করে কম আলোতে) এবং আন্তে আস্তে দৃষ্টি শক্তি কমে যেতে পারে। অন্য দিকে ব্যথাবিহীন উভয় চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমে যাওয়া এবং চশমার পাওয়ার পরিবর্তন নিয়েও রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসে মাঝে মাঝে দুষ্টিসীমানার যেকোনো এক পাশে কালো হয়ে যাওয়া, ছানি পেকে চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি এ রোগের উপসর্গ হতে পারে। জন্মগত বড় চোখ, চোখ হতে পানি পড়া এবং আলোতে চোখ বন্ধ করে ফেলা জন্মগত গ্লুকোমার লক্ষণ হতে পারে। স্বাভাবিক চোখের চাপ(১০-২১) মি.মি. মার্কারি। অস্বাভাবিক চোখের চাপ থাকলে সমস্ত পরীক্ষার মাধ্যমে গ্লুকোমা শনাক্ত করে ত্বরিত চিকিৎসা বাঞ্চনীয়। ইউভিয়াইটিসঃ চোখের পুষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রক্তনালী পূর্ণ একটি স্তর বা লেয়ার আছে, যাকে ইউভিয়া বা ভাসকুলার কোট বলা হয়। এই ভাসকুলার কোটের প্রদাহকে ইউভাইটিস বলা হয়। চোখে আঘাত, জীবাণুর সংক্রমন, কানেকটিভ টিস্যু বা যোজককলার রোগ ইত্যাদি কারণে এ রোগ হতে পারে। চোখে ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে না যেতে পারা, মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে রোগের লক্ষন অনেক দেরিতে বোঝা যায় বলে রোগ জটিলরূপ ধারণ করে। কানেকটিভ টিস্যু রোগ, বাতরোগ, ফুসফুসের রোগ, কিডনিরোগ তথা যৌন রোগের সাথেও এ রোগের উপস্থাপন হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এ রোগের ফলে ছানি রোগ, চোখের উচ্চচাপ রোগ (গ্লুকোমা), রেটিনার রোগ ইত্যাদি কারণে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এই রোগে ত্বরিত চিকিৎসা প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ হোমাট্রপিন অথবা এট্রোপিন আইড্রপ যা দু-তিন বার ব্যবহার করে ব্যথা এবং প্রদাহ দু’টিই কমে। রোগের উপসর্গ এবং উপস্থাপনভেদে স্টেরয়েড এবং এন্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। অবশ্যই শরীরের অন্যান্য রোগের (যার সঙ্গে ইফভিয়াইটিস রোগের সম্পর্ক রয়েছে) চিকিৎসা করাতে হবে। প্রয়োজনে মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, ত্বরিত চিকিৎসায় এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়। এট্রোপিন আইড্রপ ব্যবহারের ফলে রোগী সাময়িক ঝাপসা দেখলেও পরবর্তীকালে ঔষধ বন্ধ করলে আবার ঠিক হয়ে যায়। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকে কোনো ঔষধ দেয়া বা বন্ধ করা যাবেনা এতে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে। চোখ টেরাঃ চোখের মাংসপেশি চোখকে একটি নির্দিষ্ট দিকে অবস্থন করতে সাহায্য করে। মাংসপেশির সহায়তায় আমরা চোখকে এদিক সেদিক নাড়াতে পারি। কোনো কারণে কোনো মাংসপেশি দুর্বল হয়ে গেলে উল্টো দিকে বেঁকে যায়। একে টেরা চোখ বলে। মাংসপেশির রোগ, স্নায়ুরোগ, আঘাত ইত্যাদি কারণে চোখ টেরা হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে দৃষ্টিস্বল্পতার জন্য চোখ টেরা হতে পারে আবার টেরা হওয়ার জন্য দৃষ্টি স্বল্পতা এবং অলস চোখ(অসনষুড়ঢ়রধ) হযে যেতে পারে। একটি জিনিসকে দু’টি দেখা, দৃষ্টিস্বল্পতা, মাথা ব্যথা ইত্যাদি টেরা চোখের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। প্রাথমিকভাবে মাঝে মাঝে চোখ টেরা হলেও আস্তে আস্তে তা স্থায়ী রূপ নেয়। চিকিৎসার ক্ষেত্রে টেরা চোখের কারণ ও ধরন বের করা জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে দৃষ্টি ত্বরিত চিকিৎসা জরুরি। চশমা দিযে দৃষ্টিস্বল্পতা দুর করে শিশুদের অনেক টেরা চোখ সোজা করা যায়। কিছু চোখের ব্যয়ামের ম্যধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় টেরা চোখের চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে। দৃষ্টিকটু বিধায় বাঁকা চোখের স্থায়ী চিকিৎসা হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে অপারেশনকে বেছে নেয়া হয়। চোখের ক্যান্সার যেমন রেটিনেব্লাসটোমার প্রাথমিক অবস্থায় শিশুদের চোখ টেরা হয়ে যেতে পারে। টেরা চোখের রোগীদের নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ ও চোখের পরীক্ষা করিয়ে নেয়া ভালো। চক্ষুগোলকের বাইরের রোগ (ক) ব্লফারাইটিসঃ এটি হলো আইলিড বা চোখের পাপড়িতে অবস্থিত চুলের চুলকানি,. আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসা, চোখে জালাপোড়া করা ইত্যাদিও অনুভূতি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শে চোখের নিয়মিত পরিচর্যা (যেমন- মাথার খুশকিও চোখের চুলের গোড়া পরিষ্কার করা) ও ঔষধ সেবনে এ রোগের বার বার আক্রমণ রোধ করা সম্ভব। (খ) টোসিসঃ এটি হলো চোখের মাংসপেশির রোগ। এতে চোখে পাতা নিচে নেমে যায়। আঘাত, স্নায়ু দুর্বলতা,বার্ধক্যজনিত কারণে এ রোগ হতে পারে। সমস্যা খুব বেশি হলে অপারেশনের মাধ্যমে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চিকিৎসা সম্ভব। (গ) চেখের অঞ্জলি ঃ এটি চোখের চুলের গোড়ায় অবস্থিত জিস বা মোল গ্রস্থির প্রদাহ। এতে প্রন্থির নিঃসরণ জমে ইনফেশন হয়ে ফুলে ওঠে। এতে প্রচন্ড ব্যথা হয়ে চোখের লিড ও চুলের গোড়া ফুলে যায়। ডাক্তারের পরামর্শে গরম সেক ও ঔষধ ব্যবহারে এ রোগ ভালো হয়। বার বারযাদের অঞ্জলি হয় তাদের ডায়াবেটিসের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। (ঘ) মেওয়াঃ চোখের পাতার ভিতর ব্যথাবিহীন টিউমারের মতো ফুলে যায়। এটি চোখের পাতার ভিতর অবস্থিত মিবোমিয়ান গ্রন্থির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ। অপারেশনের মাধ্যমে এর চিকিঃসা করা যায়। বারবার মেওয়া দৃষ্টি স্বল্পতার কারণেও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দৃষ্টি পরীক্ষা এবং স্বল্পতা থাকলে চশমা দেয়া যেতে পারে।




চোখের মারাত্মক এই ৯টি লক্ষণ আপনার নেই তো? ১০ নভেম্বর, ২০১৪ ২০:৫৯:২৭ শরীরের নানা সমস্যা চোখেও প্রতিফলিত হয়। চিকিৎসকরা এ কারণে চোখ দেখেই বহু রোগের লক্ষণ নির্ণয় করতে পারেন। এ লেখায় দেওয়া হলো ৯টি লক্ষণ। আপনার চোখে যদি এর কোনো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দেরি করবেন না। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ১. চোখে ছোট লাল দাগ চোখের সাদা অংশে যদি বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে লাল দাগ তৈরি হয় তাহলে তা অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এটি হতে পারে সিডিসির একটি লক্ষণ, যা প্রচুর মানুষের হয়ে থাকে। যদি রক্তের চিনির মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যায় তাহলে এটি হতে পারে। ২. রক্ত জমাট বাধা চোখে বিভিন্ন সমস্যার কারণে কিছুটা বড় আকারে রক্ত জমাট বাধার মতো চিহ্ন দেখা যায়। এটি হতে পারে মারাত্মক কাশি থেকে শুরু করে ফাংগাস সংক্রমণের কারণেও। ৩. চোখে চুলকানি অ্যালার্জি থাকলে প্রায়ই তা চোখে চুলকানির সৃষ্টি করে। এতে চোখ ফুলে যেতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে তা লাল হয়েও যেতে পারে। ধূলাবালি কিংবা অ্যালার্জির প্রতি সংবেদনশীল কোনো খাবার খেলে এটি হতে পারে। এতে অনেকের চোখ শুকিয়ে যায়, যা সমস্যা মারাত্মক করে তোলে। ৪. শুষ্ক চোখ নানা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চোখের শুষ্কতা আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ঘুমের ওষুধ, ব্যথার ওষুধ কিংবা উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকার ওষুধ সেবনে। তবে চোখের কিছু রোগের কারণেও আর্দ্রতা তৈরিকারি গ্ল্যান্ডটি অকার্যকর হয়ে এমনটা হতে পারে। ৫. কাছের জিনিস দেখতে সমস্যা অনেক মানুষই বয়স হলে এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তবে তা ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিলে একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে দীর্ঘদিন আটকে রাখা যায়। কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও এ সমস্যা হতে পারে। ৬. ঝাপসা দৃষ্টি চোখের নানা সমস্যার কারণে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের এ সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৭. হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখা রেটিনার মারাত্মক সমস্যার একটি লক্ষণ হতে পারে এটি। যদি এ সমস্যার সঙ্গে চোখে ছায়া দেখা যায় তাহলে তা রেটিনা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যায় অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ৮. চোখে ব্যথা চোখের সামান্যতম ব্যথার মতো সমস্যাতেও চিকিৎসক দেখিয়ে নেওয়া ভালো। কারণ চোখের ডাক্তাররা বিভিন্ন লক্ষণ দেখে আগেভাগেই কয়েক ধরনের ক্যান্সার নির্ণয় করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্রেন টিউমারও। আপনি আয়নায় দেখে কোনোভাবেই এ লক্ষণগুলো বুঝতে পারবেন না। ৯. সাদা বৃত্ত চোখের চারপাশে যদি সাদা বা হলদেটে বৃত্ত দেখা যায় তাহলে তা কোলেস্টরেলের একটি লক্ষণ। এমনটা দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।







চোখ একটি স্পর্শকাতর সংবেদনশীল অঙ্গ, যার সাহায্য আমার এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পাই, তার রূপ উপভোগ করি। তাই চোখ অনেক মূল্যবান সম্পদ। এই মূল্যবান সম্পদের রক্ষাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের সকলের। সময় থাকতে চোখের চিকিৎসা না করলে কত ক্ষতি হতে পারে তা আমরা কখনও চিন্তাও করিনা। একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) ‘দি ডক্টরস্’ অনুষ্ঠানে আজকের আলোচনার বিষয় ‘চোখের বিভিন্ন সমস্যা ও তার প্রতিকার’। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন- ডা. হারুন-উর-রশিদ (প্রথিতযশা চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, প্রখ্যাত ল্যাসিক, ফ্যাকো ও গ্লোকমা বিশেষজ্ঞ, ঢাকা আই কেয়ার হাসপাতাল)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন- ডা. নন্দিনী সরকার। অনুষ্ঠানটি শুনে লিখিত রুপে সাজিয়েছেন- সোহাগ আশরাফ প্রশ্ন : শিশুরা অনেক সময়ই চশমা পড়তে চায় না। অবহেলা করে। শিশুদের ক্ষেত্রে যাদের পাওয়ারে সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চশমা পড়া কতটা জরুরী? উত্তর : আসলে বড়দের কিন্তু চশমা পড়া অতি জরুরী নয়। বড়রা চশমা না পড়লে তার হয়তো কোন লেখা পড়তে অসুবিধা হবে। তিনি ঝাপসা দেখবেন। কখনও চোখ ব্যাথা হতে পারে। মাথা ব্যাথাও হতে পারে। কিন্তু শিশুদের বিষয়টা পুরোপুরি ভিন্ন। ধরুন একটি শিশু অভাব, অনটন বা অবহেলার কারণে বড় বা লম্বা হলো না। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির পর যদি অনেক পুষ্টিকর খাবার খাওনো হয় সে কি আর লম্বা হবে? হবে না। ঠিক তেমনি ভাবে ধরুন একটি শিশুর ৫ বছর বয়সে চোখের সমস্যা ছিলো। তখন তার একটি চশমা প্রয়োজন। কিন্তু সেটা যদি না দেওয়া হয় বা না ব্যবহার করা হয় তবে তার সেই ঝাপসা দৃষ্টি সারাজীবনের জন্য ঝাপসাই থেকে যেতে পারে। যেটাকে আমরা লেজি আই বা অলস চোখ বলি। প্রশ্ন : অলস চোখ সম্পর্কে কিছু বলুন! উত্তর : শিশুদের অলস চোখ চশমা দিয়ে সমাধান করা যায়। যেমন ধরুন কোন একটি শিশুর চোখ বেকে আছে। তার ক্ষেত্রে দেখা যায় চশমা দেওয়ার পর চোখ অনেকটা সোজা হয়ে আসে। যাদের ক্ষেত্রে চশমা দিয়ে বাকা চোখ সোজা হয় না তাদের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরণের ব্যাম দিতে পারি। অথবা প্রয়োজনে আমরা অপারেশন করতে পারি। প্রশ্ন : চোক হালকা বাকা থাকলে অনেকেই বলেন লক্ষ্মি ট্যারা। এটা কি? উত্তর : আসলে কোন ট্যারাই কিন্তু লক্ষ্মি নয়। সকল ট্যারা চোখেরই কিন্তু চিকিৎসার করা উচিত। প্রশ্ন : ল্যাসিক সার্জারি কি? উত্তর : যাঁদের চোখের পাওয়ার আছে কিন্তু চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স পরতে চান না, তাঁদের জন্য আধুনিক একটি চিকিৎসাব্যবস্থার নাম ল্যাসিক সার্জারি। এক্সাইমার লেজার রশ্মির সাহায্যে চোখের কর্নিয়ায় আকৃতি বা গঠনের পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ চোখের পাওয়ারের পরিবর্তন করা হয়। ল্যাসিক-পদ্ধতির অপারেশন এর প্রকারভেদের মাধ্যমে মাইনাস বা প্লাস পাওয়ারকে পরিবর্তন করে বিনা পাওয়ার বা জিরো পাওয়ার করা হয়। প্রশ্ন : ল্যাসিক সার্জারি কী এবং কেন? উত্তর : সাধারণত দৃষ্টিজনিত সমস্যা অর্থাৎ দুরের বা কাছের বস্তু দেখতে সমস্যা হওয়া বা ঝাপসা দেখা এধরনের চক্ষু সমস্যার সমাধানের জন্যই ল্যাসিক সার্জারি করা হয়ে থাকে। যারা দেখার সমস্যার কারণে (+) বা (-) চশমা ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রেই বেশীরভাগ সময় চিকিৎসকগণ ল্যাসিক সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে ঠিক এগুলো ছাড়াও আরো কিছু চিকিৎসায় ল্যাসিক সার্জারি করা হয়। ল্যাসিক সার্জারিতে Laser এর সাহায্যে মূলত চোখের কর্নিয়ার পুরুত পরিবর্তন করে ঝাপসা দেখা বা কম দেখার সমস্যা দূর করা হয়। যাতে রোগীকে চশমা ব্যবহার করতে না হয় বা ভারী চশমার পরিবর্তে খুব অল্প পাওয়ারের চশমা হলেই চলে।

সূত্র: বিকাশপিডিয়া টীম

Saturday, January 27, 2018

মেয়েদের মন জয়ের ২০ উপায়

মেয়েদের মন জয়ের ২০ উপায়

ঢাকা অফিস- Monday, November 3rd, 2014
অনেকের জীবনে সাধনার বিষয় নারী। ভালোবাসার নারীকে না পেয়ে অনেক পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। কেউবা নারীদের প্রতি আসক্ত হয়ে সুন্দর জীবনটাকেই ধ্বংস করে দিয়েছেন। এমন অনেক ঘটনা ঘটে। দেখা যায়, কোন পুরুষ  সারাদিন হয়তো প্রিয়তমার কথা ভেবে আবেগের বসে নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু সেই নারী কি ঐ  ছেলেটিকে নিয়ে এক মুহূর্তও চিন্তা করে?। নারীদের মন জয় করার জন্য একদল গবেষক বিশটি উপায় খুজে বের করেছেন। আসুন জেনে নেই কি করে আপনার কাঙ্খিত নারীর মন জয় করবেন।
১. ভালবাসার প্রথম শর্ত হল প্রিয় মানুষটার কাছে সৎ থাকা। তার কাছে  কোনকিছুই গোপন করা যাবে না।
২. প্রিয়তমাকে তার দূর্বলতার কথা তুলে রাগানো যাবে না।
৩. আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষদের পছন্দ করে। প্রিয় মানুষের মানসিক ও শারীরিক চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
৪. নিজের অর্থসম্পদের চেয়ে তাকে বেশি ভালবাসতে হবে। প্রত্যেক নারী তার প্রিয়জনের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ভালবাসা পেতে চায়। নারী চায় তার প্রিয়মানুষ তার প্রতি যত্মবান হোক। সবকিছুর উর্ধ্বে তাকে দেখুক।
৫. মেয়েরা  হাস্য-রস পছন্দ করে। যেসব ছেলেরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসি তামাশা করতে পারে, মেয়েরা ঐসব ছেলেদের পছন্দ করে।
৬. মেয়েরা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও ফিটফাট থাকতে পছন্দ করে। মেয়েরা চায় তার ভালোবাসার মানুষটি সব সময় কেতাদুরস্ত থাকুক।
৭. প্রিয়তমাকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিতে হবে। সে কি জানতে চায় সেদিকে থেয়াল রাখতে হবে।
৮. নিজের পরিবারের সম্পর্কে তার সামনে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। এতে মেয়েরা নিজেদের অনেকটা নিরাপদ মনে করে।
৯. ফেলে আসা জীবনে যেসব মেয়েদের সঙ্গে আপনার প্রেম ছিল। সেসব গল্প নাইবা বললেন আপানার প্রিয়তমাকে। যদি সে কখনো জানতে চায় তবেই বলা যেতে পারে।
১০. মেয়েরা কথার ছলে গল্প বলতে ভালোবাসে। আপনার প্রিয় মানুষটির গাল-গল্পে বিরক্ত হবেন না যেন। তাহলে সে আপনার উপরে চটে যাবে।
১১. প্রিয়তমার সঙ্গে কথা বলার সময় তার চোখের দিকে তাকিয়ে আবেগ প্রকাশ করে কথা বলুন। এতে মেয়েরা খুশি হয়।
১২. আপনার মনে বেদনার পাহাড় জাগতে পা্রে। তাই বলে সবাইকে বলে কয়ে বেড়াবেন এমন নয়। প্রিয় নারীকেও আপনার দুঃখ-কষ্ট বুঝতে দেবেন না। বরং হাসি খুশি থাকুন।
১৩. কথায় বলে প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না। তাই যথাসম্ভব প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকুন। তাকে ঘনঘন সময় দিন।
১৪. প্রিয়মানুষটির পছন্দ-অপছন্দের প্রতি খেয়াল রাখুন। তার ভালো লাগা, মন্দ লাগার বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।
১৫. প্রিয়তমার সঙ্গে কখনো অন্যকোন নারীর তুলনা করবেন না। কোন নারীর তুলনা পছন্দ করেন না।
১৬. অনেকে মনে করেন প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধত্ব করা যায় না। কথাটি ভুল। আগে বন্ধুত্ব পরে প্রেম।
১৭. প্রেমিকার বিশ্বাসে কখনো আঘাত করবেন না।তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনাকে সম্মান করুন।
১৮. প্রিয়তমার শরীরের মোহে না পরে তার মনের গুরুত্ব দিন। শরীর বৃত্তিয় ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ভালোবাসুন মনে থেকে। তাহলে শরীর মন দুটোই পাবেন অনায়াসে।
১৯. প্রকৃতিগত ভাবেই নারীরা কোমল। তাই প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলার সময় সময় কখনো কঠোর হবে না। কোমল সুরে নারীর সঙ্গে কথা বলুন।
২০. মেয়েরা খুব আবেগ প্রবণ। তারা সব সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে ভালোবাসে। তাই আপনার প্রিয়মানুষটির পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখুন। খোঁজ খবর নিন।
মনে রাখবেন ভালোবাসা এমনি এমনি আসে না। ভালোবাসা পেতে হলে আগে ভালোবাসা দিতে হয়। প্রেম-ভালোবাসা হল সুন্দরের আরাধনা। নারীর মন বুঝতে হলে নারীর সঙ্গে ঐ ধরনের আচরন করুন য্টো সে পছন্দ করে। তাহলেই দেখবেন সে আপনার প্রতি ভালোবাসায় বিগলিত হয়ে গেছে।

Tuesday, October 31, 2017

মেদ কমাতে যেসব ফল খাবেন

শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।
মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক ৭টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হলো :
আপেল : আপেলের পেকটিন ফাইবার পেট ভরানোর পাশাপাশি দেহে মেদের পরিমাণও কমাবে। ভারী খাবার খাওয়ার আগে আপেল খাওয়া তাই উপকারী।
তরমুজ : তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। দিনে একটা তরমুজ খিদে কমিয়ে দেওয়ার সঙ্গে মেদ জমতেও দেবে না।
লেবু : লেবুতে আছে ভিটামিন সি ও সাইট্রিক অ্যাসিড। যা ওবেসিটির পরিমাণ কমায়।
নারকেল : নারকেল যকৃতের বিপাক হার বাড়িয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে প্রকারান্তরে নিয়ন্ত্রণে থাকে ওজন।
বেদানা : বেদানা দেহে লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের হার কমায়। খিদের হার কমায়।
পেঁপে : পেঁপে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। রক্তে শর্করা ওবেসিটির লক্ষণ।
কমলালেবু : কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও ফাইবার থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।  

সাত দিনে ওজন কমান


আলসেমি করে ব্যায়ামাগারেও যাওয়া হয়নি। আবার খাবারেও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। শেষমেশ যা হওয়ার তা-ই হলো। ওজন বেড়ে গেল বেশ খানিকটা। কিন্তু দ্রুত খানিকটা ওজন যে না কমালেই নয়। বন্ধুর বিয়ের তারিখ এগিয়ে আসছে! কিংবা কোনো পার্টি। এই চিন্তা যাঁরা করছেন, তাঁদের জন্য সত্যিই কি কোনো সমাধান আছে?এ ব্যাপারে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বললেন, সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তিন থেকে পাঁচ কেজি ওজন কমানো সত্যিই সম্ভব। নিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়া আর হালকা ব্যায়ামে দ্রুত ওজন ঝরানো যায়। তবে এই পদ্ধতির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন গেলে শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে। তাই চটজলদি ওজন কমাবেন শুধু খুব প্রয়োজন পড়লে এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য।

l খাওয়ার সময় বেছে খাবার খান। যে খাবারে চর্বি বেশি, সেই খাবার এড়িয়ে চলুন।
l কার্বোহাইড্রেট অর্থাৎ শর্করা আছে এমন খাবার কম খেতে হবে।
l শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি পূরণের জন্য উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে।
l সঙ্গে খেতে হবে আঁশযুক্ত খাবার।
l অবশ্যই ছাড়তে হবে কোমলপানীয়।
l খাবার নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়ামও করতে হবে।
 ওজন কমাতে শরীর চর্চা
খাদ্যাভ্যাসে যেমন পরিবর্তন আনতে হবে, তেমনি শরীর চর্চাও করতে হবে। নিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে শরীর চর্চা করলে ওজন হ্রাস দ্রুত হয়। এমনটাই জানালেন ফিটনেস ওয়ার্ল্ড হেলথ ক্লাবের ব্যবস্থাপক ও প্রশিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান। বললেন, দ্রুত ওজন কমানোর এই পদ্ধতিতে শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যতালিকা থেকে যেহেতু অনেক কিছুই কাটছাঁট করা হয়, তাই এই সময়টা ভারী ব্যায়াম না করাটাই ভালো। দ্রুত ওজন কমানোর জন্য হালকা ধরনের যে শরীর চর্চাগুলো করতে হবে—
প্রতিদিন নিয়ম করে আধা ঘণ্টা দ্রুত হাঁটতে হবে কিংবা দৌড়াতে হবে।
করতে পারেন ১০ মিনিট সাইক্লিং।
দড়ি লাফের জন্য বরাদ্দ করতে পারেন ১০ মিনিট।
ওঠাবসাও এক ধরনের ভালো ব্যায়াম, এটিও করবেন ১০ মিনিট।
আর যদি সুযোগ থাকে, নিয়মিত সাঁতার কাটুন। দ্রুত ওজন কমবে।

দ্রুত ওজন কমাতে খাদ্য গ্রহণে আনতে হবে ব্যাপক পরিবর্তন। সারা দিনের খাদ্য গ্রহণের এই নমুনা তালিকাটা গেঁথে নিন মাথায়। আর মেনে চললে দ্রুত ওজন কমানো শুধু কয়েক দিনের ব্যাপার।

সকাল ৮টা: শুধু সবজি স্যুপ (ক্লিয়ার)।
সকাল ১০টা: টক দইয়ের লাচ্ছি।
দুপুর ১২টা: টকজাতীয় ফলের রস।
বেলা ২টা : মুরগির স্যুপ (ক্লিয়ার)।
বিকেল ৪টা: সয়া প্রোটিন অথবা সয়া মিল্ক।
সন্ধ্যা ৬টা: ফলের রস।
রাত ৮টা: মুরগির স্যুপ।
তবে যাঁরা রাত জাগবেন, তাঁরা রাত ১০টার দিকে চাইলে একবার সয়া মিল্ক খেতে পারেন।
তবে এই খাদ্যাভ্যাস ব্যক্তির বয়স, ওজন, উচ্চতা ও ব্যক্তি কী ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করছেন তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে।

ওজন কমানোর অতি সহজ উপায়

ধুমসি দেহ নিয়ে কারো চোখে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায় না।মানুষ মোটা হয় শর্করা ও স্নেহজাতীয় পদার্থের ফলে।প্রতিদিন স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০০ ক্যালরি খাবার কম খেলে প্রায় ১ পাউন্ড ওজন কমানো যায়।ক্যালরি কম গ্রহণ করলে দেহাভ্যন্তরে বাড়তি মেদ ভেঙে গিয়ে দেহকে বাড়তি ক্যালরি জোগান দেয়। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে প্রতিদিন ১০০০ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।মহিলাদের ক্ষেত্রে কোমরের মাপ ৮০ সেন্টিমিটার বা ৩১.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত স্বাভাবিক ধরা যেতে পারে। তবে মহিলাদের কোমরের মাপ ৮৮ সেন্টিমিটার বা ৩৪.৬ ইঞ্চি থেকে বেশি হলে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।ডায়েটিং করলেই মেদ কমানো যায় না।খাবারের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় জিনিস না খেয়ে বেশি করে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাবেন। প্রচুর পানি, শাকসবজি ও ফলমুল বেশি করে খাবেন।সুস্থ জীবনযাপনে ওজন এক বিশেষ শত্রু। একবার দেহের ওজন বৃদ্ধি পেলে সহজেই তা কমানো যায় না। 

ওজন কমাতে আপনার নিজের ব্যাপার নিয়ে নিজেই দায়িত্ব নিতে হবে। কিন্তু তাই বলে নিতান্তই একা নন। আপনি মানসিক জোর পেতে পারেন আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে, বন্ধুদের কাছ থেকে। এমন মানুষ নির্বাচন করুন যে কিনা আপনাকে মূল্য দেবে এবং আপনার কথা শুনবে। আপনার শরীর চর্চার সময় আপনাকে সঙ্গ দেবে। ওজন কমানোর জন্য আগে জানতে হবে আপনার আদর্শ ওজন কত, আদর্শ ওজনের চেয়ে কত বেশি আছে, কোন শারীরিক সমস্যা আছে কিনা, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে তারপর ওজন নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী হতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আপনার একান্ত আগ্রহ আর মোটিভেশন।রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।প্রতিবেলা খাবার আগে অবশ্যই এক গ্লাস পানি পান করুন ।ক্ষুধা না পেলে কখনই খাবনে না।সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজের ওজন মাপুন। ফোনে কথা বলার সময় হাটুন।সুস্থ্ থাকতে এবং ওজন কমানোর জন্য বেশি খাওয়া বন্ধ করতে হবে।অল্প তেলে রান্না করার অ্ভ্যাস গড়ে তুলুন।ঝোল করে তরকারি রান্না করুন, এতে তেল কম লাগে। ১ চা চামচ কম তেলে রান্না করলে আমরা ১২৪ ক্যালোরি সেভ করতে পারি।অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ, লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। 

পেটের মেদ এর সাথে হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য সমস্যার জোরালো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়।পেটের মেদ কমাতে হলে প্রয়োজন পুরো শারীরিক ব্যায়াম।৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হালকা জগিং বা জোরে হাটার পর রক্তে চলমান ফ্যাট শেষ হয়ে দেহে সঞ্চিত ফ্যাট ভাঙতে থাকে। তাই এই ৪০ বা ৪৫ মিনিটের পর আপনি যদি ১০ বা ১৫ মিনিট ও জগিং বা জোরে হাঁটতে পারেন, তাহলেই প্রতিদিন একটু একটু করে আপনার জমান চর্বি কমতে থাকবে।পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে।বংশগত কারণেও মানুষ মোটা হতে পারে। ‘ওব জিন’ নামের এক ধরনের জিন থাকে ফ্যাট সেলের মধ্যে। এগুলো ল্যাপটিন নামের এক রকম হরমোন তৈরি করে।আবার যাদের দেহে ব্রাউন এডিপোজ টিস্যু বেশি থাকে তারা মোটা হয় না।কোমরে আর পেটে চর্বি জমাতে যেমন সহজ। ঠিক ততটাই কঠিন সেই চর্বি কমিয়ে ফেলা। কিন্তু কিছু ভালো অভ্যাস ও সাধারণ কিছু ব্যায়াম ধৈর্যের সাথে চালিয়ে গেলে একদিকে বাড়তি মেদ যেমন ঝরবে অন্যদিকে শরীরটা মুটিয়ে যাবার ভয়টাও কমে আসবে অনেকাংশেই। 

ওজন কমানোর মুল মন্ত্র হল মটিভেসন ও একাগ্রতা।শুধু ব্যায়াম করলেই অনেক সময় মেদ কমে না, এর জন্য আপনাকে খাবার গ্রহণে সতর্ক হতে হবে। খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ জাতীয় খাদ্য যেমন শাক সবজি রাখুন। চর্বি জাতিয় খাবার কম খান। ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করতে হবে।নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে গেলে ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে পেটের মেদই শুধু নয়, সারা দেহের মেদ কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেতে পারি।বাড়তি ওজনের জন্য যেকোনো ধরনের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ বেশি।আজকাল অপারেশনের সাহায্যেও ভুঁড়ি কিংবা মেদ কমানো হচ্ছে।মেদ বা ভুঁড়ি কোনোভাবেই সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ নয় বরং নানা অসুখের কারণ-এ কথা মনে রাখবেন।আমিষ বা প্রোটিন খেলে শরীরে জমে থাকা চর্বি কমে যায়। কারণ এই চর্বি শরীরকে শক্তি বা ক্যালরির যোগান দেয়।স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ রান্না মাংস খেলে আমিষের ঘাটতি কেটে যায় এবং মেদও কমে, সামুদ্রিক মাছও হতে পারে আমিষের ভালো উৎস। এ ধরনের মাছে উপকারি চর্বি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে। মাছ মেদ কমায়, বিষন্নতা দূর করে, হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখে। 

খাবার সঙ্গে চা পান করা চর্বির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আরেক উপায়।সারা দিনে অন্তত দুই লিটার পানি পান করবেন। এর ফলে আপনার বাড়তি ১০০ ক্যালরি খরচ হবে। অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে।নিয়মিত হাঁটা সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম। প্রতিদিন নিয়ম করে ১ ঘণ্টা হাঁটতে পারলে খুবই ভালো। সাইকেল চালানো ও সাঁতার কাটাও খুব ভালো ব্যায়াম। ভুঁড়ি কমাতে কিছু আসনের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। এগুলোর মধ্যে ত্রিকোণ আসন, একপদ উত্থান আসন, পবন মুক্তাসন, পশ্চিমোত্থানাসন খুবই কার্যকর।কাঁচা পেঁপে, শশা, গাজর, লেটুস বা ধনিয়া পাতার সালাদ ওজন কমাতে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। পেঁপে যুদ্ধ করে দেহের বাড়তি মেদের বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত ওজনের কারনে পায়ে ব্যথা হয় । ওজন কমানোর জন্য আপনার থাকতে হবে- ১০০% ইচ্ছা শক্তি,ধৈর্য্য , ১০০% ডায়েট চার্ট মেনে চলা,প্রতিদিন নিয়ম করে ১ ঘন্টা হাঁটা। অভিনেত্রী মৌ ২০ কেজি ওজন কমিয়েছেন এবং গায়ক আদনান সামী ওজন কমিয়ে দেখিয়েছেন ।হেঁটে যতটুকু ক্যালরি খরচ হলো ঠিক ততটুকু বা তার বেশি ক্যালরি গ্রহণ করা হলে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে হাঁটাই বৃথা। 

আপনার ওজন কমানোর প্রধান হাতিয়ার হিসেবে প্রচুর পানি পান করুন।অনেকেই ওজন কমাতে চান। কিন্তু কোনো কষ্ট করতে রাজি না।বাঁধাকপিকে ওজন কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হিসেবে ধরা হয়। বাঁধাকপি মিষ্টি ও শর্করাজাতীয় খাবারকে চর্বিতে রূপান্তর করতে বাধা দেয়। এ জন্য বাঁধাকপি খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে ওজন কমাতে। এটিকে কাঁচা অথবা রান্না করেও খাওয়া যায়।আগে যেখানে তিনটি রুটি খেতেন, সেখানে দুটি খান। ভাতের ক্ষেত্রেও তাই। ধীরে ধীরে ভাতের পরিমাণও কমিয়ে আনতে পারেন।যেটুকু খাবার কমিয়ে দিচ্ছেন, সেই জায়গাটা ফলমূল ও সবুজ সবজি দিয়ে পূরণ করুন। গাজর, টমেটো, কাঁচা-পাকা পেঁপে, শসা রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায়। রিকশার পথটুকু হেঁটে যান, আর ফেরার পথে বিকেলের বাতাস খেতে খেতে হেঁটে আসুন বাসায়। ওজন কমানো এ আর এমন কঠিন কী! 

প্রতিদিন এই ব্যায়াম করুন- চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটো সোজা কানের দুই পাশ ঘেসে মাথার উপরে মাটিতে শোয়ানো থাকবে, পা মাটিতে শোয়ানো থাকবে। শ্বাস নিতে নিতে উঠে বসুন (উঠার সময় কনুই দিয়ে মাটিতে ভর দিবেন না, হাত কানের পাশ দিয়ে মাথার উপর উঠানো থাকবে) এবং দুই হাত একসাথে মাথার উপর থেকে নামিয়ে শরীরের দুই পাশ দিয়ে সামনে হাত বাড়ানো অবস্থায় বসুন। এবার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পায়ের আঙ্গুল ছুতে চেষ্টা করুন। যতটুকু পারুন পায়ের আঙ্গুলের দিকে আগান (প্রথম প্রথম পেটের মেদের কারণে আঙ্গুল ছুতে পারবেন না, মেদ কমে গেলে এরপর পারবেন), এরপর থেমে শ্বাস নিতে নিতে আবার শরীর ঝুকানো অবস্থা থেকে সোজা বসে থাকা অবস্থায় ফিরে যান। এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে আগের মত করে শুয়ে পড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন। 

মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ। ফাস্ট ফুড, অয়েলি খাবার বাদ। রিচ ফুড/পোলাও/বিরানী এইসব বাদ।দুপুর ২ টায় লাঞ্চ।ভাত ২ কাপ। শাক ১.৫ কাপ। মুরগী বা মাছ ২ টুকরা। ডাল ১ কাপ। মিক্সড ভেজিটেবল ১ কাপ। সালাদ ১.৫ কাপ (লেবুসহ)।মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মত ওজন না বাড়িয়ে, কমায়।কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এই সব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। এই সব উপাদান ফ্যাট ও cholesterol কমাতে বা ভাঙ্গতে সাহায্য করে। লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে। ১০০% মেনে চলা মুশকিল,এটা আমিও বুঝি কিন্তু পারতে হবে।অনেকে টিভি দেখতে দেখতে বাড়তি খাবার খেতে পছন্দ করে। তবে ওজন কমাতে চাইলে এই অভ্যেস বাদ দিতে হবে।রাতে খাওয়া ছেড়ে দেন অনেকেই। রাতে একদম না খেয়ে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। রাতের খাবার খেয়ে একটু হাঁটাচলা করুন, তারপর ঘুমাতে যান। দুপুরে ভরপেট খেয়ে ঘুম দিলে কিন্তু সর্বনাশ। ওজন কমাতে চাইলে দুপুরের আরামের ঘুমটির কথা একদম ভুলে যান। 

আসুন না দেখি একটু সচেতন হয়ে, কিছু কৌশলের মাধ্যমে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ওজনের সাফল্যে পৌঁছাতে পারি কি না?নিয়মগুলো মেনে চলতে শুরু করেই দেখুন। কিছুদিনের মধ্যেই শরীর অনেক বেশি ফুরফুরে অনুভব করবেন। আর ওজন কমানো তো সময়ের ব্যাপার মাত্র।খুবই সাধারণ ও উপকারী এই নিয়মগুলো মেনে চলুন আর ফলাফল নিজেই উপলব্ধি করুন। 

Latest

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি

Featured Post

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! জেনে নিন বিস্তারিত-

গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...

jk