Adsterra

a-ads

pop

Wednesday, July 13, 2022

বাঙ্গালী স্বাধীনতার শহীদ দীনেশ গুপ্ত | অমর শহীদ দীনেশচন্দ্র গুপ্ত

 

র্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারকে তিনি ঘৃণা করেছেন। ১৯৩১সালের ১৮ই জুন আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে তাঁর বৌদিকে চিঠিতে



মাতৃভূমির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তের আজ আত্মবলিদান দিবস

স্মরণ করি সেই অসীম সাহসী সেই বীর বিপ্লবী কে , তার ফাঁসি হবার দিনে বয়স ছিল মাত্র ১৯
একটি অসাধারন প্রতিবেদন গনশক্তি পত্রিকা থেকে
রাইটার্সে বারুদের গন্ধ

একজন পুরুষের জীবনে ‘‘মা এবং স্ত্রী’’ এই দুটি মানুষই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মানিত।


একজন পুরুষের জীবনে ‘‘মা এবং স্ত্রী’’ এই দুটি মানুষই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মানিত।

একজন পুরুষের জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে এই দুইটি মানুষের অবদান। তার জন্ম থেকে মৃত্যু অব্দি, এই দুটি মানুষই থেকে যায় স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসার ছায়া হয়ে।

একজন মা তার ছেলেকে জন্ম দেন নাড়ি থেকে,
একজন স্ত্রী সেই ছেলেকেই জন্ম দেন হৃদয় থেকে।
একজন মা তার অদেখা ছেলেকে অনুভব করেন পেটে হাত রেখে দশ মাস,
একজন স্ত্রী সেই অচেনা ছেলেকেই অনুভব করেন বুকে হাত রেখে সারাটা জীবন।
একজন মা জন্ম দেন একজন শিশু পুত্রকে,
একজন স্ত্রী জন্ম দেন একজন পরিণত পুরুষকে।
একজন মা তার সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শেখান,
একজন স্ত্রী সেই সন্তানের হাত ধরেই জীবনের সমস্ত পথটা হাটেন।
একজন মা তার সন্তানকে কথা বলতে শেখান,
একজন স্ত্রী প্রিয় বন্ধু হয়ে সারাজীবন তার কথা বলার সঙ্গী হয়ে ওঠেন।
সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে আসতেই মা তার সমস্ত পৃথিবী ভুলে যান,
আবার স্ত্রী সেই সন্তানের দায়িত্ব নেবেন বলেই তার সমস্ত পৃথিবীটা ছেড়ে একদিন চলে আসেন।
সন্তান না খেতে পারলে পাতের সেই উচ্ছিষ্ট খাবার মা এবং স্ত্রী উভয়েই খান, আবার সন্তান এবং স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস মা এবং স্ত্রী দুজনেই করে থাকেন।
সন্তানকে বড় করেও সন্তানের থেকে প্রতিটা মাকেই আঘাত পেতে হয়।
আবার স্বামীকে বিয়ে করেও প্রত্যেকটি স্ত্রীকে এক না একদিন নির্যাতিত হতেই হয়।
মায়ের কাছে সন্তানের জীবনে দায়িত্ব নেওয়ার শুরু প্রায় কুড়ি বছর।
স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবনের দায়িত্ব নেভানোর শেষ বাকি ষাটটি বছর(কখনো কখনো সেটি আশি বছরেও যেতে পারে যদি আয়ু একশো বছর হয়)।
সন্তানের শৈশবে তার মল মুত্র মা-ই পরিস্কার করেন।
সন্তান যখন বৃদ্ধ হন তখন তার এই একই দায়িত্ব স্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়।
মায়ের কোল হল সেই কোল যেখানে সন্তানের জন্ম হয় অর্থাৎ প্রথম বিছানা।
স্ত্রীর কোল হল সেই কোল যেখানে মৃত্যু হয় অর্থাৎ শেষ বিছানা।
গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়াটাই মা ও স্ত্রীর মধ্যে যদি সবচেয়ে বড় পার্থক্য হয়ে থাকে তাহলে শেষ কথা একটাই বলব-
"একজন আপনাকে গর্ভে ধারণ করেছেন,
অন্যজন আপনার জন্য গর্ভধারণ করবেন।"
"একজন আপনাকে জন্ম দিয়ে মা হয়েছেন,
অন্যজন আপনার জন্য আরেক জনকে জন্ম দিয়ে মা হবেন।"
পুরুষের জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন নারীর মমতা আর যত্নেই কেটে যায়। এক নারী তার মা, আরেক নারী তার স্ত্রী। তাই কখনোই কোনও একজনের জন্য অপরজনকে কষ্ট দেয়াটা পুরুষত্বের মধ্যে পড়ে না। সেই পুরুষ আসলে মানুষই না!

শরীরটা কেমন কেঁপে উঠল। বাবা আর মায়ের মৃদু কথা বলার শব্দ ভেসে আসছে দূর থেকে।

 

শরীরটা কেমন কেঁপে উঠল। বাবা আর মায়ের মৃদু কথা বলার শব্দ ভেসে আসছে দূর থেকে।

যখন সবে বুঝতে শিখেছি তখনই দেখতাম প্রায় প্রতি ৬-৭ মাস পর পর আমাদের বাড়িতে নতুন কাজের মেয়ে রাখা হতো। আগের মেয়েগুলো যে কোথায় যেত তা আমার বোধগম্য হয়নি দীর্ঘদিন। কিন্তু একটা রাত আমার কাছে সব কিছু পরিস্কার করে দেয়। এক রক্তাক্ত হিংস্র জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটে আমার। তখন বয়স আমার ৯। একরাতে মেয়েলি একটা চিৎকারের শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল। ফ্যান এবং ডিমলাইট বন্ধ দেখে বুঝলাম বিদ্যুৎ নেই। অন্ধকার হাতড়ে নীচে নেমে দরজার কাছে গেলাম। দরজাটা বাইরে থেকে আটকানো। কাজের মেয়েটা আমার সঙ্গে এক ঘরে মেঝেতে ঘুমায়। অন্ধকারে বোঝা যাচ্ছে না সে ঘরে আছে কিনা।

শরীরটা কেমন কেঁপে উঠল। বাবা আর মায়ের মৃদু কথা বলার শব্দ ভেসে আসছে দূর থেকে। যেন তারা কিছু একটা কথা নিয়ে হাসি-তামাশা করছে। সাথে সাথে মেয়েলি একটা কণ্ঠের গোঙানিও কানে এলো আমার। যেন প্রচণ্ড কষ্ট নিয়ে শব্দটা বের হয়ে আসছে তার গলা দিয়ে। আমি জোরে দরজা ধাক্কাতে লাগলাম। বাবা আর মায়ের কণ্ঠ মিলিয়ে গেল সাথে সাথেই। তাদের পায়ের আওয়াজ পেলাম, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে এদিকে। দরজার সামনে এসেই আবার দুজনে ফিসফিস করতে লাগলো। তর্ক করছে কিছু একটা নিয়ে। বুঝতে পারলাম মা আপত্তি করছে দরজা খুলতে আর বলছে, ওর বয়স এখনো হয়নি এসব দেখার। বাবা বলছেন, এখন থেকেই এসব দেখে মানিয়ে নেয়া উচিত। না হলে বড় হয়ে আপত্তি করবে।
বেশ কিছুক্ষণ তর্ক-বিতর্ক করার পর দরজাটা খোলার শব্দ পেলাম। ভয়ে ভয়ে বাইরে বেরিয়ে এলাম আমি। পুরো ঘর মোমের কম্পিত আলোতে ভরে আছে। মেঝের জায়গায় জায়গায় মোম জ্বালিয়ে রাখা এক বিশেষ নকশায়। আমি অবাক হয়ে বাবা আর মার মুখের দিকে তাকালাম। বাবা উল্টো দিকের ঘরের ভেতর চলে গেলেন কোনো কথা না বলেই। বাবা কখনই আমার সাথে তেমন একটা কথা বলতেন না। ওই ঘরটাও মোমবাতির আলোয় ভরে আছে। মা আমার মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে বাবার পিছু নিলেন। আমি কয়েক মুহূর্ত স্তব্ধভাবে দাঁড়িয়ে থেকে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলাম ঘরটার দিকে। ঘরে ঢুকেই আমি একটা প্রচণ্ড মানসিক ধাক্কা খেলাম। এই প্রথম খেয়াল করলাম বাবা আর মায়ের হাতে, কাপড়ে আর মুখে রক্ত লেগে রয়েছে।

আমার একটা বাড়ি ছিল পদ্মা নদীর তীরে

আমার একটা বাড়ি ছিল পদ্মা নদীর তীরে সাত পুরুষের জনম গেছে খরকুটার এই নীড়ে একটুখানি উঠোনে ছিল ছোট্ট ক টা ঘর পাশেই ছিলো বাবা-মায়ের পুরনো কবর। দক্ষিনে এক পুকুর ছিল কানায় কানায় জল দখিন হাওয়ার ঢেউ গুলো তার করত টলমল। হালের দুটো বলদ ছিল একটা দুধের গাই ওরা যেন ছিল আমার ভাগ্নি এবং ভাই। ঘরের মুখে ছিল দুটো লাল গোলাপের চারা সারা বাড়ি থাকতো ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা  লাল পুঁইয়ের এক মাচা ছিল আঙ্গিনার এক পাশে পুঁইয়ের ডগা দুলত সেথায় দক্ষিণা বাতাসে। তাজমহলের রূপ ছিল মোর সবুজ-শ্যামল নীড়ে আসতে যেতে পথের পথিক চাইত ফিরে ফিরে। এই বাড়িতে তেমন সুখেই যাচ্ছিল দিন কেটে যেমন সুখে শিশুরা সব ঘুমায় মায়ের পেটে। আমার এ সুখ সইল না ঐ পদ্মা নদীর প্রাণে  বান ডেকে সে ঢেউ তুলে মোর বক্ষে আঘাত হানে। ঘরবাড়ি সব ভাসিয়ে নিল ভাসালো দুই আঁখি  অশ্রু ছাড়া কিছুই সে মোর রাখল না আর বাকি। কাল যেখানে ছিল আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই  আজ সেখানে জলের খেলা আমার কিছুই নাই। বাপ মা আমার ঘুমিয়ে ছিল কাল যে মাটির ঘরে আজ সেখানে নদীর পানি রঙ্গে খেলা করে। সাত পুরুষের স্মৃতির মতন নাই কো কিছুই আর নদীর জলে ভাসছে তাদের গোর কবরের হাড়। নদীর জলে হাড় পেলে কেউ বক্ষে তুলে নিও গোর হারা মোর মায়েরে আবার দাফন করে দিও। কাল যেখানে থাকত বাঁধা আমার বলদ গাভী  আজ সেখানে বানের জলে ভাসছে হাবিজাবি। তদের সাথে যদিও আমার রক্ত বাঁধন নাই  তবুও ওরা ছিল আমার ভগ্নী এবং ভাই। আমার সুখে হাসত ওরা কাঁদত আমার দুখে  নিজের বাছুর উপুস রেখে দুধ দিতে মোর মুখে। হাসিমুখে আমার সাথে টানত ওরা হাল ভাইয়ের মতোই সঙ্গ দিয়ে আসছে চিরকাল। আমার এ সুখ হয়নি হজম পদ্মা নদীর চোখে আঘাত করে আমাদের এই ভাই বাঁধনের বুকে। হঠাৎ দেখি তার আঘাতে উঠোন গেছে ফেটে প্রাণ বাঁচাতে দিলাম ওদের গলার দড়ি কেটে। নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে সাত জনমের বাঁধন অবাক চেয়ে শুনছি তাদের হাম্বা সুরের বাঁধন। বিদায় কাঁদন কান্ধে ওরা আমার দিকে চাহি আমিও কাঁদি কান্না ছাড়া কিচ্ছু করার নাহি। জানিনা আজ কোথায় ওরা মরল না কি আছে কোথায় পাব তাদের খবর সুধাই বা কার কাছে। নদির জলে পাও যদি কেউ তিনটি বলদ গাই বুঝে নিয়ো এরাই আমার হারানো বোন ভাই। বিনয় করে বলছি তোমার পা জড়িয়ে ধরে একটু তাদের থাকতে দিও তোমার গোয়াল ঘরে। শিরোনাম:- নদীর পাড়ের বাড়ি। লেখায় :- ফেরদৌস আহমেদ।  ছবি:-সংগৃহীত।

সাত পুরুষের জনম গেছে খরকুটার এই নীড়ে

একটুখানি উঠোনে ছিল ছোট্ট ক টা ঘর
পাশেই ছিলো বাবা-মায়ের পুরনো কবর।
দক্ষিনে এক পুকুর ছিল কানায় কানায় জল
দখিন হাওয়ার ঢেউ গুলো তার করত টলমল।
হালের দুটো বলদ ছিল একটা দুধের গাই
ওরা যেন ছিল আমার ভাগ্নি এবং ভাই।

সূর্যগ্রহন ©উম্মে শারমিন নিহা সত্য ঘটনা অবলম্বনে

 

সূর্যগ্রহন ©উম্মে শারমিন নিহা সত্য ঘটনা অবলম্বনে

নতুন বাসায় উঠার পর থেকেই একটা জিনিস বারবার চোখে পড়ছে,আমাদের বারান্দার মুখোমুখি পাশের বিল্ডিং এর একদম লাগোয়া বারান্দায় একজন মাঝবয়সি মহিলা,বয়স সর্বোচ্চ ৪০ হবে,তিনি প্রায়ই মন খারাপ করে বারান্দার গ্রীল ধরে দাড়িয়ে থাকেন,দিনে বা রাতের বেশীর ভাগ সময়টাতেই উনি বারান্দায়ই কাটান।

আমি যতোবার ই বারান্দায় যাই কাপড় চোপড় নাড়তে ততোবার ই চোখে পড়ে।
কখোনো কখোনো রাতে ঘুম ভাঙলে টয়েলেটে যাওয়ার সময় বারান্দা থেকে চাপা কান্নার স্বর শুনতে পাই।
আবিরকে বিষয়টা নিয়ে দুএকবার বলেছি,সে তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়নি।
একদিন না পারতে আমি ঐ মহিলার সাথে যেচে পড়ে কথা বললাম,আমি জানতে চাই উনার কি এমন দুঃখ,কি এমন কষ্ট যে জীবনবটা একটা বারান্দায় সীমাবদ্ধ হয়ে গেলো।

বীর বীরাঙ্গনা মালতী বাঈ লোধি

 মালতী বাঈ লোধি ১৮৫৭ সালের যুদ্ধের মহান বীরাঙ্গনা ছিলেন। মালতী বাঈ লোধি ছিলেন বুন্দেলখণ্ডের ইতিহাসের মহান বীরাঙ্গনা ঝাঁসির রানী লক্ষী বাঈ এর ছোটবেলার খেলার সাথী। মালতী বাঈ, ঝাঁসির রানী লক্ষী বাঈ এর অঙ্গ রক্ষক ছিল।


       
জুন মাসের ১৮৫৭ সালের যুদ্ধে যখন রানী লক্ষী বাঈ আহত হন, তখন তার ঘোড়াটিও ট্রায়াম্ফ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে

সন ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেকবার এই বীর যুবতী বীরাঙ্গনা, ব্রিটিশদের হাত থেকে ঝাঁসির রানী লক্ষী বাঈকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে আনেন। মালতী বাঈ ছিলেন রানী লক্ষী বাঈ এর বড়োই স্নেহময়ী ও বিশ্বাসযোগ্য নারী। 

শ্রী অলোক দীক্ষিত পেশায় একজন এনজিও কর্মকর্তা, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একজন অ্যাসিড দগ্ধ নারীকে।

 

শ্রী অলোক দীক্ষিত পেশায় একজন এনজিও কর্মকর্তা, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একজন অ্যাসিড দগ্ধ নারীকে।

🏵🏵🏵
শ্রী অলোক দীক্ষিত পেশায় একজন এনজিও কর্মকর্তা, ভালবেসে বিয়ে করেছেন একজন অ্যাসিড দগ্ধ নারীকে। সম্প্রতি তাদের কোল জুড়ে এসেছে ফুটফুটে এক সন্তান। অলোক প্রমাণ করেছে মানুষের চেহারাই সব কিছু নয়
ভালোবাসার এতো ক্ষমতা যা অসুন্দরকে ঢেকে দিতে পারে খুব সূক্ষ্ম ভাবে। আসলে সুন্দর মানসিকতাই পারে এসমাজকে পাল্টে দিতে ।
ওনাদের জন্য অনেক শুভকামনা রইল 💖
🙏🙏🙏

#তাহার_নামটি_চন্দনা #প্রাপ্তবয়স্কদের_জন্য ©শ্রাবন্তী_মিস্ত্রী

#তাহার_নামটি_চন্দনা  #প্রাপ্তবয়স্কদের_জন্য ©শ্রাবন্তী_মিস্ত্রী

তাকে যখন প্রথম দেখেছিলাম, তখন আমি মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। লেখাপড়ার কারণে বাড়িতে থাকা আমার হতো না, দু তিনমাস অন্তর বাড়ি ফিরতাম আমি। সেবার মায়ের চিঠি পেলাম আমার বড় দাদার বিয়ে ঠিক হয়েছে। বিয়ের দিনক্ষণ জানিয়ে মা লিখেছেন, দাদার বিয়ের কয়েকদিন আগেই যেনো আমি পৌঁছে যাই বাড়িতে। বিয়ের আগের দিন রওনা দিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। বাড়ি গিয়ে দেখলাম সব প্রস্তুত ভিয়েন বসেছে, সারা বাড়িতে প্যান্ডেল। জেঠতুতো পিসতুতো দাদারা বললো -"হবু ডাক্তার আর ছোট ছেলে হওয়ায় বেঁচে গেলি সব দায়িত্ব থেকে।"

Thursday, May 12, 2022

Golden Chariot: অশনি-র দাপটে সমুদ্রতটে ভেসে এল রহস্যময় 'সোনালি রথ'!

 

শ্রীকাকুলামে।

সাইক্লোন অশনি-র আশঙ্কায় ত্রস্ত ওড়িশা ও অন্ধ্রের বিস্তীর্ণ উপকূলভাগ। তার মধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়াল অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার সুন্নাপল্লী খাঁড়িতে। 

Latest

হাতের স্পর্শে সত্যিই কি স্তনের আকার বৃদ্ধি

Featured Post

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! জেনে নিন বিস্তারিত-

গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...

jk