![]() |
| শষা |
সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।
যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সুপরিচিত একজন চিকিৎসক ড. ডন হারপার। মানুষের স্বাস্থ্যের উপর টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি বই লিখেছেন। বাইটির নাম ১০১ বছর সুস্থ হয়ে বাঁচুন।
যুক্তরাজ্যের ৪ লাখ ৩৩ হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায় সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি। গবেষণায় দেখা যায় দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতার শিকার হতে হয়।
নাক ডাকা সমস্যায় অনেকে ভোগেন। মাঝবয়সী ও বয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি হয়। চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে অল্পবিস্তর নাক ডাকা তেমন ক্ষতিকারক নয়। বিকট শব্দে নাক ডাকা যা বন্ধ দরজা দিয়েও পাশের ঘর থেকে শোনা যায়, তা সব বয়সেই অস্বস্তিকর। বাচ্চাদের নাক ডাকা সব সময়ই অস্বাভাবিক, যা সাধারণত বিভিন্ন রোগের কারণে হয়ে থাকে। মারাত্মক হল ঘুমের মধ্যে দমবন্ধ হয়ে আসা বা শ্বাস নেয়ার জন্য হাঁসফাঁস করা যাকে স্নোরিং ও স্লিপ এপনিয়া সিনড্রোম বলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি শ্বাসের রাস্তায় বাতাস ব্যাপকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে হয়ে থাকে, একে অবসট্রাকটিভ স্লিপ এপনিয়া বলে।
![]() |
| দুপুরের ঘুম ভাব দূর করার উপায় |
অফিস বা বাসাবাড়ি যেখানেই অবস্থান করেন, দুপুরের খাবারের পর প্রতিটি মানুষের মাঝেই একটু ঘুম লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে খাওয়ার পর মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ হ্রাস পাওয়ার কারণেই এ ঘুম ভাব আসে।
এটা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে এ স্বাভাবিক ব্যাপারটি সহজ সাধারণ উপায় অবলম্বন করেই দূর করা যায়। নিচে দুপুরের ঘুম ভাব দূর করার কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো :
![]() |
| টমেটো |
ফলের রাজা যদি হয় আম তবে সবজির রাজা অবশ্যই বলা উচিত টমেটোকে। টমেটো যেমন হার্টের সমস্যা দূরে রাখতে পারে তেমনই ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা রুখতেও অনস্বীকার্য। টমেটোয় থাকা লাইকোপেন প্রোস্টেট, কলোরেকটাল বা পেটের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমিয়ে দেয়। প্রাকৃতিক এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রুখতে পারে। কাঁচা টমেটো থেকেও বেশি উপকারী রান্না টমেটো। তাই যত পারুন টমেটোর সুপ খান, রান্নায়ও ব্যবহার করুন টমেটো। টমেটোর মধ্যে থাকা ভিটামিন ‘বি’ ও পটাশিয়াম রক্তের কলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিনের ডায়েটে টমেটো থাকলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও হার্টের অন্য সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। কিডনি ভালো রাখতে টমেটো খেতে পারেন। টমেটোর মধ্যে থাকা ক্রোমিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। টমেটোয় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘কে’ থাকে। হাড়ের টিস্যু ঠিক রাখতে ও ছোটখাটো সমস্যা দূর করতে টমেটো অপরিহার্য।
করোনা মহামারির শুরু থেকেই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার কারণে শিশুরা ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার ফুরসত নেই তাদের। একঘেয়েমি জীবন কাটাচ্ছে শিশুরা। এর ফলে অধিকাংশ শিশু-কিশোরই আসক্ত হয়ে পড়েছে স্মার্টফোন তথা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের প্রতি।
করোনা প্রতিরোধে ক্ষমতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়েনোর বিকল্প নাই। যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশি, সে তত ভালো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হবে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে। তাই প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের স্বাস্থ্যকর এবং ফিট থাকার জন্য একটি ভালো ডায়েটের প্রয়োজন। কারণ, এটি শিশুকে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।
![]() |
| Misti Kumra |
![]() |
| #healthbangla #health #শরীরস্বাস্থ্য #coronavirus |
বয়স লুকাতে চান? সুস্থ থাকতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে কিছু খাবার পুরুষের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। নিয়মিত এসব খাবার খেলে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। বয়স বাড়তে শুরু করলে শরীরে তার চিহ্ন ফুটতে শুরু করে। শুধু বয়সের ছাপ নয়, শরীর দুর্বলবোধ হতে থাকে। যাঁরা বংশগতভাবে ভাগ্যবান বা যাঁরা স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সহজে বয়স বোঝা যায় না। বয়স চল্লিশের কোঠায় যাওয়ার পর থেকে মেটাবলিজমের হারকমতে থাকে। তাই এ সময় শরীর ঠিক রাখতে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদিও দেহঘড়ির চলার পথ আটকানো কঠিন, তারপরও কিছু খাবারের কারণে বয়সের ছাপ পড়ার হার ঠেকিয়ে রাখা যায়। ভারতের পুষ্টিবিদ শিল্পা অরোরার মতে, কিছু খাবার আছে, যা ফাইটোনিয়ট্রিয়েন্টে ভরপুর। এ ছাড়া তারুণ্য ধরে রাখতে ওমেগা-৩ ফ্যাট, লাইকোপেন, ভিটামিন ‘সি’ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। তারুণ্য ধরে রাখে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:
গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে তার বন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার সময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজ...