Adsterra

a-ads

pop

Showing posts with label Leah Messer’s health. Show all posts
Showing posts with label Leah Messer’s health. Show all posts

Sunday, March 24, 2024

Our Cells' Batteries Face 'Significant Threat' From Microplastics

microplastic,micro-plastics,space,waste treatment plant process,plastic alternatives,european chemicals regulation,european workplaces,waste treatment plant,artificial intelligence,plastic eating worms,work-related cancer,european regulation,dangerous substances in the workplace,brominated flame retardants,allergic reaction,plastics,anaphylactic reaction,plastic waste,european chemicals agency,waste treatment,water resources,ocean advocates


 Scientists have issued a warning after a new assessment discover out about highlighted the "significant threat" posed via way of microplastics on our body's telephone powerhouses: the mitochondria.


Microplastics are any plastics smaller than 5 millimeters (0.2 inch) long. They can be positioned in industrial waste and attractiveness merchandise then again may additionally additionally moreover structure at some stage in the degradation of giant portions of plastic waste. Many of these plastic parts supply up up in our oceans, which are estimated to incorporate between 50 trillion and seventy 5 trillion parts of micro- and massive plastics, in accordance to UNESCO's Ocean Literacy Portal.

These plastic particles include chemical elements that can interrupt our body's natural launch of hormones, possibly developing our chance of reproductive issues and superb cancers. They can moreover elevate toxins on their surface, like heavy metals.

microplastic,micro-plastics,space,waste treatment plant process,plastic alternatives,european chemicals regulation,european workplaces,waste treatment plant,artificial intelligence,plastic eating worms,work-related cancer,european regulation,dangerous substances in the workplace,brominated flame retardants,allergic reaction,plastics,anaphylactic reaction,plastic waste,european chemicals agency,waste treatment,water resources,ocean advocates


Over time, these microplastics can smash down even in addition into so-called nanoplastics. The particles are so tiny that they can skip with the aid of through our intestines and lungs besides extend into our bloodstream, traveling through our our our bodies and into fundamental organs such as the coronary coronary heart and the brain.

Micro- and nanoplastics have been located in human Genius and lung tissues, blood samples and even the placenta, elevating issues about the particles' have an impact on on our regular health. Now a new meta-analysis, posted in Cambridge Prisms: Plastics by using ability of Cambridge University Press, has combed via a hundred thirty lookup to exhibit a clear hyperlink between microplastics and the horrible results on the energy-producing powerhouses of our cells.

Thursday, August 12, 2021

শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ , শসা খাওয়ার উপকারিতা, যে কারনে শসা খাবেন

Labaid Cancer Hospital lল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার

শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ , শসা খাওয়ার উপকারিতা, যে কারনে শসা খাবেন
শসা


সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।

Sunday, May 23, 2021

ফাঁটা পায়ের যত্নে কিছু পরামর্শ !!হাত ও পায়ের বিশেষ যত্ন,পা ফাটা দূর করবে পেঁয়াজ

 
ফাঁটা পায়ের যত্নে কিছু পরামর্শ !!হাত ও পায়ের বিশেষ যত্ন,পা ফাটা দূর করবে পেঁয়াজ


শীতে প্রায়ই হাত ও পায়ে খসখসে ভাব, কালো হয়ে যাওয়াসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা যায় । এজন্য হাত ও পায়ের নিয়মিত যত্নের প্রয়োজন । নিয়মিত যত্ন নিলে আপনার হাত ও পা থাকবে নরম, কোমল ও মসৃণ । জেনে রাখুন হাত ও পায়ের সুরক্ষায় কিছু প্রয়োজনীয় টিপস ।কনুইয়ের খসখসে ও কালো ভাব দূর করতে বাদাম তেল ও তিলের তেল একসাথে মিশিয়ে লাগাতে পারেন ।
হাত ও পায়ের স্ক্রাব: চিনি ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে এই মিক্সটি দিয়ে ভালো করে স্ক্রাব করে নিন । হাত-পায়ের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে ।
হাত ও পায়ের প্যাক: বেসন, গুঁড়ো দুধ আর মধু একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন কমপক্ষে ২০ মিনিট ।

পা সুন্দর রাখতে চাইলে একটি ছোট বোলে পানি ও লেবুর রস মিশিয়ে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে আপনার সানবার্ন ও পায়ের গন্ধ দুর হবে এবং পা ফর্সা হবে।

রোদে পোড়া দাগ দূর করতে টক দইয়ের প্যাক বিশেষ উপকারী । সমপরিমাণে শশার পেস্ট ও টক দই মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন । এটি আপনার ত্বকে হারানো গ্লো ফিরিযে নিয়ে আসবে ।হাত ও পায়ের নখের যত্নে নেইল অয়েল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন । এতে নখ ভেঙ্গে যাওয়ার সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন ।

ফাঁটা পায়ের যত্নে কিছু পরামর্শ !!হাত ও পায়ের বিশেষ যত্ন,পা ফাটা দূর করবে পেঁয়াজ
রাতে ঘুমানোর আগে হাত-পায়ে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ঘুমালে সকালে পাবেন কোমল ও নমনীয় ত্বক ।

মুখের তুলনায় হাত-পায়ের যত্ন সবসময়েই কম নেওয়া হয়, এজন্য মুখের তুলনায় হাত ও পায়ের রং কালো দেখা যায় । নিয়মিত আপনার হাত ও পায়ের যত্ন নিন ।

শীতে পায়ের নিচের ত্বক অন্য সময়ের চেয়ে বেশি শুষ্ক থাকে। তাই পা ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় পায়ের নিতে হয় বাড়তি যত্ন।তবে পা ফাটা অনেক সময় মারাত্মক আকার ধারণ করে। পা ফেটে রক্ত বের হওয়ার উপক্রম হয়। ব্যথা হয়, তখন হাঁটতেও সমস্যা হয়। আর দীর্ঘদিন পা ফাটার সমস্যা থেকে ইনফেকশন হতে পারে।পা ফাটার সমস্যায় বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন আপনি। তবে পা ফাটার সমস্যায় পেঁয়াজের রস ব্যবহারে ভালো উপকার পেতে পারেন।

জেনে নিই পা ফাটায় পেঁয়াজের ব্যবহার-

পেঁয়াজের রস পা ফাটার জন্য খুবই উপকারী। পেঁয়াজের রস পায়ের শুষ্কতা দূর করে। পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে ফসফরাস, দস্তা, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রন। এ ছাড়া শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন (ক্ষতিকর পদার্থ) বের করে দেয় পেঁয়াজ। সেই সঙ্গে ঠিক রাখে রক্ত প্রবাহ।পেঁয়াজে আরও রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও ই। ভিটামিন সি ত্বককে সুস্থ রাখে এবং ভিটামিন ই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। আর এসব ভিটামিনই ত্বককে যাবতীয় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়।

ব্লেন্ডারে পেঁয়াজ ব্লেন্ড করে রস বানিয়ে তার মধ্যে এক চামচ মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে গোড়ালির ফাটা স্থানে ব্যবহার করুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানিতে পা ধুয়ে নিন। এক সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন পা ফাটা দূর হবে।

শীত আসছে। সবাই এ সময় ত্বকের একটু বাড়তি যত্ন নিয়ে থাকেন। তবে পায়ের গোড়ালির দিকে নজর একটু কমই থাকে। এ সময় অনেকের পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। যাঁরা এ বিড়ম্বনায় পড়তে চান না, তাঁরা একটু বাড়তি যত্ন নিতে পারেন।

Read More :

শুষ্ক মৌসুম আর আর্দ্রতার ঘাটতিতে এ সমস্যা হয়। পা ফাটলে পায়ের গোড়ালিতে যন্ত্রণা হতে থাকে। পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে তা সারাতে ঘরোয়া কিছু সমাধান নিজেই করতে পারেন। পা ফাটা সারানোর উপায়গুলো জেনে নিন:

মোমবাতির মোম: মোমবাতির মোমের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে তা ফাটা স্থানে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা সেরে যাবে।

গ্লিসারিন ও গোলাপজল: গোলাপজলের সঙ্গে কিছুটা গ্লিসারিন মিশান। এই মিশ্রণ পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা ও ব্যথা কমবে।

তিলের তেল: পা ফাটা সমস্যা সমাধানে তিলের তেল দারুণ কার্যকর। পায়ে তিলের তেল মাখলে পা ফাটা দূর হয়।

ভ্যাসলিন ও লেবুর রস: ভ্যাসলিনের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে তা ফাটা স্থানে মালিশ করুন। এতে ওই মিশ্রণ সেখানে শোষণ হয় বলে পা ফাটা দ্রুত সেরে যায়।

মধু-পানি: এক কাপ মধু আধা বালতি গরম পানিতে মিশিয়ে এতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে পা ফাটা দূর হবে। 

তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

Read More:কোনো মেয়ে অন্য কারো সাথে শা’রী’রিক সম্পর্ক করে কিনা বোঝার উপায়

#পাফাটার ক্রিম বাংলাদেশ, #পাফাটাদূর করার ঔষধ ,পা ফাটা দূর করার ক্রিম, পা ফাটা থেকে মুক্তির উপায় ,পা ফাটার সমাধান ,পা ফাটে কোন ভিটামিনের অভাবে, হাত ফাটার ক্রিম ,পায়ের ফাটা দাগ দূর করার উপায়

Saturday, May 22, 2021

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়? জেনে নিন সঠিক কারণ

 


হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়? জেনে নিন সঠিক কারণ 

শরীরের অনেক অঙ্গই বয়স বাড়ার সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে, কিন্তু যখনই মহিলাদের স্তনের ব্যাপারে আলোচনা করা হয় তখন সবার মুখ বন্ধ হয়ে যায়, কারণ এর সদুত্তর অনেকের কাছেই থাকে না। যুগ যুগ ধরে নারী শরীর নিয়ে ছেলেদের আগ্রহের কোনো শেষ নেই। 

অনেক ছেলের মনেই এই প্রশ্ন বিভিন্ন সময় এসে থাকে যে, হাত দিয়ে স্পর্শ করলে বা টিপলে মেয়েদের স্তন কি সত্যিই বৃদ্ধি পায়? আপনার মনেও যদি এরকম কোনো প্রশ্ন এসে থাকে তাহলে দেরি না করে নিচের নিবন্ধটি সবটা পড়ে ফেলুন। 

আমরা চেষ্টা করেছি সেই সমস্ত কারণগুলি খুঁজে বের করার, যে কারণগুলির জন্য মহিলাদের স্তন বৃদ্ধি পায়। আসুন দেখে নেওয়া যাক  – মেয়েদের শরীরের বিকাশ ছেলেদের তুলনায় দ্রুত হয় বেশিরভাগ মেয়ের ক্ষেত্রেই ৮ বছর বয়স থেকে শরীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ হওয়া শুরু হয় এবং স্তন বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, কিন্তু এরপর আগামী ৫ বছর স্তনের আকৃতিতে বিশেষ কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে ছেলেদের শরীরে পরিবর্তন অনেক পরে আসতে শুরু করে। 

বিয়ের পর স্তনের আকারে আসে পরিবর্তন বিয়ের সাথে স্তনের আকার বৃদ্ধি পাওয়া সরাসরিভাবে যুক্ত নয় কিন্তু বিয়ের পর দেখা যায় অধিকাংশ মহিলারই স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়। বিয়ের পর একাধিক কারণে স্তন বৃদ্ধি পায়, সে ব্যাপারে নিচে আলোচনা করা হয়েছে। আপনাদের একটি বিশেষ ব্যাপার জানিয়ে রাখি যে, সুস্থ-স্বাভাবিক মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তনের আকার ২১ বছর বয়স অবধিই বৃদ্ধি পায়। স্তন টিপলে কি কোনো প্রভাব পড়ে? কিছু মেয়েরা যখন একা থাকে তখন তাদের নজর নিজেদের বক্ষের উপর পরে এবং তারা সেটি টেপা শুরু করে যাতে সেটির আকার বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে কোনোক্ষেত্রেই এমনটা হয়নি যে, টেপার ফলে স্তনের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে হ্যাঁ নিয়মিত নিয়ম মেনে ম্যাসাজ করলে স্তনের আকারে সামান্য পরিবর্তন আসে, যা বেশ সময়সাপেক্ষ। উত্তেজনায় বৃদ্ধি পায় স্তনের আকার বৈজ্ঞানিকদের গবেষণায় জানা গেছে যখন মহিলারা শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয় তখন তারা খুবই উত্তেজিত থাকে, এই উত্তেজনার কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের পরিমাণ বেড়ে যায় যার ফলে স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি পেতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে মহিলাদের শরীরে যথেষ্ঠ উত্তেজনার প্রয়োজন। এই কারণেও বৃদ্ধি পায় স্তন কোনো মহিলা ভারী কোনো জিনিস নিয়মিত ওঠালে বা বিয়ের পর গর্ভবতী থাকাকালীন এবং সন্তানকে স্তনপান করানোর সময় এর আকার বৃদ্ধি পায়। 

যেসব মহিলারা নিয়মিত শারীরিক কসরত করেন তাদের স্তনের আকৃতি পালটে গিয়ে আরও আকর্ষক হয়ে যায় কিন্তু আকার একই থাকে। স্থূলতার কারণে বৃদ্ধি পায় স্তন কোনো মহিলার শরীরে যখন অতিরিক্ত মেদ জমতে শুরু করে তখন তার প্রভাব স্তনের আকারের পরেও। কারণ শরীরের অতিরিক্ত মেদ স্তনে জমতে শুরু করে। হরমোনঘটিত সমস্যা নারী শরীরের বিকাশের জন্য দায়ী প্রধান দুটি হরমোন হল, ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন। বিভিন্ন বয়সে এই দুই হরমোনের অনিয়মিত ক্ষরণের ফলে স্তনের আকারে পরিবর্তন আসে। এই পদ্ধতি হতে পারে ক্ষতিকারক কিছু মহিলা আছেন যারা স্তনের বৃদ্ধি ঘটানোর জন্য নানারকমের ওষুধ এবং ক্রিমের ব্যবহার করেন, কিন্তু সবশেষে ব্যর্থ হন। 

স্তনের আকার বৃদ্ধি রাতারাতি করতে হলে সেলিব্রিটি অভিনেত্রীদের মতো ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট করা ছাড়া কোনো উপায় নেই, তবে এই কাজ যথেষ্ঠ ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এ থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর অন্য পদ্ধতি হল সময়সাপেক্ষ, ডাক্তারের পরামর্শ মত ক্রিম বা তেল ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ম্যাসাজ করতে হবে। গার্লফ্রেন্ডের স্তন টিপলেও কি বৃদ্ধি পাবে? কিছু ছেলে মেয়ে প্রেমের সম্পর্কে আসার পর শারীরিক সম্বন্ধ তৈরি করে এবং গার্লফ্রেন্ড ও বয়ফ্রেন্ড দুজনেই ভাবে যে, স্তন টিপলে তার আকার বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু সকলেই এই মিথ্যে ধারণা মনের মধ্যে পুষে রেখেছে। 

স্তন টিপলে কোনোভাবেই তা বৃদ্ধি পায় না, তবে দীর্ঘকাল যাবৎ শারীরিক সম্পর্ক করলে স্তনের আকারে সামান্য পরিবর্তন আসতেই পারে। এই ব্যাপারটিতে অবশ্যই গুরুত্ব দেবেন ফিজিক্যাল হওয়ার সময় খেয়াল রাখবেন যে গার্লফ্রেন্ড যদি স্তন প্রেস করতে বাধা দেয় তাহলে তাকে বাধ্য করবেন না এটি করতে দেওয়ার জন্য, কারণ মহিলাদের শরীরে আরও অন্যান্য অঙ্গ থাকে যেগুলি ছুঁলেও সে উত্তেজিত হয়। এই কারণেই রিলেশনে থাকার সময় এইসব ছোটো ব্যাপারে গুরুত্ব দেবেন।

দুধ ছোট করার উপায় ,দুধ বড় ঔষধ, নিপল বড় করার উপায়, নরম দুধ শক্ত করার উপায় কি ,মাখলে দুধ বড় হয়, বেস্ট শক্ত করার উপায়, ব্রেস্ট টাইট করার প্রাকৃতিক উপায়, ব্রেস্ট বড় করুন ঘরে বসে দুধ বড় করার ঘরোয়া পদ্ধতি, দুধ বড় করার সহজ পদ্ধতি,দুধ বড় করার উপায় কি, মেয়েদের দুধ বড় করার উপায় কি, মেয়েদের দুধ বড় করার ঘরোয়া পদ্ধতি মেয়েদের দুধ বড় করার সহজ পদ্ধতি, Meyeder dod boro korar upay 2020, Dodh boro korar tips 2020, Big dudh korar tips in bangla Boro dud korar, opay in Bengali Ston ba dudh boro korar poddoti 2020.


কোনো মেয়ে অন্য কারো সাথে শা’রী’রিক সম্পর্ক করে কিনা বোঝার উপায়

 

কোনো মেয়ে অন্য কারো সাথে শা’রী’রিক সম্পর্ক করে কিনা বোঝার উপায়

অনেক সময়েই দেখা যায়, কোনো মেয়ে এক পু’রুষের স’ঙ্গে স’ম্পর্কে থাকা স’ত্ত্বেও জড়িয়ে পড়েন অন্য পু’রুষের সঙ্গে।

 বিষয়টি তিনি গো’পন রাখেন তার প্রথম প্রে’মিকের কাছে। সেক্ষেত্রে আপনার প্রে’মিকা বা স্ত্রী কিংবা স’ঙ্গি’নী ভালবাসায় আপনাকে ঠ’কাচ্ছেন কিনা,

তা কি বোঝার কোনো উপায় রয়েছে কী?রি’লেশ’নশিপ ম্যা’নেজ’মেন্ট গ্রুপ ওয়া’র্ল্ড অফ অ্যা’মোর জানাচ্ছে, একটি মেয়ে ভালবাসায় প্র;তা’রণা করছে কিনা তা ৬টি লক্ষণ দেখে বোঝা সম্ভব।

কী রকম? আসুন, 

জেনে নেওয়া যাক-

Wednesday, May 19, 2021

স্ত্রীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করেন বন্ধু, স্বামী থাকেন পাশের রুমে

স্ত্রীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করেন বন্ধু, স্বামী থাকেন পাশের রুমে

 রাত বাড়ছে। কিন্তু পুরুষ মানুষটির যাওয়ার নাম নেই। মনির বেশ বি’র’ক্ত লাগছে। ছোট্ট একটি বাসা। মাত্র দুটি রুম। এরমধ্যেই স্বামী আজাদের ওই বন্ধু প্রায় দু’ঘন্টা হলো বসে আছে। মনির স্বামী আজাদ নিজেই তাকে বারবার বেড রুমে ডেকে নিয়ে আসছে। অন্যান্য দিনের মতোই আজাদ নে”শাগ্র’স্ত। মনিকে চোখা রা’ঙানি দিচ্ছেন বারবার। বলছেন, আমার এই বন্ধুটি বেশ ভালো। তুমি ওর সঙ্গে গল্প করো। আমি কাজটা শেষ করে আসছি। মনি বা’ধা দেন।

 এতো রাতে কিসের কাজ। তবুও বাইরে থেকে দরজাটা ব’ন্ধ করে চলে যান আজাদ। ফিরেন ঘন্টা খানেক পরে। এটা অবশ্য নতুন না। এর আগেও কয়েকবার এরকম ঘটনা ঘটিয়েছেন আজাদ। মনি পা জ’ড়িয়ে ধরে কেঁ’দেছেন। এভাবে নিজের বউকে অন্যের কাছে তোলে না দিতে অনুনয় করেছেন। কোনো কথা শুনেননি আজাদ। উল্টো চোখ র’ক্তব’র্ণ করে শা’সিয়েছেন। বলেছেন, এছাড়া ভাত জুটবে না। সে যা বলে তাই করতে হবে। 

এ নিয়ে বা’কবি’তন্ডার এক পর্যায়ে গা’য়ে হা’ত তো’লেছেন পর্যন্ত। আজাদের বন্ধু পাশের রুমে। লোকটা সবই বুঝতে পারে। তবু তারও ম’নুষ্যত্ববো’ধ জাগে না। বারবার ব্য’র্থ হয়ে ফিরে যান। আবার আসেন। মনিকে তিনি বলেছেন, যে কোনোভাবেই হোক আমি আপনাকে চাই। কখনও কখনও পাশের রুমে রাত কা’টান তিনি। আজাদের সংসার চলে তার টাকায়। মনি ভেবে পাচ্ছিলেন না কি করবেন। ডি’ভো’র্সী না’রীকে সমাজ ভালো চোখে দেখে না। এমনকি নিজের পরিবারও। কেউ হয়তো বিশ্বাস করতে চাইবে না আজাদ তার সঙ্গে কী করছে। 

বা’ধ্য হয়েই আজাদের ব’ন্ধুকে মেনে নেন মনি। অবশ্য তার আগে বন্ধুতা গড়ে তোলেন। এবার নিজেই রাতবিরাতে আজাদের বন্ধুকে বাসায় ডেকে আনেন। স্বামী আজাদ থাকেন পাশের রুমে। আর তার স্ত্রীর মনির স’ঙ্গে রা’ত্রিযাপন করেন তার বন্ধু। মাঝে-মধ্যে স্বা’মীর ওই বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে যান মনি। এভাবে কয়েক মাস। শা’রী’রিক সম্পর্ক আর বন্ধুতা থেকে স’ম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। সংসারে এখন অ’ভাব নেই। আজাদের বন্ধুর টাকায় বাসা ভাড়া, নিত্যপণ্য কেনা থেকে চলে সব। এরমধ্যেই হঠাৎ মনি নি’খোঁজ। খোঁজ নেই আজাদের ওই বন্ধুরও। কয়েদিনের মধ্যে ডি’ভো’র্স লেটার পান আজাদ। কথাগুলো বলছিলেন আজাদ (ছদ্মনাম) নামের চল্লিশ বছর বয়সী ওই ব্য’ক্তি। রাজধানীর মোহাম্ম’দপুরের একটি মা’দ’কাস’ক্তি নি’রাময় কে’ন্দ্রে চি’কিৎসাধীন তিনি। আজাদ জানান, শেষ পর্যন্ত মনি তার ওই বন্ধুকে বিয়ে করেছেন। বন্ধুটি ব্যবসায়ী। 

তাদের এক স’ন্তানও হয়েছে। মা’দ’ক কে’ড়ে নি’য়েছে আজাদের স্ত্রী, সং’সার সব। আজাদ জানান, একটি বেস’রকারি কোম্পানীতে বিক্রয় প্রতিনিধির কাজ করতেন তিনি। শুরুতে সিগারেট ও গাঁ’জায় আ’সক্তি ছিলো। কয়েক বন্ধুর পাল্লায় পড়ে মাঝে মধ্যেই ই’য়াবার আসরে যোগ দিতেন কল্যাণপুরের এক বাসায়। ধীরে ধীরে ই’য়াবা তাকে গ্রাস করতে থাকে। কর্মক্ষেত্রে টার্গেট পূরণে বারবার ব্য’র্থ। কাজে অ’মনোযোগী। চাকরি চলে যায়। স্ত্রী মনি গৃ’হবধূ। ধা’রদেনা করে সংসার চলছিলো। বরিশালের গ্রামের বাড়ি থেকেও টাকা এনে সংসার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু এভাবে আর পারছিলেন না। নিজের স্ত্রী’কে ঠেলে দিয়েছিলেন অ’নৈ’তিক পথে। আজাদ কথা বলছিলেন আর চোখ দিয়ে জ’ল গ’ড়িয়ে পড়ছিলো। 

সুত্রঃ মানব জমিন

Sunday, April 18, 2021

পুরুষের যৌন বিষয়ক শারীরবৃত্তীয় কাজগুলো কী কী?

 


১. যৌন ইচ্ছা (সেক্সুয়াল ডিজায়ার) জাগ্রত হওয়া, 

২. লিঙ্গোত্থান (ইরেকশন) হওয়া, যা পুরুষাঙ্গে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া বা সঠিকভাবে চলাচল করার কারণে হয়, ৩. পুরুষাঙ্গ দিয়ে প্রয়োজন মতো বীর্য নির্গত হওয়া। তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি বিষয়ও জেনে নেওয়া যেতে পারে, আর তা হলো পুরুষাঙ্গের শিথিলতা। এসবের মধ্যে পুরুষের লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা (ইরেকটাইল ডিজফাংশন)টিই প্রকট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। সমস্যাটি নানা কারণে হতে পারে। এর বড় একটা কারণ মনস্তাত্ত্বিক। এছাড়া কিছু হরমোনের অভাব অথবা মস্তিষ্কের রোগের কারণেও এমনটি হতে পারে। পুরুষাঙ্গের রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়া কিংবা শিরার যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এমন সমস্যার জন্ম দেয়।

দ্রুত বীর্যপাত অনেক পুরুষের জন্যে একটি কমন সমস্যা। শতকরা ৮০% লোক এ সমস্যায় ভুগছেন। পর্ণ আসক্তি, অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও মানসিক দুশ্চিন্তা এর প্রধান কারণ। যৌন সমস্যার মধ্যে আরো রয়েছে স্বপ্নদোষ সমস্যা। দ্রুত বীর্যপাত রোধ, লিঙ্গ অকেজো, লিঙ্গের অসারতা, স্বপ্নদোষ রোধে 'নাইট কিং' বেশ কার্যকরভাবে কাজ করে। এতে কোনোপ্রকার কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ নেই। এ ঔষধ সেবনের মাধ্যমে হারানো যৌবনশক্তি ফিরে পাওয়া সম্ভব। এতে কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ না থাকায় এর কোনো বিরূপ পাশর্^প্রতিক্রিয়াও নেই। নিশ্চিন্তে এ ঔষধ সেবন করে দীর্ঘক্ষণ যৌনসঙ্গম করা যায়।
'নাইট কিং'সঠিক মাত্রায় ব্যবহারে নারী-পুরুষের যৌনক্ষমতা পরিমিতমাত্রায় বৃদ্ধিসহ দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায়। দেহে স্পার্ম বৃদ্ধি করে নারীর বন্ধাত্ম মুক্তি ও পুরুষের পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি দেয়। এটি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ রাখে। রোগ-জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নতি সাধন করে। এটি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। দেহের কোলেস্টেরেল নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে এবং শরীরের রক্তচাপের মাত্রা স্বাভাবিক করে। নিয়মিত সেবন করলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
মোটকথা'নাইট কিং'ব্যবহারে : ১. সহবাসকে আনন্দময় করবে। শরীরে অনুভূতি প্রচুর থাকে। ২. লিঙ্গ দীর্ঘক্ষণ শক্ত থাকে। ৩. সহবাসের সময় আপনার মনোবল বাড়িয়ে তুলবে। ৪. আপনাকে দীর্ঘসময় সহবাসে সহায়তা করবে। ৫. সেনসিটিভিটি ভালো হয়। ৬. কোনোপ্রকার সাইড ইফেক্ট বা বিরূপ পাশর্^প্রতিক্রিয়া নেই। শরীর ব্যথাও হয় না, মাথা ঠান্ডা থাকে। ৭. সহজে বীর্যপাত হয় না। ৮. সেবনের ৩০ মিনিট পর থেকে কার্যকারিতা শুরু হয় সারারাত সতেজ অনুভূতি থাকে। ৯. একবার সহবাস শেষ হবার পরও পেনিস বা লিঙ্গ শক্ত থাকে।
'নাইট কিং'এন্ডোক্রাইন গ্ল্যান্ডের ক্রিয়াশক্তি বৃদ্ধি এবং হরমোনাল নিঃসরণ স্বাভাবিক করে। দুর্বল ও অক্ষম নার্ভসমূহকে সবল, সতেজ ও কর্মক্ষম করে। যৌনশক্তি বৃদ্ধি করতে অতীব কার্যকরী ও নিরাপদ। এতে কোনো প্রকার রাসায়নিক পদার্থ নেই বলে কোনো পাশর্^প্রতিক্রিয়াও নেই। 'নাইট কিং' নিয়মিত সেবনে যৌনশক্তি স্থায়ীভাবে বৃদ্ধি ও অতি আনন্দদায়ক করে। মহিলা ও পুরুষের হরমোনাল ব্যালেন্স ফিরিয়ে আনে এবং শুক্রানু বৃদ্ধি করে। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্ব দূরীভূত হয়।
'নাইট কিং'ব্যবহার বিধি :
সহবাসের আধধণ্টা আগে এক চা চামচ ঔষধ এক কাপ হালকা ঊষ্ণ দুধ বা এক চামচ মধুমিশ্রিত উষ্ণ পানিতে মিশিয়ে পান করবেন। নাইট কিং শুধুমাত্র হালকা গরম পানি দিয়েও সেবন করা যায়। তবে মধু বা দুধের সাথে মিশিয়ে পান করলে এর কার্যকারিতা বেশিক্ষণ থাকে। এতে লিঙ্গের শক্তি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে এবং এক রাতে তিন-চারবারও সহবাস করা যাবে। তবে এ সময় শান্ত করতে হবে মন। মনে কোনো ঋনাত্মক ভাবনা বা দুশ্চিন্তা আনলে চলবে না। কারণ স্বল্পস্থায়ী যৌনতার একমাত্র কারণ হলো শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা। নিজেকে শারীরিক মিলনের জন্যে মানসিক ও শারীরিকভাবে তৈরি করতে হবে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমিয়ে আনতে হবে। মনে রাখবেন মানসিক চাপ, উদ্বেগ, উত্‍কণ্ঠা, মদ, তামাক, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘস্থায়ী যৌনতার ক্ষেত্রে বাধা সষ্টি করতে পারে।
যৌনমিলনের সময় অবস্থানে পরিবর্তন করুন। নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে। সঙ্গীর চাহিদার দিকেও নজর দিন। সহবাসের সময় সঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোনো কারণ নেই। ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে, ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌনমূলনের উপযুক্ত থাকবে। যৌন দুর্বলতার চিকিত্‍সা নির্ভর করে রোগের কারণের উপর। পুরুষাঙ্গের উত্থানের সমস্যা যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে হয় তাহলে অবশ্যই ওই রোগেরও চিকিত্‍সা করাতে হবে। তবে সচরাচর এই রোগের জন্যে কিছু বাড়তি ওষুধেরও প্রয়োজন হয়। আপনার সমস্যা গোপন না রেখে ডাক্তারের কাছে খোলাখুলিভাবে বলুন, তিনি এর চাইতেও আরো বেশি ভালো সমাধানের পথও বাতলে দিতে পারবেন। এ সমস্যাসমূহ সমাধানের ক্ষেত্রে লক্ষণভেদে ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন, যেকোনো প্রকার যৌন সমস্যার সমাধান রয়েছে রোগ ও রোগের লক্ষ্মণ ভেদে সঠিক চিকিত্‍সায়। তাই রোগ শরীরে পুষে না রেখে চিকিত্‍সককে খুলে বলুন।
স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির জন্যে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অনুসরণ করবেন
স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তির পথ ও পদ্ধতির মধ্যে প্রথমটি হল নিজের খেয়াল ও ধ্যান ধারণাকে সব সময় পাক সাফ রাখবেন। নিজের মনকে নিজের আয়ত্বে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। সত্‍ ও ভালো লোকদের সাথে চলাফেরা করবেন। এসবের সাথে সাথে খাবার ও পেট ভালো রাখাও অধিক গুরুত্বপূর্ণ। অধিক মসলাযুক্ত খাবার, যেসব খাবার বিলম্বে হজম হয়, সেগুলো যথাসম্ভব কম খাবেন। যেমন-গোশত, কাবাব, ডিম, অধিক পরিমাণে চা পান, কফি পান, বেগুন, মশুরির ডাল ইত্যাদি। খাবার-দাবারে বিশেষ করে রাতের খাবার কমিয়ে দেবেন এবং শোয়ার কমপক্ষে দুই ঘণ্টা পূর্বে খাবেন। শোয়ার সময় অধিক পরিমাণে পানি ও চা পান করবে না। শোয়ার পূর্বে পেশাব পায়খানার প্রয়োজন সেরে ঘুমাবেন। মূত্রথলিতে পেশাব জমা হয়ে স্বপ্নদোষ হওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করে। নরম ও গরম বিছানায় শয়ন করা অনুচিত। বরং এমন ঘরে শোবেন, যে ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করে। চিত হয়ে শয়ন করাও স্বপ্নদোষ হওয়ার সহায়ক। শেষ রাতে পেশাবের বেগ হলেই উঠে পেশাব করবেন। গরমকালে রাতে অধিক গরম লাগলে এবং মেজাজও গরম থাকলে গোসল করে নেয়া লাভজনক। স্বপ্নদোষ প্রতিরোধক ওষুধ সেবন করতে হবে। স্বপ্নদোষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি শয়নকালে কখনো লিঙ্গে কোনো প্রকার মলম বা মালিশ ব্যবহার করে শয়ন করবেন না। অন্যথায় স্বপ্নদোষের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। স্বপ্নদোষ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বপ্নদোষের চিকিত্‍সার পূর্বে ডাক্তার বা হাকীমের নিকট নিজের পেটের হালত বর্ণনা করবে। চিকিত্‍সা চলাকালীন হাকীম বা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ ব্যবহার করবে না। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রাতের খাবারে কাঁচা পেঁয়াজ খাবেন না। অন্যথায় এ রাতেই স্বপ্নদোষ হবে। তামাক, বিড়ি, সিগারেটও সেবন করবে না। যদি এসব পান করতে অভ্যস্ত থাকেন, তাহলে ধীরে ধীরে তা পরিত্যাগ করবেন। তামাক মানুষের দেমাগ ও বীর্যের জন্য অধিক ক্ষতিকর। বিষ যেমন মানুষের ক্ষতি করে, তামাক মানুষকে তার চেয়েও বেশি ক্ষতি করে। এটা যদি মাত্রায় একটু বেশি সেবন করা হয়, তবেই তার প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমস্ত শরীরকে দুর্বল বানানো, মাথা ঘেমে পানি পড়া, মাথা ঘুরা, বমি, চোখে সরিষার ফুল দেখা, দৃষ্টিশক্তি কম, শ্রবণশক্তি হ্রাস, হাত-পায়ে জ্বলন, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, হজমশক্তি দুর্বল এমনকি আত্মভোলা হয়ে যায়। তামাক অধিক পরিমাণে ব্যবহার করলে এক সময় মানুষের ক্ষুধা ও যৌনশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। হার্টে ধুকপুকানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ জাতীয় আরো অনেক রোগ দেখা দেয় যা একজন সুস্থ মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তামাক গ্রহণকারীদের সন্তানও দুর্বল হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: অনলাইন নিউজপোর্টাল

Latest

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি

Featured Post

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! জেনে নিন বিস্তারিত-

গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...

jk